somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মুঃ গোলাম মোর্শেদ (উজ্জ্বল)
নিজেকে বোঝার আগেই মনের মধ্যে একটা চেতনা তাড়া করে ফিরতো। এই ঘুণে ধরা সমাজ ব্যবস্থাকে বদলাতে হবে, একটা বিপ্লব দরকার। কিন্তু কিভাবে?বিপ্লবের হাতিয়ার কি? অনেক ভেবেছি। একদিন মনের মধ্যে উঁকি দিয়ে উঠলো একটি শব্দ, বিপ্লবের হাতিয়ার 'কলম'।

জীবনের প্রকৃত সম্পদ

০২ রা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জীবনে সুন্দর ভাবে বেঁচে থাকার জন্য অর্থকড়ি ধন সম্পদের প্রয়োজন অপরিহার্য।আমরা ভাবি ধন সম্পদের মওজুদ যত বাড়বে জীবন অধিক নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে।তাই, জীবনকে নিরাপদ রাখার জন্য আমরা হন্য হয়ে ব্যক্তিগত ধন সম্পদ অর্জনের জন্য ছুটে চলি।সাধারণ দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা সম্পদ বলতে জড় পদার্থের পার্থিব সম্পদকে বুঝি। এই পার্থিব সম্পদের মধ্যে সুখ ও নিরাপত্তা খুঁজতে খুঁজতে অনেক সময় জীবনের প্রকৃত সম্পদ অযত্নে অবহেলায় অসময়ে বিনষ্ট সাধন করি।অনেকে আমরা সারা জীবনে একবারও উপলব্ধি করতে পারি না,কি মূল্যবান সম্পদ সঙ্গে নিয়ে আমরা পৃথিবীতে আসি!

সবচেয়ে সৌভাগ্যবান মানুষ সেই যিনি সুস্থ শরীরে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছেন এবং সুস্থ ভাবে বেঁচে আছেন।মানুষের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ হচ্ছে তার প্রতিটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ও সুস্থ শরীর।এই সম্পদ যতক্ষণ পর্যন্ত একজন মানুষের নিয়ন্ত্রণে থাকে, ততক্ষণ পর্যন্তই তাকে ঘিরে এই ধরিত্রীর যা কিছু রয়েছে সব তার অনুভূতিতে সুন্দর এবং অসুন্দর অনুভূত হয়।রাষ্ট্রীয় আইন কানুন দ্বারা সুরক্ষিত সম্পদের পাহাড় মূল্যহীন হয়ে যায় তখনি যখন প্রকৃতিগত ভাবে প্রাপ্ত শরীর কার্যকারিতা হারায়।
বাহির এবং অভ্যন্তরের নানা অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দ্বারা গঠিত আমাদের মানব দেহ।প্রতিটি অঙ্গ আমাদের পূর্ণাঙ্গ দেহকে সঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিটি ক্ষণ কাজ করে যায়।প্রতিটি অঙ্গ যখন একযোগে স্বয়ংক্রিয় ভাবে কার্যকারিতা অব্যাহত রাখে তখনি জীবনের পূর্ণাঙ্গ স্বাদ গ্রহণ করতে পারি।
যখন আমরা পূর্ণ সুস্থতা নিয়ে জীবন যাপন করি, তখন উপলব্ধি করতে পারি না এক একটি অঙ্গ প্রত্যঙ্গের গুরুত্ব কতটুকও।

