somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোট গল্পঃ ছায়া-মৃত্যু - নিবেদিতা পুণ্যি(সঞ্চারিণী)

০১ লা নভেম্বর, ২০১৬ রাত ১১:১৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাসায় ফিরেই জানালাটির কাছে এসে দাঁড়ালো ঈমা। মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডের মিনার মসজিদের কাছে এ ভাড়া বাসাটিতে তারা যেদিন এলো; ঈমার জানালাতে ঝুলানো হলো ভারী পর্দা। বাইরে থেকে তার ঘরের কিছুই দেখা যায় না, কিন্তু ইচ্ছে করলেই তার ঘরের ভেতর থেকে পর্দার ফাঁক দিয়ে বাইরের পৃথিবীটাকে দেখা যায়। এ বাসায় আসার প্রথম থেকেই পাশের বাসার দক্ষিণের ওই জানালাটিকে ঘিরে ঈমার ঔতসুক্য।

পাশাপাশি দু’টো বিল্ডিং।দু’টো বিল্ডিং এর-ই প্রবেশ দ্বার পূর্বমুখী, আর এ দু’টো বিল্ডিং এর মাঝখানের সরু রাস্তাটি এ অঞ্চলটিকে একটি সরু গলিতে পরিণত করেছে। ঈমার ঘরটি তিন তলায়।তার দক্ষিণের জানলার মুখোমুখী ও বাসার জানলাটির পর্দা তেমন ভারী-ও নয়; তাই অনায়াসেই ঈমার ঘর থেকে ও বাসারও ঘরের জানলা দিয়ে মানুষগুলোকে ছায়া-ছায়া দেখা যায়। যতটা সময় নিজ বাসায় থাকে, ঈমা তার ওই জানলার দিকে মুখ করে রাখা পড়ার টেবিলের সাথেকার চেয়ারটিতে বসে থাকে। রাতের অনেকটা সময়-ই ঈমা তার ঘর অন্ধকার করে ও বাসার জানলার পর্দায় চোখ রাখে।এ’ভাবে দিনে-দিনে ঈমার স্মৃতিতে সঞ্চয় হ’লো কিছু ছায়া চিত্র আর কিছু ছায়া-চরিত্র।

একটি ছায়া-যুগল আর তা’দের একটি ছোট্ট বাচ্চা ছেলেকে ও ঘরটিতে প্রায়-ই দেখা যায়। ছায়া-ছায়া নড়া-চড়া দেখেই বুঝা যায় ও বাড়ির গৃহিণীর বয়স খুব একটা বেশী না।তবে মেয়েটির চলার গতিতে কেমন যেন ক্লান্তি আর অবসন্নতা। ছেলেটি তার মায়ের কাছে খুব কম-ই থাকে। একটা কাজের বুয়াকেও মাঝে- মাঝে ওই ঘরটিতে ঢুকতে দেখা যায়। রাতে ঘুমানোর সময় ছোট্ট ছেলেটিকে নিতে আসে বুয়া। ছেলেটি তার মায়ের কাছে ঘুমুতে চেয়ে কাঁদে কিন্তু ছেলেটিকে জোর করে টেনে নিয়ে যায় বুয়া। কাঁদতে-কাঁদতে পাশের কোন ঘরে বুয়ার সাথে চলে যায় ছেলেটি।

প্রায় রাতেই ওই দম্পতিকে দেখা যায় ঝগড়া করতে। মহিলাটিকে পুরুষ গৃহকর্তাটি প্রায় রাতেই ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় বিছানায়। কখনওবা দেখা যায় ঠাস ঠাস করে গালে চড় কষছে; আর মহিলাটি উচ্চস্বরে কথা বলছে। তর্ক করার সময় মহিলাটির খোঁপা খুলে গিয়ে তার লম্বা ঘন চুল নিজের মুখটাকে বার বার ঢেকে দেয়। খুব খারাপ লাগে ঈমার। জানতে ইচ্ছে করে মহিলাটির নাম। ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটির নাম। স্বামীটি তার স্ত্রীকে প্রহার করে কেন; তার কারন। কেনইবা ওই ছোট্ট ছেলেটিকে তার বাবা মায়ের সাথে ঘুমুতে দেয়া হয় না। কাজের বুয়া ওই ছোট্ট ছেলেটিকে নিয়ে কোন ঘরে যায়? সে কি একাই এক ঘরে ঘুমায়, না কি ঐ কাজের বুয়াটির সাথে ঘুমায়? এসব ভাবতে ভাবতেই ঘুমিয়ে পড়ে ঈমা। পরদিন খুব সকালে উঠে চলে যায় ইউনিভার্সিটির বাস ধরতে।

