somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আল্লাহ ইসলামপন্থীদের ক্ষমতা দেন না কেন?

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৯৫ তীন, ৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮। আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট বিচারক নন?

* আল্লাহ ক্ষমতা দেন। অথচ তিনি ইসলামপন্থীদেরকে ক্ষমতা দেন না। এর কারণ কি? ইসলামী সাইনবোর্ড না লাগিয়ে অনিসলামী কাজ করার থেকে ইসলামী সাইনবোর্ড লাগিয়ে অনিসলামী কাজ করা আল্লাহর বেশী অপছন্দ।কারণ ইসলামী সাইনবোর্ড লাগিয়ে অনিসলামী কাজ করা এক ধরনের প্রতারণা। আর আল্লাহ প্রতারণার পক্ষে থাকেন না। ইসলামপন্থীরা ইসলামী সাইনবোর্ড লাগিয়ে অনিসলামী কাজ করার কারণে আল্লাহ নিয়ম অনুযায়ী ইসলামপন্থীদের উপর বিরক্ত হয়ে ইসলামী সাইনবোর্ড না লাগিয়ে অনিসলামী কাজ করা লোকদেরকে ক্ষমতা দিয়ে থাকেন। ইসলামের সাইনবোর্ড না থাকার পরেও যারা ইসলামের কাজ করে বা ইসলামের কাজ করার নিয়তের কথা বলে তাদের এ আচরণ ইসলাম বিষয়ে উদারতা হিসাবে আল্লাহ তাদের প্রতি খুশী হয়ে তাদেরকে ক্ষমতা দিয়ে থাকেন।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

* ইসলাম পন্থীদের সবচেয়ে বড় অনিসলামী কাজ হলো অনৈক্য ও মতভেদ। অনৈক্য ও মতভেদের কারণে সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হয়েছেন। ইখতিলাফের কারণে আল্লাহ কিছু লোকের কাফের হয়ে যাওয়ার কথাও বলেছেন। অথচ ইসলামপন্থীরা এ সতভেদের কাজটাই বেশী করে। এতে তারা আল্লাহর শাস্তির যোগ্য হয়। ক্ষমতা লাভের প্রতিযোগীতায় পরাজিত হয়ে এরা সেই শাস্তি লাভ করে।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে: আর তারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।

সূরাঃ ২৫ ফুরকান, ৭৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৪। আর যারা প্রার্থনা করে, হে আমাদের প্রতি পালক! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান কর যারা হবে আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য ইমাম কর।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আল্লাহ অধিকাংশের অনুসারি হতে মানা করেছেন। কিন্তু মুত্তাকীদের ইমাম অনুসরনের জন্যই।সুতরাং তাঁদের অধিকাংশের অনুসরন নিষিদ্ধ নয়।তিনশ আসনের ইমামগণের ভোটার তালিকা তৈরী করে তিনশজন ইমাম আলেমকে ইসলামী সংসদের এমপি বানিয়ে তাদের মাধ্যমে মতভেদ নিরসনের চেষ্টা করা যায়।ইমাম ভোটারদের মাধ্যমে জাতীয় সংসদের তিনশ আসনের ইসলামপন্থী প্রার্থী মননীত করা যায়। তাহলে আর কোন আসনে ইসলামপন্থী একধিক প্রার্থী থাকবে না।এ ইসলামী প্রার্থীদের অধিকাংশের সমর্থনে ইসলামপন্থীদের অভিন্ন ইশতেহার তৈরী করা যায়। এভাবে অভিন্ন পথ তৈরী করতে না পারলে বিভিন্ন পথে ইসলাম পন্থীদের জাহান্নামে যাওয়ার কথা। তাহলে আর তাদেরকে আল্লাহ ক্ষমতা দেন কেমন করে?

সূরাঃ ৪ নিসার ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।

* অত্যাচার নির্যাতন প্রতিরোধ করতে হয় দ্রুতগতিতে। আহলে হাদিস ও আব্বাসী বাইয়াতের মাধ্যমে খলিফা হয়ে কবে অত্যাচার নির্যাতন প্রতিরোধ করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে? তাদের এ সংক্রান্ত কোন প্রচেষ্টা প্রতিয়মাণ নয়। ইসলামী সংসদ তৈরী করেও এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা করা যায়। কিন্তু এ ফতোয়াবাজেরা দৃশ্যমাণ কিছুই করছে না। এবারের নির্বাচনে জমিয়ত গেছে বিএনপির সাথে। সুন্নীজোট ও চরমোনাই আলাদা ভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। জামায়াত ইসলামী, ইসলামী ও ইসলামী নাম বিহীন দলের সাথে জোট করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। ফতোয়াবাজেরা তাদেরকে মোনাফেক বলেছে শরিয়া আইন চালু করবে না বলে। তো ইসলামী নাম বিহীন দলের সাথে জোট করে তারা শরিয়া আইন চালু করবে কিভাবে? তারপর ফতোয়া বাজেরা বলল, তাদের দলের নাম থেকে ইসলাম বাদ দিতে হবে। কিন্তু তাদের এ আব্দার কেন? অত্যাচার নির্যাতন প্রতিরোধ করা কি ইসলামের কাজ নয়? তো তারা যদি কোরআনের একটা আদেশ বাস্তবায়নে কাজ করে তাহলে তাদের দলের নামে ইসলাম থাকবে না কেন? রাসূল (সা.) তো কোরআনের সব আদেশ একসাথে বাস্তবায়ন করেননি? তাহলে জামায়াতে ইসলামও যদি পাঁচ বছর জুলুম নির্যাতন প্রতিরোধে কাজ করে তাহলে সমস্যা্ কোথায়? সূরাঃ ৪ নিসার ৭৫ নং আয়াত বাস্তবায়ন কি জামায়াতে ইসলাম করবে নাকি যাদের দলের নামে ইসলাম নাই তারা করবে? তথাপি জামায়াতে ইসলাম দলের নামে ইসলাম না থাকা চারটি দলকে জুলুম নির্যাতন প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ করেছে এর জন্য তারা ধন্যবাদ পেতে পারে। আর তাতেই মনে হয় আল্লাহ তাদেরকে প্রধান বিরোধী দল বানিয়ে দিয়েছেন।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