আমাদের সমাজে একটি কথা প্রচলিত রয়েছে, « মুখ দিয়েছেন যিনি আহার দেবেন তিনি » ।কথাটি আমাদের সমাজের অন্ধ বিশ্বাস, কুসংস্কার ও অনিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার কারণে ভুল ভাবে ব্যাখ্যা ও বিশ্বাস করা হয়। আমাদের সমাজে নিয়মতান্ত্রিক ভাবে মানুষের প্রত্যাশা ও কর্মের সাথে প্রাপ্তির সম্পর্ক নেই বলে, মানুষ ভাগ্য এবং অদৃশ্য শক্তির উপর অধিক ভরসা করে জীবন যাপন করে।এর যৌক্তিক কারণও রয়েছে, আমাদের সমাজে কেউ সারা জীবন সৎ ও নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে জীবন যাপন করে তিন বেলা খাবার জোটাতে হিমশিম খায়। আবার অনেকে বাঁকা পথে এক বছর হেঁটে চৌদ্দ পুরুষের ভরণ পোষণের সম্পদ উপার্জন করতে পারে। এই অনিয়ম মানুষকে ভাগ্য বিশ্বাসের দিকে দ্বিগুণ ভাবে প্রভাবিত করে।
এখন মূল কথায় আসি, অর্থাৎ মুখ যিনি দিয়েছেন তিনি সারা জীবন মুখের আহারের ব্যবস্থা করবেন তার গায়েবী রহমতে,এই আহার জোটানো নিয়ে আমাদের এতো ভাবনার দরকার নেই, কোন কর্ম পরিকল্পনার প্রয়োজন নেই।এই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে ছোট্ট সীমারেখার দেশটিতে শুধু মানুষের মুখ আর মুখ। সেই মুখ গুলোর মধ্যে কোন মুখ মিষ্টিমণ্ডা, কোরমা পোলাওয়ের সাধ আস্বাদন করে, কোন মুখে কোন মত ডাল ভাত জোটে, কোন মুখে ঠিক মত আহারই জোটে না। আমি ব্যক্তিগত ভাবে প্রবাদটির সত্যতা এবং বাস্তবতা খুঁজে পাই ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে। মুখ যিনি দেন তিনি মূলত মুখের সারা জীবনের আহার সঙ্গে করেই একজন মানুষকে পৃথিবীতে পাঠান।কথাটি শুনে একটু হোঁচট লাগতে পারে, কিন্তু একটু গভীর ভাবে চিন্তা করলে উত্তর মিলে যাবে।আমাদের বিশ্বাসের জায়গা থেকেই বলি, আল্লাহ বা ঈশ্বর একজন মানুষকে শুধু মুখ আর পেট দিয়েই এই পৃথিবীতে পাঠান না। চিন্তা করার জন্য প্রাণী জগতের সবচাইতে উৎকৃষ্ট মস্তিষ্ক ,দেখার জন্য চোখ , ধরার জন্য হাত , হাঁটার জন্য পা , শোনার জন্য কান , শ্বাস প্রশ্বাসের গ্রহণের জন্য নাক দেহের সঙ্গে যুক্ত করেই পৃথিবীতে পাঠান।দেহের এই যে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোই হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার দেয়া মুখের সারা জীবনের আহার।আমার ব্যক্তিগত ভাবনা, স্রষ্টার এই অঙ্গ প্রত্যঙ্গ দেবার উদ্দেশ্যই হল একজন মানুষ তার দেহের এই সম্পদের( অঙ্গ প্রত্যঙ্গ) সঠিক ব্যবহার করে নিজের মুখের আহার জোগাড় করবে সমাজের ভেতর থেকে।দেহের এই অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ব্যবহার না করে বা স্রষ্টা প্রদত্ত শক্তি কাজে না লাগিয়ে অদৃশ্য শক্তির দিকে মুখের আহারের জন্য চেয়ে থাকা হচ্ছে জ্ঞানহীন মানুষের অজ্ঞতা।একটি নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে একজন মানুষ যদি তার শরীর নামক শ্রেষ্ঠ সম্পদের যথার্থ ব্যবহার করতে পারে তাহলে শুধু নিজের মুখের আহারই নয়, শত মানুষের মুখে আহার তুলে দিতে সক্ষম।
আমাদের শরীরটাই যে মুখের আহার উপার্জনের মাধ্যম সেটা বাস্তবতা দিয়ে বোঝা সম্ভব একজন অঙ্গহানী মানুষের জীবনের প্রতিকূল দিকগুলোর দিকে তাকালে।অন্যদিকে আমাদের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো সৃষ্টিকর্তার দেয়া কত বড় সম্পদ সেটা বোঝা সম্ভব দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে।কোন রোগভোগে বা দুর্ঘটনায় যদি চোখের আলো চলে যায়, তাহলে ভাবুন এই সুন্দর পৃথিবীটাই আপনার থেকে কত দূরে সরে গেলো।এমন পরিস্থিতিতে চাইবেন আপনার সমস্ত পার্থিব সম্পদের বিনিময়ে হলেও চোখের আলো ফিরিয়ে এনে এই সুন্দর ধরণীর বুকে বেঁচে থাকতে।
এবার একটু অনুধাবন করুণ, যে চোখ এখনো আপনাকে পৃথিবীর আলো উপভোগ করাচ্ছে, সেই চোখের মূল্য কি অর্থের বিনিময়ে পরিমাপ যোগ্য, যে অমূল্য সম্পদ আপনি ধারণ করে আছেন।চোখের মত আমাদের হাত,পা,নখ,কান,জিহ্বা, পেট,যৌনাঙ্গ,মলদ্বার,কিডনি,হৃদপিণ্ড,যকৃতের মত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসহ দেহের অন্যান্য অঙ্গ প্রত্যঙ্গ থেকে প্রতিনিয়ত যে সুবিধা গ্রহণ করে থাকি তার গুরুত্ব আলাদা করে ভাবার অবকাশ আমাদের খুব কম মানুষেরই হয়ে থাকে।কোন অঙ্গ যখন রোগাক্রান্ত হয়ে বিকল হয়ে পড়ে,অথবা একটি অঙ্গের আক্রান্ত হওয়ার কষ্ট যখন সমস্ত দেহ ও মনকে আচ্ছাদিত করে তখনি আমরা অনুধাবন করি দেহের প্রতিটি ক্ষুদ্র অঙ্গের অবদান ও গুরুত্ব কতটা গভীর …।

