জন্ম নিয়ে রহস্য জট
মনজুর মোরশেদ
মানব জাতির জন্ম রহস্য নিয়ে আমার আগ্রহ সেই ছোট বেলা থেকেই।
আজ আমার জন্ম দিবসের মহাক্ষণে এসে জন্ম নিয়ে রহস্য জট খুলে গেছে।
জন্ম নিয়ে দীর্ঘ গবেষণায় বুঝলাম, বিবর্তন বাদ আসলেই অসার এক তত্ত্বীয় ফানুস।
ডারউইনের বিবর্তনবাদ ছিল সমাজ বিজ্ঞানের তত্ত্ব দ্বারা প্রভাবিত। কিন্তু সমাজ বিজ্ঞানের তত্ত্ব দিয়ে উপাদানগত বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা করা যায়না। আসলে ডারউইনের বিবর্তনবাদ হচ্ছে কৌশলগত যুক্তির ধারালো বিচ্ছুরণ। আপাত দৃষ্টিতে যৌক্তিক মনে হলেও বাস্তবতা ঠিক তার উল্টো।
কোন বস্তুর সামনে একটি আয়না ধরলে তার সম্মুখভাগ প্রত্যক্ষ করা যাবে। কিন্তু তার পিছনের অংশ আয়নায় প্রতিফলিত হবে না, কারণ, পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রানুসারে বস্তু থেকে আলো প্রতিফলিত হয়ে চোখে প্রবেশ না করা পর্যন্ত বস্তুটি অদৃশ্যমান থাকবে। ঠিক এই থিওটিই প্রয়োগ করেছেন ডারউইন। তার মতবাদ পর্যালোচনা করলে মনে হয় যে, তিনি বলতে চেয়েছেন আয়নার সামনে দাঁড়ালে আপনার পুরো চেহারা দেখা যায়, কিন্তু পেছনের অংশ যে দেখা যায়না তা তিনিও জানেন, তবে তা তিনি কৌশলগত কারণে এড়িয়ে গেছেন। কারণ,তিনি নিশ্চিত করে কিছুই বলেনি বরং তিনি বলেছেন সম্ভাবনার কথা যা আদৌ বিজ্ঞানের মর্মকথার সাথে মারাত্মকভাবে সাংগরষিক।
১৯৮১ সালে পেঙ্গুইন বুক থেকে প্রকাশিত পেনিক্যাল ক্লাসিক্স সংস্করণ থেকে ডারউইনের “ অন দ্যা অরিজিন অব স্পেসিস” গ্রন্থের একটি বক্তব্য আপনাদের সামনে তুলে ধরলাম।
“ মানুষের উপযোগী পরিবর্তন ঘটে চলেছে সন্দেহাতীতভাবেই। এবং জীবন যুদ্ধের বিরাট ও ব্যাপক জটিলতায় কোন-না-কোন পরিবর্তন কোন-না-কোনভাবে কারো না-কারো জন্যে অধিকতর উপযোগী হয়ে ধরা দিয়ে থাকে। সুতরাং হাজার হাজার প্রজন্মের ধারায় এই রকম কোন অবস্থার সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেয়া যায় কি? বরং সম্ভাবনার ঔচিত্যকেই স্বীকার করে নিতে হবে”।
এখানে ডারউইন নিশ্চিত হয়ে বলেননি। বরং সম্ভাবনার কথা বলেছেন মাত্র। সকল সম্ভাবনা বা ধারণা যে সত্য নয় এটা যেমন সত্য; তেমনি সত্য যে, সম্ভাবনা একটা তত্ত্ব, প্রমাণিত সত্য নয়।
বলা যায়, সম্ভাবনার তত্ত্ব আর প্রমাণিত সত্য এক কথা নয়। আর যা প্রমাণিত সত্য নয় তার উপর নিরঙ্কুশ বিশ্বাস স্থাপন করা বুকামী ছাড়া আর কি হতে পারে?
আসলে বিবর্তনবাদ একপ্রকার গাণিতিক ক্রমিকের অতীত ফসল।
বিবর্তনবাদের হিসেবে এগোলে আজ থেকে ক্রমান্বয়ে অতীতে যেতে হবে। আজকের দিন যদি ১৯ হয় তবে তার আগের দিনের বিবর্তন হিসেবে ১৮ , তারও আগে ১৭ এবং এভাবে ১৬,১৫,১৪.........০(শূন্য )। তার মানে বিবর্তনবাদের তত্ত্ব ০(শূন্য) থেকে শুরু। কিন্তু গাণিতিক নিয়মে শূন্যের আগে -১,-২,-৩,-৪,-৫.................. এভাবে অসীম পর্যন্ত হিসেব করতে হবে। এভাবে অসীমতায় হারিয়ে যাবে বিবর্তনবাদের কর্মযজ্ঞ। অসীমতায় বিবর্তনবাদ এসে নিষ্ক্রিয় হয়ে যাবে কারণ বিবর্তনবাদ অসীমতার সূত্রের ঠিক উল্টো ।
বরং এই অসীমতায় এক সৃষ্টিকর্তার অস্তিত্ব প্রমাণ করছে নিঃসন্দেহে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


