
কর্মক্লান্ত নারীকে দেখেছ
দিনভর কাজের চাপে
শেষ বিকেলের আগেই
অবসন্ন শরীরটা তার
শয্যায় নুয়ে পড়তে চায়
আলতো ঘুমের আশায়।
তবুও কাজ শেষে ঘরে ফিরে
ফুরসত মেলে না বিশ্রামের
পরিজনদের প্রতিও আছে কর্তব্য!
সবার সেবা করে স্বামীর আদর নিয়ে
অবশেষে ঘুমায় সে অবসন্ন।
এভাবেই আরেকটা সকাল
দিনটাও কেটে যায়।
ক্লেশ কম নয় গৃহিণীদেরও।
স্কুলগুলো পাঠদানের সময়ের আড়ালে
নারী নির্যাতনের সময়টাই বেঁধে দেয়
মায়ের কথা ভেবে কোনদিন
নির্ধারণ হয় না স্কুলের সময়।
সন্তানকে স্কুলে নিলেও
পোহাতে হয় অন্তহীন জ্বালা।
বসে বসে কত যে সময় চলে যায়।
প্রাকৃতিক কষ্ট সাথে কৃত্রিম জ্বালা।
তারপরও পাল্লা দিয়ে এগিয়ে চলা।
তার উজ্জ্বল হাসি চঞ্চল চাহুনি আর উচ্ছ্বলতা
হৃদয় দুলিয়ে মন নাচিয়ে পুরষকে করে চাঙা।
এসো তবে সবে মিলে স্বাচ্ছন্দ্য দেই তাদের
নিপীড়ন নির্যাতন অত্যাচার না
উপহার দেই সুন্দর পরিবেশ
সুন্দর আগামীর নির্মাতা তারাই।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ সকাল ১০:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



