somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শাপলা বা শালুকের পরিচিতি, পুষ্টিগুন ও মানব শরীরের উপকারীতা।

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


শাপলা অতি পরিচিত একটি নাম তাই না! এটি আসলে একটি জলজ উদ্ভিদ। যাকে আমাদের দেশের জাতীয় ফুল বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এটি শ্রীলংকারও জাতীয় ফুল তবে নীল শাপলা সেখানকার জাতীয় ফুল। সেখানে এই ফুল Nil Mānel (নীল মাহানেল) নামে পরিচিত। তবে এই ফুল সাধারণত ভারত উপমহাদেশে অনেক বেশি দেখা যায়।

হাওড়-বিল ও দিঘিতেও এটি বেশি ফোটে থাকে। নীল শাপলা ও লাল শাপলা ফুল ঘরের শোভার কাজে সাজানো হয়। এই ফুল দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি সবজি হিসেবে শাপলার কদর অনেক এবং পুষ্টিগুনেও ভরপুর।

শালুক হলো শাপলা পরিবারের (Nymphaeaceae) অন্তর্গত এক ধরনের জলজ উদ্ভিদ, যা সাধারণত বিল, জলাশয়, হাওর ও পুকুরের স্থির পানিতে জন্মে। এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ সংস্কৃতির সাথে ও ওতপ্রোতভাবে জড়িত এবং শাপলার কাছাকাছি একটি উদ্ভিদ।

শালুক সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য:

উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য: শালুক উদ্ভিদের পাতাগুলো পানিতে ভেসে থাকে এবং এর কান্ড বা ডাটা পানির নিচে মাটির সাথে যুক্ত থাকে। এর ফুল সাধারণত সাদা বা হালকা বেগুনি রঙের হয়ে থাকে এবং ফুলের পাপড়িগুলো শাপলার চেয়ে একটু ভিন্ন বিন্যাসে খোলে।

ফল ও বীজ: শালুক ফুলের গর্ভাশয় থেকে ফল হয়, যাকে স্থানীয়ভাবে 'শালুক' বা 'ঢেঁপু' বলা হয়। এর ভেতরে ছোট ছোট বীজ বা দানা থাকে।

খাদ্য হিসেবে ব্যবহার: বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে, বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মানুষের কাছে শালুক বেশ পরিচিত একটি খাবার। এর কন্দ বা মূল এবং এর ফল বা বীজ সেদ্ধ করে বা পুড়িয়ে খাওয়া যায়। এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা ও পুষ্টিগুণ থাকে, যা অনেক সময় খাদ্য সংকট বা গ্রামীণ মৌসুমি খাবারে পুষ্টির জোগান দেয়।

পরিবেশগত গুরুত্ব: শালুক জলজ ecosystems বা প্রতিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এটি বিভিন্ন জলজ প্রাণীর আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে এবং পানির নিচের জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

তাহলে চলুন জেনে নেই শাপলা ফুল সম্পর্কে কিছু তথ্যঃ

শাপলাঃ

এটি পুষ্প বৃক্ষ পরিবারের একটি জলজ উদ্ভিদ। ইংরেজিতে বলা হয় Water lily। তবে ভিন্ন ভিন্ন ভাষায়, ভিন্ন জায়গা ও অঞ্চলভেদে এই ফুলকে বিভিন্ন নাম দেওয়া হয়েছে।

যেমনঃ তামিল ভাষায় শাপলা ফুল কে বলা হয় ভেলাম্বাল, বাংলায় নীল শাপলা কে বলা হয় শালুক, আবার লাল শাপলা কে বলা হয় রক্তকমল, মনিপুরীরা শাপলা ফুলকে বলে থারো আংগৌবা।

এ ফুল ফুটতে শুরু করে ভোরবেলা, আর যত বেলা গড়ায় ফুলের পাঁপড়ি গুলো আস্তে আস্তে বুজ তে শুরু করে। শাপলা নানা রঙের হয়ে থাকে – গোলাপী, সাদা, নীল ইত্যাদি।তবে বিশ্বে এ ফুলের প্রায় ৩৫ টি প্রজাতি পাওয়া গিয়েছে। শাপলা কমবেশি সারাবছর ফুটলেও এই ফুল ফোটার শ্রেষ্ঠ সময় হচ্ছে বর্ষা ও শরৎ কাল।