একদিন নিজস্ব জীবন বোধ নিয়ে কথা হচ্ছিলো একজন তত্ত্ব জ্ঞানীর সঙ্গে। আমি নিজেকে এই পৃথিবীর একজন পর্যটক ভাবি,কারণ যেখান থেকে পৃথিবীতে আসা কিছু বছর বা সময়ের জন্য, আবার সেখানেই প্রত্যাবর্তন করা বাধ্যতা মূলক। তাই, এই সীমিত সময়ের মধ্যে পৃথিবীর মানুষের তৈরি জটিলতা থেকে যতটা সম্ভব নিজেকে মুক্ত রেখে জীবন ও জগতের মধ্যে বিদ্যমান অবারিত সৌন্দর্যের স্বাদ প্রাণ ভরে গ্রহণ করা ও মানব সৃষ্টি জটিলতার সমাধানের জন্য কাজ করার মধ্যেই আমার প্রাপ্ত মানব জনমের সার্থকতা ও সমৃদ্ধি খুঁজি ।ওনার জীবন বোধ ব্যাখ্যা করলেন একটু অন্যভাবে।তিনি নিজেকে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের ধারক মনে করেন।কারণ প্রতিদিন সূর্য ওঠে আবার অস্ত যায়, রাতে চাঁদ জ্যোৎস্না ছড়ায়, ফুল ফোটে, বাতাস বয় এগুলো এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের নিত্য কর্মকাণ্ড।ব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গে অস্তিত্বের অনুভূতির সংযোগ অপরিহার্য, সেই অস্তিত্বই হচ্ছি আমি।আমার অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে আছে বলেই ওদের কার্যক্রম সার্থক,আমি ওদেরকে ধারণ করি এবং ওদের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হই বলেই বলেই ওরা এতো সুন্দর।আমার অস্তিত্ব যদি এই পৃথিবীতে না থাকে তাহলে সূর্য উঠলেই আমার কি, আর চন্দ্র জ্যোৎস্না না ছড়ালেইবা আমার কি যায় আসে। অর্থাৎ, এই পৃথিবী ও ব্রহ্মাণ্ডের প্রাত্যহিক কার্যক্রম চলমান এবং এই যাত্রা অসীমের দিকে।আমরা প্রত্যেকেই এই অসীমের মাঝে ক্ষণকালের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র এক একটি অংশ।ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে যতক্ষণ পর্যন্ত আমার অস্তিত্ব বিরাজমান এই বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের মাঝে, ততোক্ষণ পর্যন্তই এই পৃথিবীতে বিরাজমান সবকিছু আমার।প্রকৃত জগত একটা হলেও প্রতিটি মানুষের জগত আলাদা আলাদা।একটি শিশুর নিজস্ব জগত তার নিজের মত,সে জগতকে সেই ভাবে চিন্তা করে, যেভাবে সে আবিষ্কার করে। ওই শিশুর মতই একজন কিশোর, তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ, অসুস্থ, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী বিভক্ত মানুষের এক একটি জগত তাদের নিজস্ব ভাবনায় যেমন।
ফুল সর্বদায় সৌন্দর্য বিলায়, ঊষার আলো সর্বদাই হলুদ,মৃদু বাতাস সর্বদাই প্রশান্তির, কিন্তু তা আপনার জগতে সুন্দর হয়ে ধরা দেবে তখনি যতক্ষণ পর্যন্ত আপনার আত্মার বসবাস হবে আপনার সুস্থ শরীরের মধ্যে।মগজের মধ্যে যদি সারাক্ষণ কূট কূট ব্যথা অনুভূত হয় তাহলে রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের আলো রাতের নিকষ কালো অন্ধকারের মতই। অন্যদিকে ব্যক্তিগত সম্পদের পাহাড়ের মানসিক প্রশান্তি নিমিষেই অশান্তিতে নিপতিত হয়, যখন ডাক্তার বলে দেয় আপনার ক্যান্সার আক্রান্ত দেহের অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে মাত্র আর কয়েকটি মাস।

