আর এখানেও রয়েছে জাতিভেদ বা বর্নভেদ প্রথা। দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম হচ্ছে বৌদ্ধধর্ম। এ কারনে পুরো উপত্যাকা জুড়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বহু মন্দির, স্তুপা, ধর্মকেন্দ্র ও স্মৃতিমন্দির। আর নেপাল ভ্রমনকারীদের নিকট এসব বৈচিত্রপূর্ন মন্দিরগুলো অন্যতম দর্শনীয় বিষয়। এসব মন্দিরের আবার রয়েছে নানা ইতিহাস নানা কিংবদন্তী। এছাড়া এখানে রয়েছে কাঠমান্ডুর সমাজ ও সাংস্কৃতিক জীবনের বৈচিত্র ুআর রয়েছে এর অনন্য পার্বত্য সৌন্দর্য। কাটমান্ডু শহরটিটি সবুজ বৃরাজি শোভিত পাহাড় পর্বতে ঘেরা। এসব পর্বত চুড়ার অনেকগুলোর শীর্ষভাগই আবার সারাবছর থাকে বরফে ঢাকা।
কাঠমান্ডুর উপত্যাকায় হিন্দু বৌদ্ধ ও অন্য ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ন সহাবস্থান বজায় রেখে চলে। প্রধান ধর্ম হিন্দু ও বৌদ্ধদের শান্তিপুর্ণ সহাস্থাবা বাসস্থান। এটি উভয় ধর্মের মানুষের কাছে আরাধ্য।
কাঠমান্ডুর উপত্যকার প্রধান তিনটি শহর কাঠমান্ডুর, পাঠান এবং ভক্তপুর এ রয়েছে অনেক প্রখ্যাত এবং দর্শনীয় মন্দির ও তীর্থকেন্দ্র। এছাড়া শহর তিনটির বাইরেও রয়েছে এ ধরনের আরও অনেক মন্দির। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইচাংগু নারায়ন, বুধনিকান্ত স্বয়ন্ডুনাথ, সুন্দরীজাল, বজ্রযোগিনী, গোকর্নমহাদেব চাংগু নারায়ন, বুদ্ধনাথ, বুংগামাতি এবং দনি কাল।
আমরা এসব দর্শনীয় মন্দির এবং স্থানসমুহ ঘুরে ঘুরে দেখবো, প্রথমে কাঠমান্ডু উপত্যাকার প্রধান প্রধান শহর তারপর অন্যত্র। তবে কাঠমান্ডুতে আগে আমাদের থাকার জায়গা অথ্যাৎ হোটেলের কথা ভাবতে হবে প্রথমে।
আবহাওয়া ভাল থাকায় নেপালে প্রায় সারা বছরই পর্যটকদের ভীড় ল্য করা যায়। আর তাই পর্যটকদের সুবিধার্থে এদেশে গড়ে উঠেছে নানা সুযোগ সুবিধা। কাঠমান্ডু বাসস্ট্যান্ডেই দেখা মিলবে এখানকার হোটেলগুলোর এজেন্ট (বা দালাল) দের সাথে । তারা আপনাকে তাদের নিজ নিজ হোটেলে থাকার ব্যাপারের নানা ভাবে উৎসাহিত করবে। তবে আপনি যদি হোটেলে অবস্থান করেন তাহলে অবশ্যই হোটেলটির অবস্থান, ভাড়া, ও সুযোগসুবিধাসমুহ নিশ্চিত হয়েই হোটেল বুক করবেন।আর আপনি যদি সাধারন মানের অথর্াৎ কম বাজেটের হোটেলে থাকতে চান, তাহলে 3 থেকে 4 ডলারের মধ্যেই এসব হোটেল পছন্দ করা ভাল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




