somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নতুন নকিব
আলহামদুলিল্লাহ। যা চাইনি তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন প্রিয়তম রব। যা পাইনি তার জন্য আফসোস নেই। সিজদাবনত শুকরিয়া। প্রত্যাশার একটি ঘর এখনও ফাঁকা কি না জানা নেই, তাঁর কাছে নি:শর্ত ক্ষমা আশা করেছিলাম। তিনি দয়া করে যদি দিতেন, শুন্য সেই ঘরটিও পূর্নতা পেত!

আমার দেখা- হোমিওপ্যাথি চিকিতসা গ্রহনে জটিল জটিল রোগ নিরাময়ের কিছু বাস্তব ঘটনা এবং ডাক্তার জীবনের টুকরো কিছু স্মৃতি-অভিজ্ঞতা......... সকলের জানার জন্য শেআর করার চেষ্টামাত্র.......... কোনো অবস্থায়ই ইহা বিজ্ঞাপন নয়..........

১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ১০:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কিছু কিছু রোগের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি দারুন কাজ করে। বাস্তবে পরিক্ষা করার আগ পর্যন্ত আমারও বিশ্বাস এতটা পাকা ছিল না। হোমিওপ্যাথি চিকিতসা পদ্ধতির এমনসব অভাবনীয় ফলাফল দেখে আশ্চর্য্য হয়েছি। আমার যতদূর জানা, এলোপ্যাথি চিকিতসা ব্যবস্থায় হেপাটাইটিস বি পজিটিভ এর কোনো ওষুধ এখনও আবিষ্কার হয়নি। এরকম আরও কিছু সমস্যায় এলোপ্যাথি চিকিতসার কার্যকর কোনো ব্যবস্থা এযাবত আসেনি।

সত্যিকারার্থে এই বিষয়ে লেখার ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু কিছু লোক রয়েছেন, যারা নিজেদের অতি আধুনিক ভাবেন। হোমিও চিকিতসার নাম শুনলেই অযৌক্তিকভাবে অর্থহীন বিদ্বেষমূলক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে থাকেন। হোমিও চিকিতসার গোষ্ঠী উদ্ধারেও পারতপক্ষে ছাড়েন না। ফলে এতে তাদের নিছক শত্রুতামূলক আচরনেরই বহি:প্রকাশ ঘটে থাকে। তাদের প্রতি কোনো ক্ষোভ নয়, বরং তাদের অনুরোধ করতে চাই, হোমিও পদ্ধতি আপনি গ্রহন করুন কিংবা না করুন সেটা একান্তই আপনার নিজের ব্যাপার, কিন্তু না জেনে হোমিও চিকিতসা বিধানের বিরুদ্ধে বিষোদগারে লিপ্ত হওয়ার পূর্বে দায়িত্বশীলতার পরিচয় হিসেবে একটিবার অন্তত: হোমিও চিকিতসা পদ্ধতির দোষ গুনগুলো বাস্তবে পরিক্ষা করে দেখুন। যাচাই করে নিতে অসুবিধা কোথায়?

প্রসঙ্গত: বলা সমিচীন মনে করছি, হোমিওপ্যাথি চিকিতসা পদ্ধতি কোনো এলাকা বা অঞ্চলের অজ্ঞ ও মূর্খ লোকদের উদ্ভাবিত আঞ্চলিক কোনো অপচিকিতসা পদ্ধতি নয় যে, এই চিকিতসা ব্যবস্থাটি সম্মন্ধে শিক্ষিত সমাজ জানে না। বরং, মনে রাখা প্রয়োজন, হোমিওপ্যাথি চিকিতসা পদ্ধতি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত, বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয়ভাবে অনুমোদিত এবং আধুনিক জনপ্রিয় একটি চিকিতসা পদ্ধতি।



