somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আপনি মুসলিম তো ?

১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ইসলাম শব্দের শাব্দিক অর্থ হল শান্তি! আর আভিধানিক অর্থ হল নিজের সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে এক আল্লাহ্র কাছে আত্ম-সমরপরন করা,নিজের ইচ্ছা মত যা খুশি করা যাবে না,মানে একটা সিমানার ভিতরে অবাস্থান করা যার সীমানাটা পবিত্র সত্ত্বা বেধে দিয়েছেন। এই সিমানা-পত্র হল কোরআন, যে গ্রন্থ নিয়ে তার মালিক প্রথমেই চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন, ইটা এমন এক গ্রন্থ যার ভিতরে কোন সন্দেহ নাই(আল-কোরআন ২:২)। অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে” আমি আমার বান্দার প্রতি যা নাজিল করেছি তাতে যদি তোমাদের কোন সন্দেহ থাকে তবে অনুরুপ একটা সুরা আনয়ন কর,আল্লাহ্‌ বাদে তোমাদের সাহায্যকারীদের ও ডেকে নাও যদি তোমরা সত্যবাদী হয়ে থাক,আনন্তর যদি তোমরা করতে না পার তবে কখনো পারবে ও না তা হলে তোমরা জাহান্নাম কে ভয় কর যার ইন্ধন হবে মানুষ আর পাথর (আল-কোরআন ২: ২৩,২৪)। ইসলামের শুরু লগ্ন থেকে এখনও পর্যন্ত অনেক বড় বড় দারশনিক, চিন্তাবিদ, জ্যোতির্বিদ, বিজ্ঞানী চলে গেছে কেইই এই কিতাবের সত্যতার চ্যালেঞ্জ নেউনি সুতরাং কিয়ামত পর্যন্ত কেউ নেবেওনা, সো আধুনিকতার দিক থেকে বিচার করলেও বোঝা যায় এটা নির্ভুল এবং আসমানি কিতাব, আল্লাহর কাছে ইসলাম-ই একমাত্র মনোনীত জীবন বিধান (আল-কোরআন ৩:১৯)।

কোন মুসলমান যদি ইসলামের কোন অংশ মানতে না পারে তবে সে অপরাধী,গুনাহগার।আর যদি কোন মুসলমান ইসলামের কোন মৌলিক বিষয়কে অস্বীকার করে তবে সেটা হয় কুফুরি মানে ইসলাম থাকে বিতাড়িত। পশ্চিমা ছোঁয়া লেগে আমাদের দেশের এক শ্রেনির মুসলমান নিজেদেরকে আধুনিক বলে প্রমান দেওয়ার জন্যই অবলীলায় একের পর একটা ইসলামের মৌলিক বিষয়কে অস্বীকার করছে এমনকি নিজেদেরকে নাস্তিক বলে ফলাও করে প্রচার করতে ও দ্বিধা করছেনা, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য একটা মুসলিম দেশে সে দেশের রাষ্ট্রপ্রধান সংবিধানে ইসলামের মৌলিক বিধান কে বাদ দিতে একটুকু ও সংকোচ বোধ করেনা যার প্রমান আমি উল্লেখ করছি।

আল্লাহ্ তোমাদের সন্তানদের সম্বন্ধে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের জন্য দুই কন্যার অংশের(সম্পদ)তুল্য (আল-কোরআন ৪:১১)। সেটাকে আমাদের সংবিধানে অযক্তিক এবং নারীর উপর জুলুম বলে ধরে নেওয়া হয়েছে। কিছু আধুনিক মুসলমানদের কাছে সোনা যায় ইসলাম নাকি এই যুগের জন্য যোগ্য নয় কারন এটা নারীকে হিজাব বন্ধি করে রাখে মানে তাদেরকে স্বাধীন হতে না দেওয়া,আমি এর জন্য দায়ী করবো নামে মাত্র নারী আন্দলনের পথিকৃৎ সুফিয়া কামাল,বেগম রোকেয়া যারা কিনা আমাদের দেশের সহজ সরল নারিদেরকে ঘর থেকে বাহির করে রাস্তার পণ্য বানিয়াছেন। আল্লাহপাক বলেছেন ঈমান আনয়নকারী নারীদের কে বলুন তারা যেন তাদের নজর সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্তানকে হেফাজত করে (আল- কোরআন ২৪:৩০)। ইসলাম যেখানে পর্দাকে ফরয করেছেন সেখানে পর্দা নিষিদ্ধের দাবিতে তুমুল আন্দোলন চলে আমাদের দেশে,উদয়ন ইস্কুলের এক শিক্ষিকা তার ছাত্রীকে ক্লাস থেকে অপমান লাঞ্ছিত করে বের করে দেয় শুধুমাত্র হিজাব পরার জন্য তবু ও আমরা নীরব এবং পরিচয় দেয় মুসলমানের বাচ্চা বলে আমাদের লজ্জার স্তর কতটা নিচে নেমে গেছে।

