নেপাল ভ্রমনকারীদের অধিকাংশেরই মূল গন্তব্য থাক েরাজধানী কাঠমান্ডু তারপর সেখান থেকে অন্যান্য গন্তব্যে। প্রথমে কাঠমান্ডুর আশে পাশে তারপর দুরবতর্ী অন্যান্য শহরে। আমারা এখন কাঠমান্ডুর উপত্যাকার মূল শহর রাজধানী কাঠমান্ডুতে। ছোট বড় পবর্তবেষ্টিত সবুজ উপত্যকায় অবস্থিত কাঠমান্ডু শহরটি কেবল দেশের রাজধানীই নয় দেশের নার উত্থান পতনের ইতিহাসের ও কেন্দ্রভুমি। যুগে যুগে এ শহরের বারবার নির্মিত এবং পুনঃনির্মিত হয়েছে সুরম্য প্রাসাদ আর মন্দিরসমুহ। দেশের শিল্প সাংস্কৃতির ধারক বাহক হিসেবে এ শহর গুরুত্বপুর্ণ ভুমিকা পালন করে এসেছে। কাঠমান্ডুই হচ্ছে নেপালের সবচেয়ে বড় শহর পুরো কাঠমান্ডু উপত্যাকা জুড়ে ছড়িয়ে আছে অসংখ্য মন্দির স্মৃতিতীর্থ ঐতিহ্যবাহী গ্রাম এবং সবুজ কৃষি ভুমির সৌন্দর্য। কাঠমান্ডু উপত্যাকাটি পূর্ব পশ্চিমে 25 কিলোমিটার এবং উত্তরে দেিন 20 কিলোমিটার, আর উচ্চত্ 1300 মিটার।
কাঠমান্ডু উপত্যাকার আদি বাসিন্দাদের বলা হয় নিওয়ার। তারা কথা বলে নিওয়ারী ভাষায়। শারিরীক গঠনের দিক দিয়ে তাদেরকে মঙ্গোলীয় গোত্রের বলে চিহ্নিত করা যায। কাঠমান্ডু উপত্যাকাটি দীর্ঘকার ধরে দেশের পূর্ব পশ্চিমের সাংস্কৃতিক মিলনের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। কাঠমান্ডু উপত্যাকায় কাঠমান্ডু, পাটান এবং ভক্তপুর এ তিনটি শহর ছাড়াও নাগরকোট, ধুলিখেল, কীর্তিপুর, থানকোট, সাংখু, চাপাগাঁও, গোদাবরী ইত্যাদি জনপদ এবং অনেকগুলি প্রখ্যাত মন্দির বিদ্যমান।
কাঠমান্ডুর একসময় মাল্লা রাজাদের শাসনাধীনে ছিল। সে সময়টি ছিল 1600 থেকে 1700 সাল। 1968 সালে গোর্খা রাজ পৃথি্বনারায়ন শাহ নেপালকে এককেন্দ্রিক ঐক্যবদ্ধতায় ফিরিয়ে আনেন।
কাঠমান্ডুর উপত্যকা ইতিহাস ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে তিনটি প্রধান শহরের উপর ছাড়া বিস্থার করে আছে- এগুলো হচ্ছে কাঠমান্ডু, পাটান(ললিতপুর) এবং ভুক্তপুর (ভারগাও)। কাঠমান্ডুর উপত্যাকায় অধিকাংশ মানুষ্ই হিন্দু ধর্মাবলম্বী,
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




