somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভারতের কয়েকটি সুন্দর সুন্দর বিখ্যাত মসজিদের এবং দরগাহের ছবি দেখে নিন

০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


১।জামে মসজিদ ।
জামা মসজিদ বা মসজিদই জাহান নুমা দিল্লিতে অবস্থিত ভারতের অন্যতম বৃহত্তম একটি মসজিদ। সাধারনভাবে এই মসজিদটি জামে মসজিদ নামেই বেশি পরিচিত ।মুঘল সম্রাট শাহজাহান ১৬৪৪ থেকে ১৬৫৬ সালের মধ্যে এই মসজিদটি তৈরি করেন। মসজিদটি তৈরিতে প্রায় ১০ লক্ষ রুপি ব্যয় হয় এবং বর্তমান উজবেকিস্তানের বুখারা নামক স্থানের একজন ইমাম মসজিদটি উদ্বোধন করেন। মসজিদ প্রাঙ্গণে একসাথে প্রায় ২৫,০০০ এর অধিক মানুষ প্রার্থনা করতে পারেন। জামে মসজিদের স্থাপত্যশৈলীর সাথে পাকিস্তানের লাহোরে অবস্থিত মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক নির্মিত বাদশাহি মসজিদের বিশেষ মিল রয়েছে।


জামে মসজিদ, দিল্লী, ১৮৫২ সালের একটি দৃর্শ


মসজিদের গুম্বুজের একটি দৃশ্য
মুঘল সম্রাট শাহজাহান ১৬৪৪ হতে ১৬৫৬ সালের মধ্যে জামে মসজিদ নির্মাণ করেন। এটি নির্মাণে প্রায় ৫০০০ জন শ্রমিক কাজ করেন। এই মসজিদটি মূলত মসজিদ-ই জাহান-নুমা নামে পরিচিত ছিল, যার অর্থ 'জগতের প্রতিবিম্ব মসজিদ'। শাহজাহানের শাসনকালে তার উজির বা প্রধানমন্ত্রী সাদুল্লাহ খান এর তত্ত্বাবধানে মসজিদটির নির্মাণকাজ শেষ হয়। মসজিদটির নির্মাণ কাজে সে সময় প্রায় ১০ লক্ষ রুপি খরচ হয়। তাছাড়াও শাহজাহান আগ্রার তাজমহল এবং দিল্লির লাল কেল্লা নির্মাণ করেন, যা জামে মসজিদের বিপরীতে অবস্থিত। ১৬৫৬ সালে মসজিদের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। ২৩শে জুলাই ১৬৫৬ সালে সম্রাট শাহজাহানের আমন্ত্রণে বর্তমান উজবেকিস্তানের বুখারা নামক স্থান হতে আগত ইমাম বুখারী নামক জনৈক ইমাম মসজিদটি উদ্বোধন করেন।মসজিদ প্রাঙ্গনে একসাথে প্রায় ২৫,০০০ মানুষ প্রার্থনা করতে পারে এবং মাঝে মাঝে একে ভারতের বৃহত্তম মসজিদ হিসেবে গণ্য করা হয়। মসজিদটিকে সাধারন ভাবে জামে মসজিদ বলা হয়, জামে অর্থ শুক্রবার।১৮৫৭ সালের মহাবিদ্রোহে ব্রিটিশদের বিজয়ের পরে তারা মসজিদটিকে বাজেয়াপ্ত করে এবং এটিকে একটি সৈন্য ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার শুরু করে। শহরবাসীকে শাস্তি দেবার জন্য তারা মসজিদটিকে ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিলো কিন্তু বিরোধিতার সম্মুখীন হওয়ায় সেটা তারা আর করে উঠতে পারেনি ।


আজমীর শরীফ দরগাহ
সৈয়দ জয়নুল আবেদীন হলেন খাজা মঈনুদ্দিন চিস্তি খাজা গরীব নেওয়াজ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত আজমীর শরীফ দরগাহের দিওয়ান (তরীকার প্রধান। দরগাহ খাজা সাহেব এ্যাক্ট ১৯৫৫ মোতাবেক তিনি হলেন খাজা গরীব নেওয়াজের উত্তরাধিকারী। ছাড়াও তিনি আজমীর শরীফের দরগাহ দিওয়ান, উত্তরাধিকারী, সাজ্জাদানশীন বা চিস্তিয়া সুফি তরীকার প্রধান, গদীনশীন, পীর এবং শায়েখুল মাশায়েখ দিওয়ান সৈয়দ জয়নুল আবেদীন আলী খান সাহেব নামে সুপরিচিত।তিনি খাজা মঈনুদ্দিন চিস্তির ২২ তম প্রত্যক্ষ বংশধর।ইন্ডিয়ান এ্যাপেক্স কোটের ঘাষণা মোতাবেক আজমির শরীফ দরগাহে যত নজরানা বা উপটৌকন জমা পড়ে তিনি তার ৫০শাতাংশের হক্বদার।তিনি সাধারণত সমগ্র ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মাজার সমূহ এবং বিবিধ স্থানে জনসাধারণের উদ্দেশ্যে ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বিষয়ে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে থাকেন। ভারতের রাজনৈতিক দল শীবসেনার প্রধান উদ্দাভ ত্যাক্কেরায় বলেন, তিনি স্বীয় অবদানের জন্য অবশ্যই ভারত রত্ন পদকে ভূষীত হওয়ার যোগ্য।


হাজী আলী দরগাহ বা মসজিদ
দরগাহটি ১৪৩১ সালে স্থাপন করা হয়।হাজী আলী দরগাহ দক্ষিণ মুম্বাইয়ে ওরলি উপকূল থেকে ৫০০ মিটার দূরে আরব সাগরের বুকে অবস্থিত একটি মসজিদ ও দরগাহ।দরগাহটি ইন্দো-ইসলামিক স্থাপত্য শৈলীর একটি সূক্ষ্ম উদাহরণস্বরূপ, দরগাহটিতে ঘুমিয়ে আছেন সায়েদ সমাধি পীর হাজী আলী শাহ বুখারী।


সেলিম চিশতি, ফতেপুর সিক্রি


মতি মসজিদ, ভোপাল


জুমা মসজিদ Cheraman, কেরল
জুমা মসজিদ Cheraman: Cheraman মসজিদ ভারতে প্রথম মসজিদ এবং বিশ্বের দ্বিতীয় মসজিদ ।
এই মসজিদটি নির্মান হয়েছিল ৬২৯ সালে মালিক ইবনে দিনার দ্বারা ।


Hazratbal শ্রাইন, শ্রীনগর
শ্রীনগরে এই মঠ, জম্মু ও কাশ্মীর একটি ধ্বংসাবশেষ রয়েছে । এটি শ্রীনগরের মঠ ডাল লেকের বাম তীরে অবস্থিত ।


আড়াই দিন Jopdaa, অজমের মসজিদ,
ভারতের সবচেয়ে সুন্দর মসজিদ অন্যতম, এই মসজিদ এটি উপরের দুই ছোট গম্বুজ সঙ্গে একটি গ্রানাইট-সাদা সামনে রয়েছে ।

তাজ-উল-মসজিদ, ভোপাল ।

জামালি Kamali সমাধি, দিল্লি ।

তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৪
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×