একজন মানুষের অস্তিত্ব, আত্মা ও দেহের সমষ্টি। আত্মা এবং দেহ দুইটি আলাদা সত্ত্বা।
ভারতীয় দর্শনে আত্মা ও দেহ সম্পর্কে একটি মত প্রচলিত রয়েছে,আত্মা অজড়ীয়,অবিভাজ্য এবং অবিনশ্বর।দেহ নশ্বর এবং পোশাকের মত। জীর্ণ পোশাক ত্যাগ করে নতুন পোশাক পড়ার মত আত্মা ভগ্ন জীর্ণ দেহ ত্যাগ করে নতুন দেহের সন্ধান করে।অর্থাৎ আত্মা ভগ্ন জীর্ণ রোগাক্রান্ত দেহে অবস্থান করতে চায়না।এই মত অনুসারে আপনার শরীর যদি সুস্থ ও সতেজ না হয় তাহলে আপনার শরীরের মধ্যে বসবাসরত আত্মাও আপনার দেহ ছেড়ে পালাতে চায়।তাই নিজের শরীরের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের যত্ন নেয়া অপরিহার্য এবং পৃথিবীর জীবনের স্বাদ দীর্ঘায়িত করতে শরীরকে গুরুত্ব দেয়া অপরিহার্য।

শরীর থাকলে সেই শরীরে রোগ বাসা বাধবে এটাই নিয়ম। তবে সেই রোগ সৃষ্টির জন্য নিজের ভুল এবং রোগ মুক্তির প্রচেষ্টা সম্পর্কে জ্ঞান থাকা জরুরী।
ইসলাম ধর্মে হালাল হারামের ভেতর দিয়ে মানুষের গ্রহণ বর্জনের বিভাজন এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে মূলত ভালো ও সুস্থ থাকাকে উদ্দেশ্য করে।ইসলাম ধর্মে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসা নেয়ার চেয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।নেশা জাতীয় দ্রব্য ইসলামে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে,কিন্তু সেই উপদেশ অমান্য করে যদি নেশা জাতীয় দ্রব গ্রহণের দ্বারা অসুস্থ হই, তাহলে সেই অসুস্থতার ফল নিজেকেই ভোগ করতে হবে। শুধু তাই নয় কেয়ামতের দিন আল্লাহর দেয়া শরীর ইচ্ছাকৃত ভাবে নষ্ট করার জন্য কৈফিয়তের সম্মুখীন হওয়ার ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে।
হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘কেয়ামতের দিন বান্দাকে নিয়ামত সম্পর্কে সর্বপ্রথম যে প্রশ্নটি করা হবে তা হলো তার সুস্থতা সম্পর্কে। তাকে বলা হবে, আমি কি তোমাকে শারীরিক সুস্থতা দিইনি?’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস নং ৩৩৫৮)।

