somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সৌন্দর্যের আধার নেপাল-7

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৬ বিকাল ৪:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আর এখানেও রয়েছে জাতিভেদ বা বর্নভেদ প্রথা। দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্ম হচ্ছে বৌদ্ধধর্ম। এ কারনে পুরো উপত্যাকা জুড়ে যুগে যুগে গড়ে উঠেছে বহু মন্দির, স্তুপা, ধর্মকেন্দ্র ও স্মৃতিমন্দির। আর নেপাল ভ্রমনকারীদের নিকট এসব বৈচিত্রপূর্ন মন্দিরগুলো অন্যতম দর্শনীয় বিষয়। এসব মন্দিরের আবার রয়েছে নানা ইতিহাস নানা কিংবদন্তী। এছাড়া এখানে রয়েছে কাঠমান্ডুর সমাজ ও সাংস্কৃতিক জীবনের বৈচিত্র ুআর রয়েছে এর অনন্য পার্বত্য সৌন্দর্য। কাটমান্ডু শহরটিটি সবুজ বৃরাজি শোভিত পাহাড় পর্বতে ঘেরা। এসব পর্বত চুড়ার অনেকগুলোর শীর্ষভাগই আবার সারাবছর থাকে বরফে ঢাকা।

কাঠমান্ডুর উপত্যাকায় হিন্দু বৌদ্ধ ও অন্য ধর্মাবলম্বীরা শান্তিপূর্ন সহাবস্থান বজায় রেখে চলে। প্রধান ধর্ম হিন্দু ও বৌদ্ধদের শান্তিপুর্ণ সহাস্থাবা বাসস্থান। এটি উভয় ধর্মের মানুষের কাছে আরাধ্য।

কাঠমান্ডুর উপত্যকার প্রধান তিনটি শহর কাঠমান্ডুর, পাঠান এবং ভক্তপুর এ রয়েছে অনেক প্রখ্যাত এবং দর্শনীয় মন্দির ও তীর্থকেন্দ্র। এছাড়া শহর তিনটির বাইরেও রয়েছে এ ধরনের আরও অনেক মন্দির। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ইচাংগু নারায়ন, বুধনিকান্ত স্বয়ন্ডুনাথ, সুন্দরীজাল, বজ্রযোগিনী, গোকর্নমহাদেব চাংগু নারায়ন, বুদ্ধনাথ, বুংগামাতি এবং দনি কাল।

আমরা এসব দর্শনীয় মন্দির এবং স্থানসমুহ ঘুরে ঘুরে দেখবো, প্রথমে কাঠমান্ডু উপত্যাকার প্রধান প্রধান শহর তারপর অন্যত্র। তবে কাঠমান্ডুতে আগে আমাদের থাকার জায়গা অথ্যাৎ হোটেলের কথা ভাবতে হবে প্রথমে।

আবহাওয়া ভাল থাকায় নেপালে প্রায় সারা বছরই পর্যটকদের ভীড় ল্য করা যায়। আর তাই পর্যটকদের সুবিধার্থে এদেশে গড়ে উঠেছে নানা সুযোগ সুবিধা। কাঠমান্ডু বাসস্ট্যান্ডেই দেখা মিলবে এখানকার হোটেলগুলোর এজেন্ট (বা দালাল) দের সাথে । তারা আপনাকে তাদের নিজ নিজ হোটেলে থাকার ব্যাপারের নানা ভাবে উৎসাহিত করবে। তবে আপনি যদি হোটেলে অবস্থান করেন তাহলে অবশ্যই হোটেলটির অবস্থান, ভাড়া, ও সুযোগসুবিধাসমুহ নিশ্চিত হয়েই হোটেল বুক করবেন।আর আপনি যদি সাধারন মানের অথর্াৎ কম বাজেটের হোটেলে থাকতে চান, তাহলে 3 থেকে 4 ডলারের মধ্যেই এসব হোটেল পছন্দ করা ভাল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ওরা ভয়ংকর

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯



বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!

শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০১


জুলাই: বাঙালি জাতির জন্য এক অভিশাপ ও মূল্যায়ন

আমাদের দৃষ্টিতে, তথাকথিত "জুলাই" বাংলাদেশের জন্য কোনো গৌরবের অধ্যায় নয়; বরং এটি জাতীয় ঐক্য, স্বাধীনতা, অর্থনীতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে প্রশ্নবিদ্ধ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাপান যেভাবে মাত্র ৭ বছরে অর্থনৈতিক পরাশক্তিতে পরিণত হয়

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৭



জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাংগুক অচলায়তন

লিখেছেন মাসুদ রানা শাহীন, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৯


ভয় পাবেন না
আশার পিদিম জ্বালিয়ে রাখুন
প্রাণের ধুকপুকি জাগিয়ে রাখুন
হেরে যাবেন না।

ঘাবড়াবেন না
নতুন স্বর ও সাহসী উচ্চারণে অনবদ্য হোন
ক্ষুরধার সৃষ্টির ঔজ্জ্বল্যে উদ্ভাসিত হোন
থামবেন না।

নগদমূল্যে বিকোবেন না
ক্লান্ত শিরায় নতুন রক্ত বইয়ে দিন
তাতিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জাতিসত্তার পরিচয়ের বাজার

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:২১

ইতিহাসে কোনো আদর্শ সত্যিকার অর্থে মরে না। সে শুধু নাম বদলায়, পরাজিত আদর্শেরও পুনর্জন্ম হয়।

১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে মুসলিম লীগ একটি আসনও পায়নি। কিন্তু সেই রাতে মুসলিম লীগ মরেনি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×