আগেই উল্লেখ করেছি, এমন অনেক রোগ রয়েছে যার একচুয়ালি এলোপ্যাথিতে কোনো চিকিতসা নেই। শুনে নয়, দেখে দেখে, বাস্তবে ফলাফল লাভ করে বুঝেছি, বিশ্বাস না করে পারিনি, হোমিও চিকিতসা পদ্ধতিতে ক্যানসারের মত মারাত্মক রোগেরও আরোগ্যলাভ সম্ভব। আমার চোখের সামনে, দেশের নামকরা এলোপ্যাথি ডাক্তারের চিকিতসা শেষে, তাদের সকল প্রচেষ্টা প্রয়োগের পরে, এমনকি রোগীর আর বাঁচার সম্ভাবনা মাত্র তিন মাস- এমন কঠিন সময়সীমা বেধে দেয়ার পরে, এই রোগী শুধুমাত্র হোমিও ওষুধ সেবনে সম্পূর্ন সুস্থতালাভ করেছেন। শুধু সুস্থতালাভ করেছেন বললে একটু কম বলা হবে। যে রোগীর ত্রিমাস মাত্র আয়ুষ্কালের ব্যাপারে ২০০২ সালের দিকে এই কঠিন ভবিষ্যত বানী দেয়া হয়েছিল, সেই রোগী এখনও সুস্থাবস্থায় রয়েছেন। এটা আমার নিজের দেখা। শোনা কোনো গল্প নয়। নিজের জীবনের বাস্তব অভিজ্ঞতা।

আমার নিকটাত্মীয়দের দু'জন যারা এইচবিএসএজি পজিটিভ (হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে) আক্রান্ত ছিলেন। এদের মধ্যে একজন বিদেশ যেতে পারছিলেন না। হোমিও ওষুধ সেবনে তার অবস্থা পরিবর্তন হয়েছে। ভাইরাস টেস্টে নেগেটিভ ধরা পড়েছে। এবং অবশেষে তিনি বিদেশে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

আরেকজন আমার কাছাকাছি থাকেন। চোখের সামনেই তার ওষুধ সেবনের দীর্ঘ (প্রায় দু'বছরকাল যাবত তিনি ওষুধ নিয়মিত সেবন করেছেন) সময়কাল প্রত্যক্ষ করলাম। এবং আশ্চর্য্যভাবে লক্ষ্য করলাম, সর্বশেষ গত তিন চার মাস আগে তার যে টেস্ট করানো হয়েছে তাতে ভাইরাস নেগেটিভ এসেছে। প্রথমে তার টেস্ট করানো হয়েছিল ইবনে সিনায়। এখানের রিপোর্টে নেগেটিভ ধরা পড়ে। রিপোর্টের উপর পুরোপুরি আস্থা আনতে না পারায় মহাখালী সরকারি কলেরা হাসপাতাল থেকে একই টেস্ট আবার করানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। কারন, মহাখালি কলেরা হাসপাতালের রিপোর্টকে অন্যান্য ল্যাব থেকে অধিক অথেন্টিক বলে ধরে নেয়ার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, কলেরা হাসপাতালের পরিক্ষায়ও নেগেটিভ রিপোর্টই আসে।

ছোটখাট টিউমার, আঁচিল, কিছু কিছু চর্মরোগ, ইত্যাদিসহ আরও কিছু রোগের ক্ষেত্রে হোমিওপ্যাথি চিকিতসা দারুন ফল দেয়। যারা হোমিওপ্যাথিতে ভয় পান, তাদের একবার পরিক্ষা করে দেখার জন্য অনুরোধ থাকলো।

এক বন্ধুর লজ্জাস্থানের আশপাশে অনেক আঁচিল ছিল। সংরক্ষিত অঞ্চল হওয়ায় বেচারা ডাক্তার দেখাতেও লজ্জা পাচ্ছিলেন। একবার আমাকে ঘটনা খুলে বললেন, ওষুধ দিলাম। মাস খানিক ওষুধ সেবনের পরে জানালেন, সমস্যা বেড়েছে। আবার এক মাসের ওষুধ দিলাম। এভাবে তিন বার ওষুধ নিলেন। মাস তিনেক ওষুধ সেবনের পরেও কোনো ফলোদয় না হওয়ায় সীমাহীন বিরক্ত হলেন ভদ্রলোক। আমার সাথে তার ঘনিষ্টতা বেশি থাকায় কঠিনসব তিরষ্কার বানী শুনিয়ে গেলেন এক দিন। বললেন, 'খাওয়া তো দূরের কথা, আর জীবনে যদি কোনো দিন হোমিওপ্যাথি ওষুধ ছুঁয়ে দেখি!'

