
২ই বার ওয়াশরুমে পায়াচারি করার পর ফেরত এসে খেয়াল হয় কি যেন হলো না। ওহ! ওয়াশরুমই তো সারা হয়নি-- পেটে নিম্নচাপ অনুভব করছি। এমন মুহূর্তে এই ফতোয়াই তো বের হবে তাইনা!
প্রেক্ষাপট হলো যখন সন্ধ্যায় অফিস শেষ করার পর রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত আড্ডাবাজি করে বাসায় ফিরে দেখা যায় বরাবরের মতই মহামান্য বুয়া রান্না করেননি...তাকে মাঝে মাঝে না আসার কারণ জিজ্ঞেস করলেই তিনি বলবেন, ‘মামা আপনারাইতো রাইন্ধা খাইতে পারেন!’ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো বালাই নেই...নেই কয়েকজন মানুষের জন্য বিন্দু পরিমাণ আন্তরিকতা...সেও প্রফেশনাল!...মেজাজটা বিগড়ে যায়; তখন তার স্বামীর জন্যই এই ফতোয়া; এসব অজাতের বউ পেটানো বিলকুল জায়েজ (ফতোয়াখানা বানাইছি)...
ভাবলাম এক পিস মাঝ রানবো আর একটুখানি ভাত...ডিপ ফ্রিজ থেকে মাছ বের করে হালকা ভিজিয়ে যেই টান দিলাম অর্ধেক পিস মাছ হাতে এলো...পুরুষের ধৈর্য বলে কথা! যাহোক একচুলোয় অর্ধেক পিস মাছ আর এক চুলোয় আধাপট চাল চাপিয়ে স্মৃতিচারণ করছি; কেন যে বাবা-মায়ের কথায় সায় দিয়ে ২০১২ সালেই বিবাহ সারলাম না। অন্তত জীবনের গতি হতো...প্রয়োজনে এই রাতে দু’জন দু’জনকে পেটাতাম...নারী পুরুষ সমান অধিকার কি না...
হায়রে ভালোই বুঝেছিলাম; আপন বোঝাই যেখানে ভারি সেখানে আর একটা বোঝা ওই বোঝা থেকে আবার ছোট-খাট অনেক বোঝা বের হওয়ার সম্ভাবনা থাকে তাই ওদিকে যাইনি...বুদ্ধিমানের কাজ করেছি না বোকামি করেছি এখন হিসাব মেলাতে পারছি না...
(এইতো নিম্নবিত্তের জীবন)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

