somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুজিব রহমান
সমাজ বদলাতে হবে। অনবরত কথা বলা ছাড়া এ বদ্ধ সমাজ বদলাবে না। প্রগতিশীল সকল মানুষ যদি একসাথ কথা বলতো তবে দ্রুতই সমাজ বদলে যেতো। আমি ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে, জাতীয়তাবাদের বিরুদ্ধে, বর্ণবাদের বিরুদ্ধে, নারী নিপীড়নের বিরুদ্ধে অনবরত বলতে চ

সামন্ত প্রথা চিরকাল চলেনি! তাহলে কি অপেক্ষা করছে?

১৪ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


সামন্তপ্রথা ভেঙ্গে যেতে পারে এটা সামন্ত যুগের মানুষের কাছে ছিল অভাবনীয়। তারা ভাবতো সামন্ত প্রথা ভাঙ্গলে কি আসবে? কে চালাবে সমাজ, কে আদায় করবে রাজার জন্য খাজনা? প্রজা নিপীড়ন নিরন্তর চলবে। সে প্রথাও টিকেনি। তাসের চারজন রাজা ছাড়া সব রাজার পদই এখন ঝুঁকিপূর্ণ। একেক মহান রাজার পতনও জনগণকে সামনে এগিয়ে দিয়েছে। যদিও বহু রাজা বদলেই জনগণ সম্পৃক্ত ছিল না।

ঈশ্বরের বিধান বদলাতে পারে এটা ভাবনারও বাইরে ছিল। সেই বিধান ইউরোপে ধাক্কা খায় প্রথমে। প্রটেস্টান্টরা ধর্মবিশ্বাসী হলেও গীর্জার বিরুদ্ধে একটি বিজয়ই ছিল সেটা। মানুষের সাথে ঈশ্বরের সম্পর্ক স্থাপনে মধ্যসত্ত্বভোগী দালালদের দৌরাত্ম কমে গেল। তারপর ইউরোপের দার্শনিকগণ নিয়ে আসলেন নতুন নতুন যুক্তি। আসলো নতুন নতুন ব্যাখ্যা। মানুষ ভাববাদী থেকে হতে থাকলো বস্তুবাদী। বিপ্লব ঘটে গেল সমাজে। দক্ষিণ এশিয়াতেও অভ্রান্তবাদ প্রমাণিত হয়েছে ভ্রান্ত হিসেবে।

মানুষের আত্মা থাকে না এটা কি ভাবা যেতো? মানুষের উদ্ভব হয়েছে অন্য প্রজাতি থেকে এ ভাবনাও করা যেতো না। ডারউইনের অবিস্মরণীয় আবিস্কার মানুষের ভাবনার জগৎই পাল্টে দিল। একের পর এক প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত করে ফেললো বিবর্তনবাদকে। ওভারঅল মানুষের জীবনে এসেছে পরিবর্তন, বেড়েছে নিরাপত্তা, দূর হয়েছে খাদ্যসহ বিভিন্ন সংকট। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এসেছে বিস্ময়কর সব পরিবর্তন। প্রকৃতির উপর মানুষের কর্তৃত্ব আজ সুপ্রতিষ্ঠিত।

রাজা বদলে প্রজারাই ভূমিকা রাখবে এটাও ভাবা যায়নি। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের মতো সবচেয়ে ক্ষমতাধর ব্যক্তিকেও আজ সাধারণ জনগণই সরিয়ে দিচ্ছে। ট্রাম্প যতই হম্বিতম্বি করুক, ক্ষমতা ছাড়তে না চাক- তাকে নত মস্তকে বিদায় নিতেই হবে। উৎপাদন শক্তির বদলটাও বিস্ময়কর। উৎপাদন সম্পর্কও বদলেছে। পুরাতন থেকে নতুন নতুন ধারণা এসেছে। সামন্তবাদ থেকে এসেছে পুঁজিবাদ কিন্তু পুঁজিবাদ থেকে কি আসবে? সমাজতন্ত্র? না আরো নতুন কিছু, যা আমরা জানি না। শুধু জানি পরিবর্তন আসবেই।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১
৮টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাখি মন

লিখেছেন সামিয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১০



রাত গভীর হলে পাখিটা বারান্দায় এসে বসে। দূরের আকাশে তখনও কিছু আলো জ্বলজ্বল করে, কিন্তু পৃথিবীর কোলাহল ধীরে ধীরে স্তব্ধ হয়ে আসে। সেই নীরবতার মধ্যে বসে পাখিটার মনে হয়, মানুষ... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×