৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪, রাত আট টা। চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন। একটা টিকেট কাউন্টারের সামনে বেশ কিছু মানুষ সারি বেঁধে বসে আছেন, কেউ দাঁড়িয়েও আছেন। জানতে পারলাম তারা ১১ তারিখের সুবর্ণ এক্সপ্রেসের টিকেট কাটতে এসেছেন। টিকেট দেওয়া শুরু হবে আগামী কাল সকাল ৯ টা থেকে, তারা সবাই আগের দিন সন্ধা থেকেই লাইনে আছেন। পরের দিন সকাল ৬ টায় গিয়ে মনে হলো ঈদের সময়কার দৃশ্য! টিকেটের জন্য লম্বা লাইন একে বেকে স্টেশনের বাইরে চলে গেছে। ৬ তারিখেই জানা গিয়েছিল ১০ তারিখ পর্যন্ত ঢাকার কোনও টিকেট নেই, এরা সবাই তাই ১১ তারিখের টিকেটের জন্য লাইনে আছেন। !
রেলের টিকেটের এত চাহিদা তাহলে রেল প্রতি বছর লোকসান কিভাবে দেয়?
উত্তর পেয়েছি গত ১ তারিখ ঢাকা থেকে মহানগর গোধূলী ট্রেনে চট্টগ্রাম যাওয়ার সময়। অনেক কষ্টে তিন টা টিকেট পেলাম। স্টেশনে গিয়ে দেখলাম অনেকে টিকেটের জন্য ঘুরছেন, জানলাম তারা নাকি টিকেট পাচ্ছেন না। অথচ ট্রেনে গিয়ে দেখলাম অনেক সিটই খালি পড়ে আছে! তার মানে কী?
সুবর্ণ এক্সপ্রেস দেশের ভিতরে চলাচল করা সবচেয়ে সেরা ট্রেন। অথচ কেমন এর ব্যবস্থাপনা? সিট পরিষ্কার হরা হয় না মনে হয় বহুদিন। অনেক সিটের গিয়ার কাজ করে না, অনেক জানালা ঠিক মতো খোলা-লাগানো যায় না, সিটের অনেক ট্রে ভাঙ্গা!
এত কিছুর পরেও মানুষ ট্রেনে যেতে চায়, যায়ও প্রতিদিন। কিন্তু এর পরেও কিভাবে রেল বিভাগ এত লোকসান দেয়, এ প্রশ্নের উত্তর যাদের খোঁজার কথা তারারই যে প্রশ্ন তৈরি করে চলেছেন প্রতিদিন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