আজ নাসিম কোন টি-শার্টটি পড়েছে? নাসিম আজ ওকে দেখে কি করবে? আজও কি নাসিম বাস ভর্তি মানুষের ভীড়ের মাঝেও অপলক তাকিয়ে দেখবে ঈমাকে? ভাবনার জগতে এমন কল্পনা ভাঁজতে-ভাঁজতে ঠিক সময়ে চলে আসে মোহাম্মদপুর রোডে যাতায়াতকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস “আনন্দ”।

বিকেলে বাসায় ফিরে গোসল সেরে ভাত খেতে গিয়ে টেংরা মাছের কাঁটা বিঁধে ঈমার। কয়েক নলা সাদা ভাত গিলেও কাঁটাটি সরানো যায় না। বার কয়েক আঙ্গুল দিয়ে খোঁচা-খুঁচি করে ঈমা। উহু! তা-ও বেরুচ্ছে-না কাঁটাটা। এবার বাথরুমের আয়নায় “হা” করে ঈমা দেখতে পেলো কাঁটাটি তার বাম পাশের টনসিলে আটকে আছে। টিউব লাইটের আলোতে গলায় বেঁধা কাঁটাটি চিক-চিক করে উঠলো। কেন যেন ঈমার মনে হলো ওর গলায় একটা ধারালো ছুরি আটকে আছে। চিন্তাটা মাথায় আসতেই নিজে ভয়ে শিওড়ে উঠলো। দ্রুত বাথরুম থেকে বেরিয়ে ঈমা তার ভাবীর কক্ষের দিকে পা বাড়ালো।

ঈমার ভাবী- নিদা তখনও বাসায় ফেরেনি। একটা প্রাইভেট এডভারটাইজিং ফার্মে চাকরী করে নিদা।তার শৈশব কেটেছে পাকিস্তানের লাহোর শহরে।বেশ আধুনিক আর অতি মাত্রায় পরিপাটি স্বভাবের অহংকারী নিদার সাথে কথা বলতে ঠিক স্বস্তি বোধ করে-না ঈমা।নিদা ও পারতপক্ষে ঈমাকে এড়িয়েই চলে। দু’একটা টুকটাক কথা ছাড়া তাদের দু’জনের মধ্যে তেমন কথা-ও হয় না।

ঈমার বড় ভাইয়া ইমরান বেশ গম্ভীর প্রকৃতির।মোহাম্মদপুর তাজমহল রোডেই তার অফিস। একটি বিদেশী বায়িং হাউজে চাকরী করে।চার বছর হয়েছে নিদা আর ইমরানের বিয়ে হয়েছে, কিন্তু তাদের কোন সন্তান হয়নি।তা’দের এই নিঃস্তরংগ জীবনে কিছুটা ছন্দের সংযোজন ঘটাতে ঈমার আগমণ। ঈমাকে উচ্চ-শিক্ষিতা করার লক্ষ্যে গ্রাম থেকে শহরে আনা।তাই ভাই এর উতসাহে ঈমা এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক-প্রশাসন বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