রহস্যজনকভাবে এই বন্ধু আবার ফিরে এলেন। বছরখানিক পরে ভদ্রলোক এক দিন পেছনের সেই তিরষ্কারের জন্য দু:খ প্রকাশ করে জানালেন, 'তার শরীরে কোনো আঁচিল নেই। আঁচিল তো নেইই, আঁচিলের চিহ্ণ পর্যন্ত নেই।'

এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা স্মৃতিতে জমে আছে। সময় পেলে শেয়ার করার চেষ্টা থাকবে।

সুতরাং, হোমিও চিকিতসায় বারবার দেখেছি, ধৈর্য্য বড় ব্যাপার। ধৈর্য্যধারন করে নিয়মিত ওষুধ সেবন করে যেতে হয়। যাদের পক্ষে ধৈর্য্যধারন সম্ভব নয়, যাদের দীর্ঘ সময় ধরে (কোনো কোনো রোগের ক্ষেত্রে) ওষুধ সেবনের ইচ্ছে বা সুযোগ নেই তাদের জন্য হোমিওর কাছে না যাওয়াই শ্রেয়।

অবশ্য বর্তমানে আমাদের দেশে প্রচলিত হোমিওপ্যাথিতে কিছু গোঁজামিল রয়েছে। এগুলো আমার কাছেও নিদারুন বিরক্তিকর। ধুরন্দর তো সবখানেই কম বেশি থাকেন, এই পেশাতেও কিছু ধুরন্দর টাইপ লোকজন যুক্ত হয়েছেন। অরুচিকর অশ্লীল সব বিজ্ঞাপন ছেপে, ভিজিটিং কার্ডে দুনিয়ার সর্বরোগের চিকিতসায় ১০০% গ্যারান্টিযুক্ত চাপাবাজি করে প্রতারনায় কোমর বেধে নেমে থাকেন এরা। এই গ্যারান্টিওয়ালাদের খপ্পড়ে পড়ে কত মানুষ যে সর্বশান্ত হয়েছেন তার ইয়ত্তা নেই। হারবাল চিকিতসার নামে যেভাবে অহরহ ভূয়া চিকিতসা কেন্দ্র গড়ে তুলে সাধারন মানুষদের ঠকানো হচ্ছে, হোমিওপ্যাথির নামেও এই জাতীয় ভূয়া বিজ্ঞাপন দিয়ে ইদানিং ব্যাপক প্রতারনার ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। এই ভূইফোঁর দুষ্টদের বিরুদ্ধে জরুরী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে মনে করি।



দেশে হোমিওপ্যাথির কিছু কিছু ডাক্তার গলাকাটা ব্যবসা করে থাকেন- একথা অস্বীকার করার উপায় নেই। তবে সকল ডাক্তার নন। অনেকে পানি বেঁচে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করে থাকেন ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। এটা কিছু কিছু ক্ষেত্রে যদিও ঠিক, তবে, এর জন্য সম্ভবত হোমিও চিকিতসা ব্যবস্থাকে দায়ী করা উচিত নয়। এসব অপকর্মে সকল ডাক্তার যুক্ত নন। যারা করেন, তারা নি:সন্দেহে নিন্দনীয়। তাদের বর্জন করুন। আর তাদের মত মুষ্টিমেয় সংখ্যক স্বার্থপর অতি লোভী ব্যক্তির কারনে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃত সুন্দর একটি চিকিতসা ব্যবস্থাকে খারাপ বলা কতটা যুক্তিযুক্ত?

