সমুদ্্র এতো সুন্দর হয়? সাদা বালিতে ঘেরা নীল-সবুজ জলটুকু মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা মোহীত করে রাখতে পারে, চোখ যেন তবুও ক্লান্ত হয় না। প্রতিবারই নতুন কিছু আবিষ্কার করা যায়। অদ্ভুত কোন রং, বা ভেসে আসা প্রানী যা-ই হোক - মুগ্ধ করে দেয়।
তীরে দাড়িয়ে ঢেউ গোনা যতটা খারাপ মনে হয়, কাজটা আসলে তত খারাপ না। মীরা দির্ঘক্ষণ গবেষনার পর ঢেউদের অনুভূতি পর্ব আলাদা করেছে। যেমন, দুর থেকে যখন দেখা যায়, তখন তারা দুরু দুরু বুকে চুপি চুপি আসতে চায়। অনেক্ষণ সেই ভয় বুকে নিয়ে ঘোরার পর সেটা রাগে পরিণত হয়। দু'পাশ থেকে ফেনা ছড়াতে ছড়াতে এগিয়ে আসে সে। পায়ের কাছে চলে আসার সময় সব রাগ ঝরে যায়। অশায় হয়ে ছেড়ে দেয় নিজেকে।
সাগর একটু পর পর রূপ বদলায়। তবে এর জন্য তাকে ক্ষমা করে দেওয়া যেতে পারে, মুগ্ধতার পরিমান বাড়িয়ে দেয় যে! সকালের সাগর দেখে 'প্রশান্ত' মহাসাগরের মূল্য বোঝা যায়। সুর্য্যের নরম আলোতে হালকা ঢেউগুলো প্রশান্তিই বয়ে আনে। দুপুর হতে হতে সাগরের প্রশান্তি কমে যায়। গাড় নীল বর্ণ ধারণ করে বড় বড় ঢেউ নিয়ে আসে সে। সারা দুপুর এতো পরিশ্রমের পর সন্ধ্যার দিকে ক্লান্ত হয়ে পড়ে।
আর রাতের সাগর? কালো বুকে সাদায় ভরা।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০০৭ রাত ১:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






