
আমরা যারা কাজের প্রয়োজনে সারাদিন অনলাইনে পড়ে থাকি তাদের বিষয়টা আলাদা। তবে কাল সারাদিন ১৩-১৪ বছরের এক পিচ্চিকে ফেসবুকে প্রায় ১৩-১৪ ঘণ্টার মতো অ্যাকটিভ থাকা দেখে রীতিমত বিস্মিত হয়েছি...
তাকে চ্যাটে যতবার স্মরণ করেছি তৎক্ষণাত সাড়া পেয়েছি...শেষে তাকে জিজ্ঞেস করলাম তোমার স্কুল নেই, ঘুম নেই? জবাব দিলো; আছে আর ইন্টারনেট (মোবাইলে) সবসময় অন থাকে...
আবার জিজ্ঞেস করলাম দিনে কত ঘণ্টা এখানে থাকো? গুণে গুণে বললো; ৯ ঘণ্টার মতো।
তোমার বন্ধুরাও কি তোমার মতো ফেসবুকে থাকে?
হুম
আরো কিছু বললে সে বললো; LOL
LOL আবার কি?
বললো; laugh out laughter
আমি বললাম; যাক তোমার কাছ থেকে একটা ভালো জিনিস শিখলাম...
এই বয়সের বাচ্চাদের যদি এসব থেকে শাসন করা যায় তাহলে এরা নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতিই ঝুঁকবে বেশি। তাই অভিভাবক তথা পরিবারের উচিত ফেসবুক তথা অনলাইন ও ব্যবহারিক জীবনে এদের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখা...তাদের স্ট্যাটাসে বাবা-মা বড় ভাই-বোনেরা লাইক কমেন্ট দিতে পারে...তাদের সঙ্গে টুকটাক চ্যাটও করতে পারে...
আমি এর বাস্তব উদাহরণ পেয়েছি শ্রদ্ধেয় এক বড় ভাই এর কাছ থেকে; তাঁর পরিবারের সদস্যদের তিনি ফেসবুকে খুব ভালো বন্ধু...
অপর শ্রদ্ধেও বড় ভাইতো ফেসবুক যে প্রকৃতি বিজ্ঞান শেখার মাধ্যম হতে পারে তার উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। তাঁর শেখানোর স্টাইলটা অনেক সুন্দর। কেবল একটা ফুল বা গাছের ছবি দিয়ে; বলতো এটা কি ফুল/গাছ...
আসলেই বিষয়টা অসাধারণ...
যদিও আমার এক শিক্ষক সেদিন বললেন, আমার ছেলে আমাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠিয়েছে, বলতো আমি কি তার বন্ধু? তাই আমি অ্যাকসেপ্ট করিনি...তবে বউয়েরটা করেছি; যেন সে ভুল না বুঝে...
যদিও স্যারকে আমার খুব ভালো লাগে তবুও তাঁর এ বিষয়টাকে সেকেলে মনোভাবই বলবো...
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই অক্টোবর, ২০১৫ রাত ৮:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