হোমিও ওষুধ এখন দেশেও তৈরি হয়। অনেকগুলো কোম্পানী হয়েছে দেশে, যারা হোমিও ওষুধ তৈরি করে থাকেন। এদের ওষুধ তৈরির ক্ষেত্রে ওষুধের গুনগত মান কতটুকু রক্ষা হয়, সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। কোনো কোনো ওষুধ মাত্র এক আউন্স (অরিজিনাল বিটি জার্মানি) যেখানে ১৫০০ - ১৬০০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হয়, দেশীয় সেই একই ওষুধ ১৫০ - ২০০ টাকায় পাওয়া যায়। দামের এই আকাশ পাতাল ফারাক থাকলে, মান কতটুকু রক্ষা হতে পারে?

আসুন, অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে হোমিও চিকিতসা ব্যবস্থা সম্পর্কে নিজের ধারনাকে স্বচ্ছ করি। সঠিক মাত্রায়, অরিজিনাল হোমিও ওষুধ সেবনের মাধ্যমে নিরোগ থাকি। সকলে ভালো থাকুন। নিরোগ থাকুন। সুন্দর থাকুন।



ছবি কৃতজ্ঞতা: গুগল।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৩৯
১৮টি মন্তব্য ১৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এলোমেলো জীবনের দিনলিপি থেকে-২৪

লিখেছেন মাহমুদুর রহমান, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

(ক)

আরজ আলী মাতুব্বরের প্রথম আটটি প্রশ্ন এবং আমার উত্তরঃ-
যেমন -
১। আমি কে? (নিজ) =
উত্তরঃ আমি মানুষ।মান(আত্মসম্মান) ও হুঁশ(বিবেক) =আশরাফুল মাখলুকাত।

২। জীবন কি শরীরী বা অপার্থিব?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকার পথে পথে- ৭ (ছবি ব্লগ)

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪



ঢাকা শহরে থাকি।
মাঝে মাঝে প্রয়োজনে, অপ্রয়োজনে নানান জায়গা ঘুরে বেড়াই। অনেক কিছু চোখে পড়ে। পকেটে মোবাইল থাকে তাই ইচ্ছা হলেই সাথে সাথে ছবি তুলে নিই। ছবি... ...বাকিটুকু পড়ুন

|| দিশেহারা ||

লিখেছেন নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২১



আমি উম্মাদ আজ-
পথের ভুলে দিশেহারা,
বিষণ্ণ সময়, কন্টক পথ-
সঙ্গী বিরহ যন্ত্রণা।

পথের টানে পথিক আমি-
সকাল সন্ধ্যা রাত্রির,
নই মন্থর- ছুটি দুরন্ত-
সদা থাকে এই মন অস্থির।

ডাকি ঈশ্বর, হইলো পর-
যাদের ভেবেছি আপন,
একা নির্জন- পথ দুর্গম-... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীনতার ৫০এর কাছে এসেও এ জাতি স্বাধীনতা শূন্যতায়...

লিখেছেন স্বপ্নের আগামী, ২৫ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১১:০৪

স্বাধীন আমি তাহার মতোই
তিনি যেমন চাহেন,
তাহার হাতে নাটাই আমার
একটু নড়াচড়ায় সূতা টানেন!

হেঁচকা টানে ভয় দেখিয়ে
শিকলের ঝনঝন,
ভগবান যেনো শাসক গুস্টি;
নির্দেশনায় ইঙ্গিত পুজোয় কল্যাণ!!

পুজোর বেদী পরিয়ে দিয়ে
দেয় স্বাধীনতার খড়কুড়া,
মনের ভেতরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বাধীনতা কারা চেয়েছিলেন, কারা এনেছিলেন, কারা স্বাধীনতা বুঝে নিয়েছেন

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২৬ শে মার্চ, ২০১৯ ভোর ৬:৫৮



*** কোন ১ ইডিয়ট পোষ্টটাকে রিফ্রেশ করার শুরু করেছে; দেশ ভরে গেছে বানরে ****

পুর্ব পাকিস্তানের কোন শ্রেণীর জনতা স্বাধীনতা চেয়েছিলেন? দরিদ্ররা স্বাধীনতা চেয়েছিলেন। ফজলুল কাদের চৌধুরী, মোনায়েম খান, একে খান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×