কিছু নামের মুসলমান আছে যারা কিনা বিশ্বের কাছে নিজেকে মুসলমান বলে পরিচয় দিতে লজ্জা,ভয় পায় কারন ওরা নাকি বলে মুসলমান মানেই নাকি সন্ত্রাশি।অথচ জিহাদ ইসলামের ফরজ ইবাদত, কসম ঐ সত্ত্বার যদি সারা বিশ্বে যদি ইসলামী শাসন কায়েম করা যেত তবে অন্যান্য ধর্ম থাকত সবচেয়ে নিরাপদে,আজ সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ নিরহ মুসলমানদেরকে ওরা নির্বিচারে খুন করছে আর আমরা একটু প্রতিবাদ করলেই হয়ে যায় সন্ত্রাসী,জিহাদ।যদি প্রতিবাদ করাকেই সন্ত্রাসী বলে তবে আমি আমার মুসলাম ভাইদের, বোনদের স্বার্থ ও সন্মান রক্ষার্থে সারাজীবন এই সন্ত্রাসী করতে চাই । বড়ই আফসোস ও পরিতাপের বিষয় একটা মুসলিম দেশে কিনা কারো কাছে যদি কোন জিহাদি বই থাকে তবে তাকে গ্রেফতার করা হয়,একটা বিষয় আমার বুঝে আসে না ছোট বেলা থেকে তো আপনারা মোটামুটি সবায় বিজ্ঞানের বই পরেন আজ পর্যন্ত আপনার দেশে কয়জন বিজ্ঞানী কে পেয়েছেন? তবে কি জিহাদি বই থাকলেই সে তালেবান? এত কিছুর পরে কি আপনার মনে হয় যে আপনি মুসলিম দেশের নাগরিক? নাকি ইসলাম থাকে বিতাড়িত কাফির,নাস্ত্যিকবাদি সভ্যতার পুজা করছেন নিয়মিত নীরব দর্শক হিসাবে মনে রাখবেন ইসলামে নিরপেক্ষতার কোন অবস্থান নেই, পক্ষ আপনাকে নিতেই হবে হয় সেটা ইসলামের না হয় কাফেরী। আপনি যদি বর্তমান সমাজের অত্যাধুনিক প্রগতিশিলিতার আদর্শে উদ্বেলিত কোন শৌনিক হয়ে থাকেন তাহলে বুজতেই পারছেন আপনি কন শ্রেণীতে অবাস্থান করছেন।

এই প্রগতিশীল সমাজ আপনাকে যতই বিশ্বাস নষ্ট করানোর চেষ্টা করুক না কেন একবার ভেবে দেখুন গভীরভাবে,জিজ্ঞাশা করুন আপনার বিবেক কে, মেপে দেখুন আপনার জ্ঞানের পরিধি আর এটাকে বিচার করুন কুরআন দিয়ে। ভালবাসুন আল্লাহকে এবং তার রাসুলকে,সন্মান করুন ইসলাম কে দেখুন জীবন শান্তিতে ভরে উঠবে।
আই এম প্রাউদ টু বি এ মুসলিম!! হোয়াট আবউট ইয়উ?
-মুক্ত পিঞ্জর
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:২০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাতিঘর (Lighthouse)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৬



বাতিঘর নিয়ে সেই ছোট্টবেলা থেকেই আমার অনেক কৌতুহল ছিল। কেন ঐ বয়সেই বাতিঘর নিয়ে আমার এতটা আগ্রহ ছিল, তার কারণ আজও খুঁজে পাই না। অথচ আমি নিজ চোখে কোন বাতিঘর... ...বাকিটুকু পড়ুন

"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



"‘৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে’- একটি বক্তব্যের রাজনৈতিক পাঠ"

"৫ই আগস্ট সবার জন্য ভালো হয়েছে। শেখ হাসিনার প্রয়োজন ছিল বিশ্রাম। আওয়ামী লীগের দরকার ছিল শুদ্ধিকরণ। অন্যান্য দলগুলোরও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে বিষয়ে মজিবর ও হাসিনা এক বিন্দুও ভুল করেনি!

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:২৫


বাংলাদেশের ইতিহাসে মজিবরের শেষ শাসন কাল ও হাসিনার শেষ শাসন কাল দুটি ভিন্ন সময়ে হলেও গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত মিল বহন করে। নির্বাচনী বৈধতার নিরিখে ১৯৭৩ সালের নির্বাচনের সংগে ২০১৪, ২০১৮... ...বাকিটুকু পড়ুন

×