somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

.~~ভালবাসা~~.

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ভালবাসা (LOVE) একটি অনুভূতি যার মানবজীবনের সাথে গভীর সম্পর্ক রয়েছে।এটা মানুষের দয়া,মায়া,আকর্ষণ এবং বাহ্যিক আচরণেরও বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।




ভালবাসা অনেক রকম হতে পারে! বন্ধুদের মধ্যে একরকম ভালবাসা আবার প্রেমিক-প্রেমিকার মধ্যে আরেক রকম ভালবাসা।কেউবা আবার শুধু যৌন চাহিদা (SEX) মেটানোর জন্য ভালবাসে। (এদিক দিয়ে ছেলেরাই বেশী /:))
পরিবারের দিকে তাকালে দেখা যাবে সেখানেও এক ধরনের ভালবাসার বন্ধন রয়েছে। পিতা-মাতা,ভাই,বোনদের নিয়ে সবারই কমবেশী সুখের সংসার। তাই সবখানেই ভালবাসা !!!

এদিকে এই ভালবাসা মানুষের জীবনে এনেছে আমুল পরিবর্তন।কারণ এই ভালবাসা আবার মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করে।এই ভালবাসার জন্য মানুষ নিজের জীবনকেও উঃৎসর্গ করেছে।সম্রাট শাহজাহান তার ভালবাসার জন্য নির্মাণ করেছেন ভালবাসার শ্রেষ্ট নিদর্শন তাজমহল যা বিশ্বের হাজার হাজার মানুষকে আকর্ষণ করে। এই ভালবাসার জন্যই চন্ডিদাস রজকিনীর জন্য বারো বৎসর বর্শী বেয়েছে। শিরী-ফরহাদকে নিয়ে লিখিত হয়েছে কাব্য গ্রন্হ। এছাড়াও রয়েছে দেবদাস-পার্বতী,লাইলী-মজনু, রোমিও-জুলিয়েট ইত্যাদি। এদের পুরো জিবন-ই ছিল ভালবাসা নিয়ে।



ভালবাসা জন্মাতে পারে একটি মানুষের আরেকটি মানুষের প্রতি,একটি প্রাণী এমনকি একটি বস্তুর প্রতিও। যেমন অনেকেরই প্রিয় বস্তু বই। অনেকের প্রিয় ফুল,পাখি,আকাশ ইত্যাদি। (কারো কারো আবার মদ,জোয়া, এমনকি গান্জা :-*)। অতএব ভালবাসা সবার সবার প্রতি থাকতে পারে এতে কোনো সন্দেহ নাই।

ধর্মের দিক দিয়ে দেখলে ভালবাসা থাকে একজন মুসলিমের আল্লাহর প্রতি,একজন হিন্দুর ভগবানের প্রতি,একজন খ্রীষ্টানের তার যীশুর প্রতি এবং বৌদ্ধ দেবের প্রতি বৌদ্ধদের। তাই এখানেও ভালবাসা রয়েছে।:|

এদিকে এই ভালবাসা আবার জন্মাতে পারে বিভিন্ন কারণে! একটি দেশের প্রতি ভালবাসা জন্মাতে পারে তাদের জনগণের হাহাকার দেখে,তাদের দুঃখ দেখে।আবার একটা মানুষের ভদ্রতা,শিস্টাচার,তার নীতি দেখে মুগ্ধ হয়ে কেউ তাকে ভালবাসতে পারে। প্রায় সবকিছুর প্রতিই প্রথম মানুষকে আকর্ষিত করতে হয়।তারপর সেটা মানুষের ভালবাসায় রুপান্তরিত হয়।আমরা অনেকেই সিনেমার নায়ক-নায়িকাদের ভক্ত।তাদের মধ্যে সালমান খান,শাহরুখ খান,ক্যাটরিনা,কারিনা বাংলাদেশের এ.টি.এম শামসু্‌জ্জামান,জাহিদ হাসান,ডলি জহুর ইত্যাদি (সাকিব খান+অপু বিশ্বাসও অনেকের প্রিয় :P) । ঠিকভাবে বলতে গেলে সে ভাললাগাটা কি একদিনে হয়েছে? অবশ্যই না! তাদের অনেক চলচিত্র অভিনয় দেখে তারপর না তাদের ভক্ত হইছি।

এতক্কন ধরে শুধু ভালবাসা কি,কেমনে হয়, ভালবাসার সংকিপ্ত ধারনা পেলাম। এখন আসুন ভালবাসার পরিণতি বা ফলাফল নিয়ে কিন্ঞ্চিত আলোচনা করি।
ভালবাসার ফলাফল:সত্যিই বলতে কি ,এই ভালবাসার উপরেই দাড়িয়ে আছে পুরো দুনিয়াটাই,পুরো দেশ,পুরো সমাজ,প্রত্যেকটা মানুষ।কারণ এই ভালবাসার কারণেই এক দেশের সাথে আরেক দেশের সুসম্পর্ক।এখনো দূরে রয়েছে মানুষে মানুষে ভেদাভেদ।আর যখনই ভালবাসার বন্ধনে ফাটল ধরেছে তখনি শুরু হয়েছে যুদ্ধ। আর ভালবাসার ফলে গড়ে উঠেছে একটি সুন্দর জীবন,সুন্দর সংসার। হয়েছে নতুন দিনের সুত্রপাত।



ভালবাসা নিয়ে কয়েকটা সিনেমার নাম:এই ভালবাসাকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছে অসংখ্য চলচিত্র। তেমনি কয়েকটা চলচিত্র বা ছায়াছবির নাম দেয়া হল।
1.Taitanic
2.Romeo and Juliet
3.The Notebook
4.Philadelphia
5.Pearl Harbor
6.50 First Dates
7.A Love Story
8.Becoming Jane

ভালবাসা নিয়ে কিছু ব্লগারদের উক্তি:

সময়একাত্তর বলেছেন: "প্রেম-ভালোবাসা চিয়্যুংগামের মতো। মিনিট দু'য়েক ভালো লাগবে। এরপর না পারবেন গিলতে, না ইচ্ছে করবে উগরে দিতে।" :D
আহসান২০২০ বলেছেন: প্রেম করার চেয়ে মুরগি পালন ভালো।

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ভালবাসা মহা পাপ
প্রেম তার অভিশাপ
ভালবাসার প্রতিফল
মনে ব্যথা চোখে জল। :((


**বিঃদ্রঃ : আমি নবীন। ঠিক মতো লিখতে পারি না। লেখাটা অনেক গুছিয়ে লেখার চেস্টা করেছি। সিনিয়র ব্লগার যেমন,নাফিস ভাই, শায়মা আপি,রেজোওয়ানা আপি, এবং আরোও অনেকের মতো লিখতে পারব কিনা সন্দেহ রয়েছে। লেখাটায় কোনো ভুল হলে বলবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।:|


লেখাগুলোর সুত্র: Wekipedia,Google, কিছু বই, Yahoo! ।

১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×