হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পশুপতিনাথে কোন পশু বলি প্রচলন নাই। মন্দিরের চারপাশ জুড়ে দেখা যায় অসংখ্য ফুল বিক্রেতা। আর দেখা যায় সুগন্ধিসহ পুজার নান উপকরণ বিক্রেতা। পশুপতিনাথ মন্দিরের ভেতরের হিন্দু ধর্মালম্বী ব্যতীত অন্যদের প্রবেশাধিকার নেই এবং এর মুর্তির ছবি তোলাও নিষিদ্ধ। পশুপতিনাথ মন্দিরের অদুরে বাগমতি নদীর তীরবতর্ী এলাকাও ভ্রমন করীদের নিকট প্রিয়। পশুপতিনাথের খুব কাছেই আর একটি মন্দির আমরা দেখব। এর নাম গুহেশ্বরী মন্দির। সব দর্শনাথর্ীই জুতো খুলে রেখে এর ভেতরে প্রবেশ করছে।
বৌদ্ধনাথঃ পশুপতিনাথ থেকে সামন্য দুরে ত্রিভুন এয়ারপোর্টের ঠিক উত্তর পাশে রয়েছে একটি বিরাট বৌদ্ধ স্তুপা। এই স্তুপায়। বৌদ্ধনাথ স্তুপা নামে এই স্তুপাটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহদায়তন স্তুপা। তিব্বতী বৌদ্ধদের এটি অন্যতম তীর্থকেন্দ্র। এর চারপাশে আমরা দেখতে পাচ্ছি বেশ কয়েকটি গুম্ফা। এগুলি হচ্ছে- সাকিফা গুম্ফা, চীনালাম গুম্ফা, নিংমাপা গুম্ফা, কারগিউফা গুম্ফা এবং গেলুগফা গুম্ফা। এসব গুম্ফা বৌদ্ধদের প্রার্থনা কেন্দ্র হিসাবে পরিচিত। বৌদ্ধ প্রার্থনাকারীরা স্তুপার চারপাশে ককওয়াজ ডিরেকশনে প্রদনি করে থাকে। পাশের গুম্ফাগুলোতে প্রবেশের সময় দর্শনাথীদের অবশ্যই জুতা খুলে রেখে প্রবেশ করতে হবে এবং ছবি তুললেও নিতে হবে অনুমতি। এখানে সবসময় ভাবগাম্ভীর্য এবং নীরবতা বিদ্যামান।
কাঠমন্ডপঃ আমরা এসেছি কাষ্ঠমন্ডপ মন্দিরে। কাষ্ঠমন্ডপ মন্দিরটি কাঠমন্ডুর হনুমা ধোকা বা দরবার স্কোয়ারের সনি্নকটে। বলা হয়ে থাকে ষোড়শ শতাব্দীর প্রথম দিকে রাজা ল্নী নরসিংহ মাল্লা একটি মাত্র গাছের কাঠ থেকে এটি তৈরী করেছিলেন।তাই এর নাম কাষ্ঠমন্ডপ বা কাঠের ঘর। এর পাশেই কুমারী মন্দির।
হনুমান ধোকাঃ এই স্কয়ারটি নেপালী রাজত্বের একটি ঐতিহাসিক নির্দশন। এ চত্ত্বরটি কাঠমান্ডুর পশ্চিমভাগে বিঞ্চুমতি নদীর পূর্বতীরে কাষ্ঠমন্ডপের কাছাকাছা অবস্থিত। এ চত্ত্বরে এবং কাছাকাছি অনেকগুলো মন্দির বিদ্যমান। এখানে যেসব পুরাতন মন্দির ও প্রাসাদ রয়েছে, সেগুলি লোকজনের ধমর্ীয় ও সাংস্কৃতিক
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




