হত দরিদ্রদের হক নিয়ে চুরি/ অনিয়ম নতুন কোনো ঘটনা না !!
বরং ইউনিয়ন পরিষদের এসব বিলি-বন্টনের দায়িত্বটা যদি সরকার নিয়মিত সেনাবাহিনীর দ্বারা করতো তাহলে সেটাই হইতো নতুন ঘটনা !!
তাহলে সরকারের সুনাম যেমন রক্ষা পেতো তেমনি হত দরিদ্ররাও বেঁচে যেত !!
সেনাবাহিনী একটি পরীক্ষিত সৎ ও চৌকষ দল ! বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে হত দরিদ্রদের সেবায় এখন সেনাবাহিনীর বিকল্প কিছু আছে বলে মনে করি না; আর প্রেক্ষাপটের ভিত্তিতে গ্রামীণ জনসেবায় সেনাবাহিনীর অন্তর্ভুক্তি এখন সময়ের দাবী !! কারন সমাজতন্ত্রের আদলে ধনী ও দরিদ্রের বৈষম্য কমিয়ে এনে ক্ষুদা ও দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা অগ্রগণ্য !!
উল্লেখ্য যে, রাজনীতিবিদ, দুর্নীতিবাজদের আতঙ্ক মঈন-ফখরুদ্দিন সরকারের আমলের শাসন ব্যবস্থার চিত্র সবারই মনে আছে !! রাজনীতিতে তাঁদের নিয়ে নানা আলোচনা সমালোচনা থাকলেও অপ্রিয় হলেও সত্য যে গ্রামের হত দরিদ্র সাধারণ শ্রেণীর অধিকাংশ মানুষ আশ্চর্যজনকভাবে আজও তাঁদের কথা বেশ শ্রদ্ধাচিত্তেই স্মরণ করতে দেখা যায় ! কেন ? এ কেনর উত্তর এখানে স্পষ্ট অনুমিত হয় যে, সেদিন হত দরিদ্রদের চাপা কান্না তথা তাঁদের বুকের ভেতরের জমানো পুঞ্জিবিত ক্ষোবের জবাব মঈন-ফখরুদ্দীন সরকার দিয়েছিলেন !!
এখানে আমি মঈন-ফখরুদ্দীন সরকারের পক্ষে সাফাই গাইছি না; সাধারণ জনগণ তাঁদের কিছু কাজকে ধন্যবাদও জানিয়েছিলো, আমি সে সকল কাজের একটা মাত্র আলোচনায় এনেছি ! গণতান্ত্রিক সরকারের পক্ষে এভাবে সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করা জায়েজ কি নাজায়েজ এটা সরকারই ভালো জানেন
iবর্তমান জননেত্রী শেখ হাসিনাও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে উঠেছেন কেননা, তাঁর "ভিশন 2021" সফল করতে যে উন্নয়নের পাশাপাশি আমলাতান্ত্রিক দুর্নীতিকেও বিদায় করতে হবে !! দুর্নীতি যে কোনো দেশেরই কোনো সরকারের ভিশন সফল হতে দেয় না বিশেষ করে বাংলাদেশের বিএনপি সরকার এবং উপমহাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল ভারতের কংগ্রেসের কাছ থেকে এটা শিক্ষা নিয়েছেন হয়তো ! দুর্নীতিকে সাধারণ মানুষ যে কতটা ঘৃণা করে উপমহাদেশের মানুষ তা খালেদা জিয়ার বিএনপি এবং সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেসকে হাতে-কলমে বুঝিয়ে দিয়েছে !!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

