অনেক বিশেষগের মতে মানুষ যখন প্রথম গুণতে শিখেছিল তখন থেকেই 13 সংখ্যাটি জনসাধারনের কাছে অপ্রিয় প্রতিপন্ন হয়েছিল। তার দশ আঙ্গুল ও পায়ের দুই পাতাকে একত্রে ধরে সে 12 পর্যন্ত গুনতে শিখেছিল। কিন্তু ঐ 12 এর বাইরের কোন জিনিস তার কাছে ছিল অজানা ও ভীতবহুল।
ধমর্ীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে 13 কে ঘিরে কুসংস্কাররের মূলসুত্র নিহিত যীশুখ্রিষ্টের শেষ নৈশ ভোজনের সাথে। ঐ নৈশ ভোজনে তিন তার 13 জন অনুগামীকে নিয়ে অংশগ্রহন করেছিলেন এবং সেটাই তার শেষ ভোজ। সেই থেকে 13 সংখ্যাটিকে অমঙ্গলজনক বলে গন্য করা শুরু হয়। এ ব্যাপারে কেউ কেউ আবার গ্রীক পৌরণিক কাহিণীর ভালহল্লা ভোজোৎসবের কথাও তুলে ধরেন। ঐ ভোজোৎসবে 12 জন দেবতাকে নিমন্ত্রন করা হয়। বিবাদ, শত্রুতা ও অমঙ্গের প্রতিভূলোকি ঐ ভোজসভায় জোর করে প্রবেশ করে মোট সংখ্যাকে 13 তে উন্নীত করে। ফল হিসাবে দেবতাদের প্রিয় প্রাত্র বেলডোর নিহত হয়। তখন থেকে 13 সংখ্যাটিকে দুর্ভাগ্যজনক বলে গন্য করা হয়।
13 সংখ্যাটি যে কারণেই অমঙ্গলজনক বলে গন্য করা হোক না কেন আসলে তাকে অমঙ্গলজনক বলার কোন বৈগানিক কারন নাই। কোন সংখ্যাই মঙ্গলজনক কিংবা অমঙ্গলজনক নয়। তারা নিতান্তই সংখ্যা এবং আঙ্কিক গণনার ক্ষেত্রেই কেবল তাদের ব্যবহার।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




