আমরা আপনাদের প্রজাতন্ত্রের ক্ষুদ্র প্রজা। একজন নাগরিক হিসেবে আমার কিছু মতামত তুলে ধরছি। আপনারা জনগণের স্বঘোষিত সেবক হিসেবে বিভিন্ন সমাবেশ, মহাসমাবেশ কিংবা গভীর রাতে টিভির পর্দায় মানুষের দাবী দাওয়ার কথা বলেন। আপনাদের কথাগুলোকে চিম্ময় মনে করে হাজারো মানুষ। গত কয়েক মাস ধরে সারা দেশে আপনাদের সেবায় আমরা পুষ্ট হয়ে উঠেছি। একের পর এক স্বদেশ প্রেম দেখি হতবাক হয়নি তবে কিছুটা হতাশ হয়েছি। আপনাদের বিবেক তাড়ণা দেখে হাততালি দিলেও কিছুটা মুর্ছা হয়েছি। একটা বিষয় আমার খুব বলতে ও জানতে ইচ্ছে করছে,, আপনারা জনগণের উপকারির্থে রাজপথ দখল করেন বলে শুনেছি কিন্তু ফলাফলের ঝুড়িতে তাকিয়ে কান্না পেয়েছি ঢেড়। আপনাদের মুখে প্রায় শোনা যায় শিক্ষিত সন্তান জাতির জন্য সম্পদ। কিন্তু আপনেরা বিশ্বাস করেন কিংবা নাই করেন তাতে আমার আসে যায় না শুধু েএই টুকু বলি গত কয়েক মাস ধরে আপনাদের জনহিতকর হরতাল, অবরোধ আর বিক্ষোভে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় চির ধরতে শুরু করেছে। আপনেরা কখনো আমাদের কথা বিবেচনা করেন না। পরীক্ষা দেখে দেখে হরতাল দেন। শুক্রবারে দিতে হচ্ছে পরীক্ষা। সকালের ক্লাস করতে হচ্ছে বিকেলে। বিশ্বাস করেন আজ আমি সকাল ৮ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত টানা ৭টি ক্লাস করেছি অনুরোধে ঢেকি গেলার মতো করে। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে সবকিছু মিলে ৩৬৫ দিনের জায়গায় ১৮৪ দিন ছুটি থাকে। বছরের বাঁকী ১৮১ দিনের মধ্যে গত আড়াই মাসে অন্তত ১৭ দিন অঘোষিত ছুটি ভোগ করতে হয়েছে আমাদের। সামনে এর চেয়ে বেশি হবে কম নয়। আমরা জানি আপনাদের দেশীয় বুলি ঘচিত কথা আর নিজেদের সন্তানকে বিলেতে পড়াশোনা করাচ্ছেন ঠিকই কিন্তু আমাদের বাবা কৃষক স্বপ্ন দেখেন তার ছেলে দ্রুত পড়াশুনা শেষ করে তাদের সংসারের হাল ধরবে কিন্তু আপনাদের কুক্ষাগত আদর্শ আমাদের স্বপ্নগুলোকে ম্লান করে তুলছে। আপনাদের জনমহ্বত দেখে আমরা স্থম্ভিত। তরুণ প্রজন্ম আমরা লজ্জিত। সরকার ও বিরোধীদল আপনাদের কাছে অনুরোধ রইলো আপনাদের আন্দোলন দাবী দাওয়া কথিত জনগণের জন্য ‘হরতালের’ বিপরীতে কিছু ভাবা যায় কিনা তা বিবেচনা করবেন। মনে রাখবেন আপনেরা যে স্বপ্ন দেখেন আমরা তরুণ প্রজন্ম তার বাস্তবায়ন করি। আপনাদের দেশপ্রেম যদি থাকে তবে শিক্ষাঙ্গনকে হরতাল আওয়াতা মুক্ত রাখবেন..........
এগারটি বছর পার হয়ে গেল…. কিছু পরিসংখ্যান নিয়ে একাদশতম বর্ষপূর্তি পোস্ট

পূর্বের বর্ষপূর্তি পোস্টের লিঙ্কঃ দশম বর্ষপূর্তি পোস্ট
সামহোয়্যরইনব্লগে গত ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখ রাত ১১টা ২৬ মিনিটে প্রকাশিত হয় আমার প্রথম কবিতা, বক্ষমাঝে থাকবে তুমি। বলা যায় খুব দ্রুতই, মাত্র তৃতীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দুঃখ খচিত পতাকা আমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পবিত্র প্রাঙ্গণে
আজ হঠাৎ কার ছায়া নামে?
কার দুঃসাহসী কালো হাত
ইতিহাসের বুকের ওপর আঁকে পরাধীনতার নাম?
যে নাম একদিন ভাষার কণ্ঠ রুদ্ধ করতে চেয়েছিল,
যে শাসন একাত্তরে ছড়িয়েছিল মৃত্যুর অন্ধকার
আজ কেন তার... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাংলাদেশ হতো হায়দ্রাবাদ

১৯৪৭ সাল ভারতবর্ষের মুসলমানরা যখন নির্যাতনের শিকার অনেকগুলো গণহত্যা হয়েছিল দাঙ্গা হয়েছিল। ১৯৪৬ সালে বা তারও আগে এই মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ রাজনীতি শুরু করেছিল কংগ্রেসের রাজনীতি দিয়ে তিনি কংগ্রেসের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ: ইসলামপন্থী, ধর্মনিরপেক্ষ, নাকি রাজনৈতিক বাস্তববাদী?
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহকে নিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি বিতর্কিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো—তিনি কি সত্যিই ইসলামপন্থী ছিলেন, নাকি ইসলামকে মূলত রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগীটি মারা গেলো

বাংলাদেশে ডাক্তারদের অবহেলায় কি পরিমাণ প্রাণ অকালে ঝরে গিয়েছে তা কল্পনাতীত। এবং আমাদের দেশের ডাক্তার এই অপরাধে নূন্যতম অনুশোচনা বোধ করে না।
ডাক্তারদের অবহেলার কারণে দেশের পাঠ্য বই ইংরেজি... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।