প্রিয় জানালাটির কাছে এসে দাঁড়ায় ঈমা।ও বাসার বউটি এখন ড্রেসিং টেবিলের সামনে দাঁড়িয়ে শাড়ির কুচি ঠিক করছে।লম্বা চুলগুলো তার বারবার দুলছে।চুলের পেছনে ক্লিপ দিয়ে ফুলের মালার দু’টো লর ঝুলিয়ে দিলো মহিলাটি।ঈমা ভাবছে, এটা কোন ফুল দিয়ে গাঁথা মালা হতে পারে!রঙটা তো সাদা-ই মনে হচ্ছে! ফুলগুলো আকারে খুব বড়-ও নয়। জুঁই ফুল? না কি বকুল? কি জানি? ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না! বউটিকে এখন নিশ্চই খুব সুন্দর লাগছে! ওর বর বাড়ি ফিরে নিশ্চই ওকে আজ খুব সোহাগ করবে! ছায়া-ছায়া দৃশ্য থেকে ঈমা বুঝে নেবে তা’দের সোহাগের কারুকাজ।

ঘড়ির দিকে তাকালো ঈমা। রাত পৌণে আট-টা।আরেকটু পর-ই ভাবী বাসায় ফিরবে।বড় ভাইয়া ইমরান প্রায় রাতেই বেশ দেরী করে বাসায় ফিরে।অফিসে ওভারটাইম, বাইয়ারদের সাথে কন্ট্রাক্ট আর অর্ডার নেয়া নিয়ে আলোচনা ইত্যাদি করে বাসায় ফিরতে-ফিরতে ইমরান ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে পরে। সমস্ত বাসায় ঈমা আজ একা। কিছুক্ষন এ ঘর ও ঘর ঘুরাঘুরি শেষে নিজের ঘরে ফিরে এলো আবার। টনসিল থেকে মাছের কাঁটাটা বেরিয়েছে বটে কিন্তু তখনও কিনকিনে ব্যথাটা রয়েই গেছে। ঘুমে চোখ জড়িয়ে এলো ঈমার।ঈমা আজ আর পড়তে না বসে ঘুমিয়ে গেলো অসময়েই। রাতে ভাত খেতে ডেকে-ও ঈমাকে উঠানো গেলো না। ইমরান নিদাকে ডেকে বল্লঃ “ থাক! ওকে আর ডেকো-না! খুব ক্লান্ত বোধ হয় আজ। ঘুমাক!”

মধ্যরাতের দিকে অস্বাভাবিক শব্দে ঘুম ভেঙ্গে গেলো ঈমার। হাত বাড়িয়ে কি যেন খুঁজলো ঈমা। চোখ মেলে দেখলো ঘরের বাতি জ্বালানোই আছে। ঘরের দরজা-ও ভেতর দিক থেকে লাগাতে ভুলে গেছে আজ। ঈমা তার আকস্মিক ঘুম ভাংগার কারন খুঁজে পাচ্ছিলো না।

টয়লেট সেরে বেরুতেই ঘড়ির দিকে নজর গেলো ঈমার। রাত ১২:৪৭ মিনিট। এত রাত অব্দী ঈমা কখনও জেগে থাকে না। ঘুমুতে যাবার আগে ও বাসার বউটিকে সাজ গোজ করতে দেখেছিলো ঈমা। তাই তা’র কৌতূহল হ’লো এ মধ্যরাতে ঐ জানালার ওপাশের ছায়া দম্পতিরা কি করে; তা দেখার। ১৯ বছরের যুবতী ঈমা তার তারুণ্যের স্বভাবজাত ঔতসুক্য নিয়ে দক্ষিণের সেই জানালাটির কাছে এসে দাঁড়ালো।

আবছায়া দৃশ্যে ঈমা দেখলো ও বাসার ছায়া পুরুষটি ঢুলছে।টলো-মলো পায়ে ছায়া মহিলাটিকে কাছে টানতে চাইছে, আর মহিলাটি ঘৃনা ভরে বার-বার তার কাছ থেকে সরে যাচ্ছে। একটু এগিয়ে লোকটি হ্যাচকা টানে বউটিকে তার কাছে টেনে আনলো, তারপর লোকটি তার বউটির গলা টিপে ধরলো। মহিলাটি দু’হাতে তার গলা থেকে লোকটির হাত দু’টি সরানোর চেষ্টা করছে।পারছে না! লোকটি তার বউটির দেহটিকে এক টানে ঘুরিয়ে এনে দেয়ালের সাথে ঠেসে ধরলো। এখন পুরুষ ছায়াটি দিয়ে মহিলাটি ঢেকে আছে বলে ঈমা আর মহিলাটিকে দেখতে পাচ্ছে না। তবে পুরুষটির দেহ প্রচন্ড ঝাঁকুনিসহ মহিলাটির গলাটি আরো জোরে চেপে দিচ্ছে তা বুঝা যাচ্ছে বেশ!