পার্থিব সম্পদের দিকে আমরা অবশ্যই ছুটবো, তবে সেই ছোটার উদ্দেশ্য হবে জীবনের মূল সম্পদ শরীর নামক দেহটাকে রক্ষার জন্য অর্থাৎ সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার জন্য। শরীরকে বঞ্চিত করে অথবা ধ্বংস করে পার্থিব সম্পদ জমানোর নেশা বোকামি ছাড়া কিছু নয়।যে সম্পদ জীবনকে সুন্দর অনুভূতিতে ভরে দিতে পারে, সেই সম্পদ রক্ষার প্রচেষ্টাই জ্ঞানের পরিচয়।

বুদ্ধিমানেরা জীবনের সার্থকতা খোঁজে জীবনকে ত্যাগ ও উপভোগের মধ্যদিয়ে,
বোকারা জীবনের সার্থকতা খোঁজে জীবনকে বঞ্চিত করে মাথার উপর সঞ্চিত পার্থিব সম্পদের পরিমাণ নির্ণয় করে।

সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৯:৪৯
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

করোনার মাঝে ভয়ংকর প্রতিবাদে জ্বলছে আমেরিকার অনেক শহর

লিখেছেন চাঁদগাজী, ৩০ শে মে, ২০২০ সকাল ৯:৪১



*** হোয়াইট হাউজের ২০০ গজের মধ্যে পুলিশ ও প্রতিবাদকারীদের মাঝে ধাক্কাধাক্কি চলছে , মানুষ হোয়াইট হাউসে প্রবেশের চেষ্টা করছে, অনেকেই আহত হয়েছে; এখনো গ্রেফতার করা হচ্ছে না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেভাবে হত্যা করা হয় প্রেসিডেন্ট জিয়াকে-

লিখেছেন গিয়াস উদ্দিন লিটন, ৩০ শে মে, ২০২০ বিকাল ৩:৫৪

১/



রাতের শেষ প্রহরে তিনটি সামরিক পিকআপ জিপ এসে দাঁড়ালো চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসের গেটের সামনের রাস্তায়। একটি পিকআপ থেকে একজন লেফটেন্যান্ট কর্নেলের কাঁধে র রকেট লঞ্চার থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ২৯তম মৃত্যু বার্ষিকী

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে মে, ২০২০ বিকাল ৫:৫৬



আমি জিয়াকে পছন্দ করি।
কারন উনি একজন সৎ লোক ছিলেন। ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে উনি কোনো দূর্নীতি করেন নি। কিন্তু অনেক ভুল কাজ করেছেন। রাজাকার গোলাম আযমকে দেশে ফিরিয়ে এনেছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অশিক্ষা, কুশিক্ষায় নিমজ্জিত, রাজনৈতিক জ্জানহীনরা সামরিক শাসনকে মিস করে।

লিখেছেন চাঁদগাজী, ৩০ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮



১৯৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধারা পরাজিত হলে, ২ কোটী বাংগালীর ঘরে জেনারেল ইয়াহিয়ার ছবি ঝুলতো সেদিন; কিছু বাংগালী আছে, মুরগীর মতো, চিলে বাচ্চা নিলে টের পায় না। নাকি আসলে মুসরগী টের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পৃথিবী বিখ্যাত ব্যক্তিদের মা'য়েরা .............. এট্টুসখানি রম্য :D

লিখেছেন আহমেদ জী এস, ৩০ শে মে, ২০২০ রাত ৮:০৫



পৃথিবীর সব মা’য়েরাই একদম মা’য়ের মতো ।
সন্তান বিখ্যাত কি অবিখ্যাত, সে জিনিষ তার কাছে কোনও ব্যাপার নয়। তার কাছে সে কোলের শিশুটির মতোই এই টুকুন । যাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×