শাপলা ফুলের উৎসঃ

এ ফুলের উৎপত্তি হয়েছে উত্তর ও মধ্য আফ্রিকা থেকে। ধারনা করা হয়, এই ফুল প্রায় ৩০০ খ্রিস্টপূর্ব পুরোনো। মিশরের নীল নদের ধারে এটি পাওয়া গিয়েছিলো।

প্রাচীন কালে আদিবাসীরা এটি তাদের আধ্যাত্মিক অনুষ্ঠানে ব্যবহার করতো। থাইল্যান্ড ও মায়ানমারে বিভিন্ন পুকুর গুলো এই শাপলা ফুল দিয়ে সাজানো হয়ে থাকে।

এছাড়াও এই ফুল শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান ইত্যাদি জায়গায় দেখেতে পাওয়া যায়।শাপলা কিন্তু শুধু ঘরের শোভা বাড়ায় তা না, এর আরো নানাবিধ ব্যবহার রয়েছে। চলুন তাহলে এই ফুলের বিভিন্ন ব্যবহার সম্পর্কে জেনে নেই–

শাপলার ব্যবহারঃ

বহু আগে থেকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আফ্রিকার অনেকেই তাদের স্থানীয় বুনো শাপলার মোথা খেয়ে থাকে আর এই মোথা বা কন্দে জলীয় উপাদান রয়েছে (২০.৪%)।

শাপলার বীজে জলীয় উপাদান কম থাকে (৪.১৮%)। তবে বীজে অনেক ফ্যাট থাকে। আফ্রিকার অনেকেই শাপলা চাষ করে থাকে খাওয়ার জন্য।

শাপলার এই কন্দ বিভিন্ন দেশে সবজি হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয় এমনকি সালাদেও ব্যবহার করা হয়। শাপলার এই মোথা ভেষজ চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

অনেকেই শাপলার বোঁটা নারকেল দিয়ে খেয়ে থাকেন এতে অনেক সুস্বাদু হয়। এটি ব্যাপকভাবে বিভিন্ন জায়গায় খাওয়া হয়। তবে সবজি হিসেবে সাধারণত সাদা শপলাই খাওয়া হয়। লাল বা নীল রঙের যে শাপলা হয়, তা সবজি হিসেবে খাওয়া হয় না।

শাপলা সম্পর্কে তো জেনেই নিলাম। আচ্ছা জনেন কি, এই শাপলা একটি পুষ্টি ভান্ডার! অবাক হচ্ছেন তো এ কথা শুনে, আসলে সাধারণ শাক-সবজি থেকেও এর পুষ্টিগুণ কিছুটা বেশিই বলা চলে।

চলুন তাহলে শাপলা তে কি কি পুষ্টিগুণ বিদ্যমান তা জানি–

শাপলার পুষ্টিগুণঃ

শাপলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম। প্রতি ১০০ গ্রাম শাপলার লতায় মধ্যে রয়েছে-

খনিজ পদার্থ – ১.৩ গ্রাম

আঁশ রয়েছে – ১.১ গ্রাম

ক্যালোরি-প্রোটিন রয়েছে – ৩.১ গ্রাম

শর্করা রয়েছে – ৩১.৭ গ্রাম

ক্যালসিয়াম রয়েছে – ৭৬ মিলিগ্রাম

এছাড়াও শাপলাতে রয়েছে ভিটামিন সি, ভিটামিন-বি ১, ভিটামিন-বি ৭, ফসফরাস।বলা হয় যে, আলুর থেকেও সাতগুন বেশি ক্যালসিয়াম রয়েছে শাপলাতে।

শাপলার পুষ্টিগুণের উপকারিতাঃ

আঁশঃ

ফাইবার বা আঁশ আমাদের শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

কারণ ফাইবার হজম করতে সাহায্য করে, কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।

পেট দীর্ঘ সময় ভরা রাখতে সাহায্য করে।

শাপলা ফাইবারের একটি ভালো উৎস।

প্রোটিনঃ

আমাদের শরীরের ত্বক, চুল, নখ, হাড়কে সচল রাখতে প্রোটিন প্রয়োজন।

দেহের ক্ষয় পূরণ, বৃদ্ধি সাধন, নতুন চোষ গঠন এই সব কাজ করে প্রোটিন। এই সব কার্য সম্পাদনে শাপলার ভুমিকা রয়েছে।

ক্যালসিয়ামঃ

শরীরের হাড় এবং দাঁত মজবুত করতে ক্যালসিয়াম গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

