
‘যারা বই প্রকাশের দায়ে মানুষ হত্যা করতে পারে, তারা সমাজ ও রাষ্ট্রের শত্রু। জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যাপ্রচেষ্টায় অংশগ্রহণকারী অপরাধীরা বেঁচে থাকলে আনসার আল ইসলামের বিচারের বাইরে থাকা সদস্যরা একই অপরাধ করতে উৎসাহিত হবে। অভিযুক্ত আসামিরা আনসার আল ইসলামের সদস্য হিসেবে সাংগঠনিকভাবে ফয়সল আরেফিন দীপনকে হত্যাপ্রচেষ্টায় অংশগ্রহণ করেছে, সে জন্য তাদের একই সাজা দেওয়া বাঞ্ছনীয়। মামলার সকল (আট) আসামির সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে এবং এটা হবে একটা দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি। ফয়সল আরেফিন দীপন হত্যা মামলার আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলে একদিকে নিহত ব্যক্তির আত্মীয়রা মানসিক শান্তি পাবেন, অন্যদিকে ভবিষ্যতে এ ধরনের জঘন্য অপরাধ করতে অন্যরা ভয় পাবে এবং নিরুৎসাহিত হবে। লেখক, ব্লগার ও প্রকাশকদের হত্যার অংশ হিসেবে অভিজিৎ রায়ের বই প্রকাশের জন্য জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক দীপনকে হত্যা করা হয়।'
- ট্রাইব্যুনালের বিচারকের এই বক্তব্য ও রায় যথার্থ৷ অনতিবিলম্বে রায় কার্যকর হোক৷ মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক অন্ধকার শক্তি নিপাত যাক৷
২০০৪ সালে হুমায়ুন আজাদকে খুনের জন্য চাপাতি দিয়ে হামলা করে উগ্র মৌলবাদীরা। সে কারণেই তিনি পরবর্তীতে মারা যান। এখনো হামলাকারীদের বিচার হয়নি। শাহজাহান বাচ্চু ভাইর খুনিদের মধ্যে সম্ভবত ৫জনকে ক্রস ফায়ার দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। একজনকে এখনো ধরা সম্ভব হয়নি। আরো বহু হত্যার রায় হয়নি। সবগুলো হত্যার দৃষ্টান্তমূলক রায় দ্রুত দিয়ে দেশ থেকে চীরতরেই দূর করতে হবে মৌলবাদ ও উগ্রসাম্প্রদায়িকতা। এরা শুধু খুনই নয়, মানসম্মত শিক্ষারও অন্তরায়। সমাজ পরিবর্তনের প্রধান বাঁধা। এদের রুখতেই হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ৮:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