জানালার ভারী পর্দাটা একটানে একপাশে সরিয়ে দিলো ঈমা। ভালো করে দেখতে চাচ্ছে সে কি হচ্ছে ওই দু’টি ছায়া চরিত্রের মাঝে। লোকটি এক পাশে সরে যেতেই ছায়া নারীর দেহটি মেঝেতে লুটিয়ে যেতে দেখলো ঈমা।

মহিলাটি কি মরে গেলো? না কি এখনও বেঁচে আছে? টেবিলের সামনের চেয়ারটায় পা দিয়ে টেবিলের উপড় দাঁড়িয়ে পা দু’টো উঁচু করে দেখার আপ্রাণ চেষ্টা করলো ঈমা। নাহ! দেখা যাচ্ছে না! এবার টেবিলের উপর চেয়ার দিয়ে তার উপর দাঁড়ালো।

নিঃসাড় দেহটি মাটিতে পড়ে আছে। ঈমার সমস্ত শরীরের রক্ত হীম হয়ে গেলো।সে কল্পনাও করেনি; কখনো এমন দৃশ্য সে চোখে দেখতে পাবে। তার বিশ্বাস হচ্ছে-না এ দৃশ্য কি সে বাস্তবে দেখছে; না কি দুঃস্বপ্নে!

ঈমা এখন কি করবে? কি করা উচিত তার? ভাইয়া ভাবীকে ডেকে বলবে, ও বাসাটিতে ঢুকে খোঁজ নিতে; জেনে আসতে মহিলাটি বেঁচে আছে কি না? না কি পুলিশকে খবরটা দিবে? পুলিশকে জানালে তো আবার বাসায় পুলিশ আসবে; ঈমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।পুলিশ যখন ওই পুরুষ আর মহিলার বর্ননা দিতে বলবে; তখন তো ঈমা কিছুই বলতে পারবেনা! কারন ঈমা তো ও বাসার মানুষগুলোকে স্বচক্ষে দেখেনি কোনদিন। শুধু দেখেছে তাদের ছায়াবয়ব। ছায়া-ছায়া মানুষগুলোকে দেখেই ঈমার মমত্ব জেগেছে ঐ ছোট্ট বাচ্চা ছেলেটির জন্য।চরম ঘৃণা ও রাগে ক্ষুব্ধ হয়েছে ও বাসার ছায়া পুরুষটির উপর। কষ্ট পেয়েছে ওই ছায়া নারীটির অসহায়ত্বে।

আজ রাতে ঈমা তো কোনও মানুষের মৃত্যু প্রত্যক্ষ করেনি, সে শুধু একটি ছায়া চরিত্রের মৃত্যু দেখেছে। ঈমা শুধু এক ছায়া-মৃত্যুর প্রত্যক্ষ সাক্ষী!
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭
৬টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ছবি ব্লগ -৭ বিনীত, অবনত বৃক্ষ

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:০৯

পথে যেতে চোখে পড়লো নুয়ে পড়া বৃক্ষের শাখাগুলো। মনে হলো স্রষ্টার কাছে সে যেন নিবেদিত প্রার্থনায় অবনত। সব অহংকার, সব আত্মগরিমা, কৃতিত্বের ভার সে ধীরে ধীরে ঝরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি আর তুমিঃ ফানা থেকে বাকাঃ জীবনের উপলব্দি সবই তোমার

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:১১


ইশ্‌কে আমি ও তুমি’র ব্যবধান ক্ষীণ হওয়া, ফানা-তে অহংকারের বিলয়, এবং বাকা-তে প্রকৃত বোধ নিয়ে কর্মময় জগতে ফিরে সেবা, বিনয়, করুণা ও কৃতজ্ঞতার জীবন বেছে নেয়ার উপলব্দিতে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

×