এছাড়াও মাংসপেশি গঠন, শরীরের বিকাশে সহায়তা করে ক্যালসিয়াম। শাপলায় ভালো পরিমানে ক্যালসিয়াম রয়েছে।

ভিটামিন সিঃ

এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। শরীরের বিভিন্ন রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করে ভিটামিন সি।

দেহের ইমিউন সিস্টেমকে সবল করতে ভিটামিন-সি অত্যন্ত কার্যকরী ভুমিকা পালন করে থাকে।

ভিটামিন বি ১ঃ

গ্লুকোজ বিপাকের জন্য অনেক প্রয়োজনীয়তা একটি উপাদান হচ্ছে ভিটামিন-বি ১।

এছাড়াও এটি পেশী, স্নায়ু এবং হার্টের কার্যক্রমে সহায়ক ভুমিকা পালন করে।

ভিটামিন বি ৭ঃ

ভিটামিন বি ৭, যা বায়োটিন নামে পরিচিত, এটি জলীয় দ্রবণীয় ভিটামিন যা শরীরের বিপাক এবং কার্যক্ষমতার জন্য অত্যাবশ্যক।

ফসফরাসঃআমাদের দেহের বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাজগুলো সম্পাদন করে ফসফরাস। আর এই শাপলা ফসফরাসের কার্যকারিতায় ভুমিকা রাখে।

স্বাস্থ্যর জন্য শাপলার উপকারীতাঃ

মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য শাপলা ফুলের কার্যকারিতাঃ

শাপলায় রয়েছে ফ্লেভনল গ্লাইকোসাইড। যা মাথার রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করতে এবং এতে মাথা ঠাণ্ডা হয়।

তাই যাদের ঘন ঘন মাথা গরম হয় তারা মাথা ঠান্ডা রাখার জন্য শাপলা খেতে পারেন।

হৃদরোগের দুর্বলতার জন্য শাপলা ফুলের কার্যকারিতাঃ

হৃদরোগের দুর্বলতা কমাতে শাপলার কার্যকরি রয়েছে । যারা হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগছেন তারা শাপলা খেতে পারেন। হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।

রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়ঃ

রক্তে শর্করার পরিমান বৃদ্ধি পেলে ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। রক্তে শর্করা এবং ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে শাপলার কার্যকরিতা রয়েছে।

যকৃত ভালো রাখেঃমানব শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যকৃত। যকৃত শরীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কাজ করে থাকে। আয়রন ও গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে। দেহ থেকে টক্সিক পদার্থ বের করে এছাড়াও আরো বিভিন্ন কাজ করে থাকে।

তাই যকৃতের সুস্থতা রক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যকৃতের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে ভূমিকা পালন করে।

হজমের সমস্যা দূর করেঃ

যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে, তারা শাপলা ফুল খেতে পারেন। এছাড়াও যাদের আমাশয় বা পেট ফাঁপা জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য শপলা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে।

রক্তে শর্করার মাত্রা কমায়ঃ

রক্তে শর্করার পরিমান বৃদ্ধি পেলে ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। রক্তে শর্করা এবং ইন্সুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ রাখতে শাপলার কার্যকরিতা রয়েছে।

যকৃত ভালো রাখেঃ

মানব শরীরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যকৃত। যকৃত শরীরবৃত্তীয় বিভিন্ন কাজ করে থাকে। আয়রন ও গ্লাইকোজেন সঞ্চয় করে। দেহ থেকে টক্সিক পদার্থ বের করে এছাড়াও আরো বিভিন্ন কাজ করে থাকে।

তাই যকৃতের সুস্থতা রক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যকৃতের ক্ষতি প্রতিরোধ করতে ভূমিকা পালন করে।

হজমের সমস্যা দূর করেঃ

যাদের হজমে সমস্যা রয়েছে, তারা শাপলা ফুল খেতে পারেন। এছাড়াও যাদের আমাশয় বা পেট ফাঁপা জনিত সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য শপলা কার্যকরী ভুমিকা পালন করে।

ত্বকের সুস্থতায় শাপলা ফুলের কার্যকারিতাঃ

যাদের শুষ্ক ত্বক রয়েছে তাদের জন্য শাপলা খুবই কার্যকর। এটি ত্বককে ময়শ্চারাইজ করে তোলে।

ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে সাহায্য করে। এটি ত্বক পরিষ্কার রাখে।

