মাঝেমধ্যেই এমনটা হয়-
কিছু অযাচিত সত্য অপ্রয়োজনীয় ভাবনা আর আজাইরা চিন্তা আমাদেরকে তিল তিল করে শেষ করতে আরম্ভ করে,আমরা তখন পালিয়ে বেড়াই জীবন থেকে প্রিয় মানুষগুলোকে বঞ্চিত করি আমাদের থেকে কারন নিজের কাছ থেকে পালিয়ে বেড়ানোর অর্থই হলো শুভাকাংক্ষী সেই মানুষগুলো থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া।আমাদের অনেকের হাতেই অনেক কিছু বাগ মানে অনেকেরই থাকে অনেক বিশেষ কিছু গূণ যেগুলো হয়তো কাছের একজন মানুষ সনাক্ত করতে পারেন সহজে সেই সাথে যূগিয়ে দেন অনুপ্রেরণা এবং প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা,আপনি যদি দূরে চলে যান তাহলে এই জিনিসটা আর হয়ে ওঠেনা কাছের মানুষ বলতে শুধু আত্বীয় স্বজনকে বোঝাচ্ছিনা মোঠেও আমি এটা বিশ্বাসও করিনা যে বিশেষ যত্নবান সম্পর্কের নামই হলো আত্বিয়তা অথবা রক্তের সম্পর্কটাই সবার ছাইতে বড়।
হতেওতো পারে একজন মানুষ যাকে আপনি খুব কমই চেনেন তবুও দূর থেকে সে আপনাকে ততোটাই পরিমাপ করতে পেরেছে যতোটা আপনি।আমাদের অপ্রয়োজনীয় ভাবনাগুলো আমাদের নিজস্ব বৈশিষ্ট্য থেকে বিচ্যুতি ঘটিয়ে দেয়,একটা উদাহরন দেই-ধরুন আপনি ভালো ছবি আঁকতে পারেন সেদিকে আপনার এতো টান নেই বরং আপনি চিন্তা করছেন একটা ডি,এস,এল,আর ক্যামেরা নিয়ে একজন ওয়াইল্ড ফটোগ্রাফার হয়ে ওঠবেন কোনো এক কারনে আপনার ডি,এস,এল,আর ক্যামেরাটা কিনা হলোনা আর আপনিও গুমড়ামুখী হয়ে বসে থাকলেন;অবস্থাটা এমন হলো যে আপনার সাথে কেউ কোনো কথাই বলতে পারছেনা এ বিষয়ে আসলে এটাই ভূল,ঠিক এই যায়গাটাতেই কাছের মানুষগুলো আপনাকে প্রভাবিত করতে পারেন যদি তিনি হন যথাযথ জ্ঞানি।আমাদের উচিৎ আমাদের কাছের মানুষগুলো যারা আমাকে উপদেশ দিয়ে দিয়ে ভালো করার চেষ্টা করেন উনাদের কথার চূড়ান্ত মূল্যায়ন করা আর উনারা যাতে পরবর্তীতে আরও উপদেশ প্রদান করতে পারেন সেই রাস্থাটা খোলা রাখা।
আধুনিক লাইলি-মজনু মার্কা যূবক যূবতীদের এক অন্যতম সমস্যার নাম হলো এরা যা কিছুই করে তার মধ্যে শুধু প্রেম আর প্রেম অর্থাৎ এদের সমস্ত ভাবনাটাই হলো ভালোবাসার সম্পর্ক কেন্দ্রিক যেমন ছেলেটা হয়তো ভালো বাশের বাঁশী বাজায় কিন্তু প্রেমিকাটা পছন্দ করে গীটার আর তাই ছেলেটা বাঁশি রেখে গীটারের ব্যাগ কাঁধে ফেলে ছুটাছুটি আরম্ভ করে গীটারের ওস্তাদের কাছে কয়েক মাস পর লাইলীর সাথে ঝগড়া অথবা ব্রেক আপ হলে ব্যাটা ছাওয়াল গীটার বাঁশি দুইটাই ফেলে দেয় হয়ে যায় নায়ক অর্থাৎ দেবদাস।একটা প্রেম যদি একটা ছেলে অথবা একটা মেয়েকে সেদিকেই ধাবিত করে যা দিয়ে সে তার নিজস্ব বৈশিষ্ট্যটাকে ধরে রাখতে পারে আমার কোনোও আপত্তি নাই কিন্তু সমস্যাটা হচ্ছে সে যা কিছুই করবে তার সাথেই যদি সম্পর্ক জড়িয়ে যায় অথবা একজন আরেকজনের অনুনয় রাখতে যেয়ে নিজস্ব গূণটাকে জলাঞ্জলী দেয়।
মাঝে মাঝে আবার এমনও হয় কোনোরুপ কারন ছাড়াই শুধুমাত্র অলসতার কারনে আমরা অনেক কিছুর চর্চা করা ছেড়ে দেই এটাও অনুচিৎ কারন এইরকম গূণ গুলো আপনাকে একেবারে অনন্য করে না তুললেও আপনার প্রিয় একটা মানুষের খুব দুঃসময়ে ভালো লাগার কারন হয়ে যেতে পারে তাছাড়া সবাই অনন্য হতেও পারেনা তাই কেবল মাত্র অনন্য ওটার উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কিছুর চর্চা করাটাও অনুচিৎ এতে করে মাঝে মধ্যে হীতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



