একটা বয়স ছিল, যখন স্নিকার্স, ক্যাটস, ঘড়ির প্রতি অদ্ভুত আকর্ষণ কাজ করতো।
পায়ে নতুন ক্যাটস দেখে যে খুশি টা পেতাম, সেটা বোধহয় বাচ্চা হবার পর কোন বাবার খুশির চেয়ে কোন অংশে কম নাহ।
দেয়ালের পাঁচিলে পা ঝুলিয়ে সেই পায়ে রং বেরং এর ক্যাটস দেখার আনন্দটাই অন্যরকম।
হাতঘড়ির শখটাও পুরনো অনেক, এখন কেন জানি সেসব খুব একটা টানে না।
কারো হাতে সুন্দর হাতঘড়ি দেখলেও এখন সেসবের বায়না উঠে নাহ মাথায়।
মাত্র দু বছর আগের আমির সাথে যোজন যোজন পার্থক্য, বয়স হয়ে যাচ্ছে, বুড়া হয়ে যাচ্ছি, মনের বয়সটা সত্যিই অনেক বেড়ে যাচ্ছে।
হাহ, জীবনে যদি 'তুমি কি চাও? ' নামে কোন অপশন পেতাম, তবে দু বছর আগের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে চাইতাম, আর একটা বার রাত বিরেতে সাইকেল নিয়ে বের হতে চাইতাম, পদ্মার মাঝ নদীতে দাঁড়িয়ে নতুন শহরের সূর্যোদয় দেখতাম, ভোর রাতে উঠে শিশিরে পা রেখে হাঁটতাম।
জীবনটা লন্ডভন্ড হয়ে যাচ্ছে, আরেকটাবার নতুন ভাবে বাঁচতে চাই পুরনো হাতঘড়ি, স্নিকার্সের মাঝে ❤
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