এছাড়াও চুলের জন্য শাপলার উপকারিতা রয়েছে। এটি চুলের প্রাণবন্ত করে তোলে। স্ক্যাল্প ভালো রাখে।

ভেষজগুনে শাপলা এর কার্যকারিতাঃ

এ গাছের বিভিন্ন অংশ নানান রোগে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যাদের ঠান্ডার সমস্যা রয়েছে তারা যদি শাপলার শুকনো ফুলের গুড়ো ব্যবহার করেন তাহলে ঠান্ডা থেকে মুক্তি পাবেন।

এছাড়াও অনেকের কষা হয়ে থাকে শাপলার শুকনো ফুলের গুড়ো এই কষা দূর করতেও সাহায্য করে। শাপলার বীজ বিভিন্ন চর্ম রোগ এমনকি কুষ্ঠ রোগের ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

শাপলার ডাটা পাকস্থলী থেকে রক্ত পড়া বন্ধ করতে সহায়তা করে। শাপলার মোথা সবচেয়ে বেশি উপকার করে থাকে।

অর্শ, অজীর্ণ ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের রোগ নিরাময়ে শাপলার মোথা কাজে লাগে।

বিশেষ করে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এর জন্য এই শাপলা অত্যন্ত উপকারী।

ভারতের আয়ুর্বেদিক ঔষধ বানাতে শাপলাকে ঔষধী গাছ হিসেবে ব্যবহার করা হয় জানা যায়। তাই এটিকে ভেষজ উদ্ভিদ বলা হয়।সাদা সবসময় শুভ্রতার প্রতীক বহন করে। তেমনি শাপলার সাদা রং আত্নাকে পরিশুদ্ধ করে। রুপে, গুণে অনন্য একটি ফুল শাপলা। শুধু তাই না, শাপলাতে বিদ্যমান পুষ্টিগুণাগুণ শরীরে উপকারী ভুমিকা পালন করে।

তাই খাদ্য হিসেবে প্রাকৃতিক জিনিস নির্বাচন করুন, এতে রোগ-বালাই কম হবে এবং পুষ্টির চাহিদাও পূরণ হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:০৭
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশে ইসলামপন্থা বনাম গণতন্ত্র: মানুষ যখন নাগরিক থেকে অনুসারী হয়ে উঠছে!

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৩


কিছুদিন আগেও আমরা বলতাম, "দয়া করে ধর্মকে রাজনীতির সঙ্গে মেশাবেন না"। সরল এই কথাটির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বোধ ছিল - ধর্মীয় বিশ্বাস আর রাজনীতি এক জিনিস নয়। গত দুই... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার কোনো প্রয়োজন নেই! আপনি কি মনে করেন?

লিখেছেন কাজী আবু ইউসুফ (রিফাত), ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৪



বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে শিক্ষাগত যোগ্যতাবিহীন বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাবঞ্চিত কোনো ব্যক্তির পক্ষে এককভাবে স্থানীয় সরকারকে প্রযুক্তিনির্ভর এবং 'স্মার্ট বাংলাদেশ' বা 'ডিজিটাল বাংলাদেশ'-এর লক্ষ্য অনুযায়ী আধুনিকায়নের দিকে এগিয়ে নেওয়া অত্যন্ত কঠিন ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

মুখরিত জীবনের চলার পথে, ব্লগের মুখরিত দিন

লিখেছেন মেহবুবা, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪


ব্লগ স্কুল, মজারু
ছোটন চলে স্কুলেতে বই শ্লেট হাতে ,
বদরুল ভাই কাঁদছে ভীষন যাবে সাথে সাথে,
চান্কু হল লক্ষ্মীছাড়া পান্কু হয়ে ঘোরে ,
চিটি যাবে সবার আগে উঠল... ...বাকিটুকু পড়ুন

Ripe Age দুই প্রান্তের দুই মানুষঃ সামু শব্দের সেতু প্রজন্মের বন্ধন

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৪


একজন দাঁড়িয়ে জীবনের শুরুতে
চোখে তার অগণিত স্বপ্ন
আগামীর পথে কত প্রশ্ন
কত না-জানা, কত বিস্ময়
কত দূরের নীল আকাশ
ডাকে তাকে প্রতিদিন।

অন্যজন বসে জীবনের শেষে নয়
বরং দীর্ঘ পথ পেরিয়ে আসা এক প্রান্তে
প্রায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×