* বিরোধী দল হিসাবে জামায়াত জুলুম নির্যাতন প্রতিরোধে খুববেশী কাজ করতে পারবে না। তবে তারা জুলুম নির্যাতন প্রতিরোধে জাতীয় সংসদে প্রতিবাদ করেতে পারবে।তারা যদি সকল মসজিদে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষা কার্যক্রাম পরিচালিত করে একতৃতীয়াংশ ভোটারকে হালাল খোর ইসলামের অনুসারী বানাতে পারে তাহলে হয়ত আল্লাহ ইসলামী দল নামে ক্ষমতা দিতে পারেন। দলের নামে ইসলাম শব্দ যোগ করে আল্লাহর সন্তোষ জনক কাজ না করলে আল্লাহ কম কম দিয়ে থাকেন। তিনি বলেছেন ফাউমাত্তিউ কালিলান- আমি খুব কম দেই। সেই সূত্রে জামায়াতের আগের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি ছিল ১৭ আসন। এবার তারা এর চেয়ে অনেক বেশী আসন পেয়েছে। তারচেয়ে তারা আরো বেশী আসন পাওয়ার যোগ্য নয় বলেই আল্লাহ তাদেরকে এরচেয়ে বেশী আসন দেননি। ইসলামের নামে অন্য যারা আছে তাদের ফতোয়া দেওয়া ছাড়া আর কোন কাজ আছে কিনা কে জানে? তাদের কাজ ক্ষমতা পাওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহর পছন্দ নয় বলেই আল্লাহ তাদেরকে ক্ষমতা দিচ্ছেন না।সার্বিক বিবেচনায় আল্লাহ যাদেরকে ক্ষমতা পাওয়ার সবচেয়ে যোগ্যমনে করেছেন তাদেরকে তিনি ক্ষমতা দিয়েছেন। আর যারা ভোট ডাকাতি করে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে তারা পরের হক নষ্টের গুনাহে গুনাহগার হবে। নির্বাচন উপলক্ষ্যে ইসলামপন্থীদের কথা ভোটারগণ শুনেছেন। তাদের কথায় তাদের অনেককে অতিশয় নিম্নমানের মানুষ মনে হয়েছে। আল্লাহ তো ক্ষমতায় বসাবেন যোগ্য লোককে অযোগ্যলোক ইসলামপন্থী হলেও কিলাভ? তাদের ঐক্যবদ্ধ না হতে পারার বিষয় সবার নিকট স্পষ্ট।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৫
৮টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সবাই জামাতের পক্ষে জিকির ধরুন, জামাত বিজয়ের দ্বারপ্রান্তে!

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:৩১



চলছে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা, তুমুল লড়াই হচ্ছে জামাত ও বিএনপির মধ্যে কোথাও জামাত এগিয়ে আবার কোথাও বিএনপি এগিয়ে। কে হতে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ সরকার- জামাত না... ...বাকিটুকু পড়ুন

নির্বাচন তাহলে হয়েই গেল

লিখেছেন অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য , ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:১৬


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বিএনপি। ২৯৯টি আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত বেসরকারি ফলাফলে ১৭৫টি আসনে জয় পেয়েছে দলটির প্রার্থীরা।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা ৫৬টি আসনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেটিকুলাস ডিজাইনের নির্বাচন কেমন হলো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৪


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ২১৩ আসনে জয়ী হয়েছে। তবে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি ভালো ফলাফল করেছে জামায়াত ! এগারো দলীয় জোট প্রায় ৭৬ টি আসনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ চুরান্ত লজ্জার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



অনেক জল্পনা কল্পনার পর শেষ পর্যন্ত বিএনপির ভূমিধ্বস বিজয় হয়েছে- এ যাত্রায় দেশ চুরান্ত লজ্জার হাত থেকে বেঁচে গেলো। চারিদিকে যা শুরু হয়েছিলো (জামাতের তাণ্ডব) তা দেখে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০ বছর সামহোয়্যারইন ব্লগে: লেখক না হয়েও টিকে থাকা এক ব্লগারের কাহিনি B-)

লিখেছেন নতুন, ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪২



২০২৬ সালে আরেকটা ঐতিহাসিক ঘটনা ঘটেগেছে একটু আগে।

ব্লগার হিসেবে ২০ বছর পূর্ন হয়ে গেছে। :-B

পোস্ট করেছি: ৩৫০টি
মন্তব্য করেছি: ২৭০৭২টি
মন্তব্য পেয়েছি: ৮৬৬৭টি
ব্লগ লিখেছি: ২০ বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×