somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ছোটদের রচনা লিখন

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ১:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিষয়ঃ বাংলাদেশের রাজনীতি

আমাদের দেশে দুটি রাজনৈতিক বড় নেত্রী আছে। একটা হল শেখ হাসিনা আরেকটা হল বেগম খালেদা জিয়া। শেখ হাসিনার দলের নাম হল আওয়ামিলীগ আর বেগম খালেদা জিয়ার দলের নাম হল বি এন পি বা বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী দল।

এ দুই নেত্রীর আচরণ প্রায় একই। এক নেত্রীর সাথে আরেক নেত্রীর সম্পর্ক যেন সতীনের মত। কেউ কারো মুখটা পর্যন্ত দেখতে পারে না। সেদিন জাতীয় সংহতি দিবসে ওরা দোজনে একি মঞ্চে বসে থাকা সত্তেও একজন আরেক জনের সাথে কথা বলেনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাকতালীয় ভাবে দোজনেই একই জবাব দিয়েছে।

জনগনের নামে এরা রাজনীতি করলেও জনগনের ক্ষতির কথা এরা কেউ চিন্তা করেনা। নিজের কথাকে জনগনের কথা বলে চালিয়ে দেয় আর সামান্য কারনে হরতাল বা আন্দোলন ডাকে।

আর এরা মিথ্যা কথা বলে বেশি। ১০০টা কথার মধ্যে ৬০টা কথা ই বলবে মিথ্যা। গতবার যখন আওয়ামিলীগ ক্ষমতায় ছিল, তখন এরা ক্ষমতা ছারার আগে সংষদ এ বলেছিল আমরা বিরোধি দলে গেলেও হরতাল করবো না। কিন্তু বিরোধি দলে গিয়ে আবার সেই হরতাল শুরু করলো।

ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যে দলটি দেশের বিদ্যুত সমস্যা দেখে বলেছিল আমরা ক্ষমতায় গেলে বিদ্যুত সমস্যার সমাধান করবো। কিন্তু ক্ষমতায় এসে দূর্নিতিতে আক্রান্ত হয়ে গেল এরা। এই বিদ্যুত খাত থেকে কোটি কোটি টাকা আত্বশ্বাত করেছে। ফলে বিদ্যুত খাতে কোন উন্নয়ন হলনা বরং অবস্থা আরো খারাপ হল।

উভয় নেত্রীই বলে তারা দেশের শান্তি চায়। কিন্তু কথার সাথে এদের কাজের মিল নেই। কেউ ক্ষমতায় গিয়ে সন্ত্রাসী বানায়, সাথে বানায় সন্ত্রাসী বাহিনি। আবার কেউ করে দূর্নিতি।

বাংলাদেশের জনগন এই দুই দল ছারা অন্য কোন দল খুজছে। যে দলের প্রধান থাকবে পুরূষ। কারণ এই দুই মহিলার সতীনের মনোভাব কখনো যাবে না। সারা জীবন এভাবে চুলো চুলি করবে এরা। তবে এল ডি পি বা আধা পাগল এরশাদের জাতীয় পার্টিকেও আমার মনে হয় মানুষ চায়না।

নির্বাচনের দিন ভোট না দিতে পারলেও টিভিতে নির্বাচনের খবর দেখবো। দেখবো কে জয়ী হয়।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৬ রাত ২:০৪
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ অবস্থার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ-পর্ব ২

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০১


বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ: মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর রেমিট্যান্স কৃষিভিত্তিক শিল্পায়ন ও টেকসই উন্নয়নের বিকল্প কৌশল
একটি অর্থনৈতিক ও ভূ-রাজনৈতিক ফিজিবিলিটি স্টাডি ।

একটি ধারাবাহিক গবেষনামুলক পোস্ট
[link|https://www.somewhereinblog.net/blog/ali2016/30393976|প্রথম পর্বে থাকা গবেষনাটির পটভুমির লিংক – পর্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:০৩



আমরা ইতিহাসের ছিন্নপত্র...

২০১০, এক-এগারোর পর থেকে ৩৬ জুলাই পর্যন্ত- যারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে রাজপথে দাঁড়িয়েছিল, যারা গুম, নির্যাতন, কারাবাস, মামলা, চাকরি হারানো, পরিবার ভেঙে যাওয়া- সবকিছুর মূল্য দিয়েছে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ তিনটি পলায়ন দৃশ্যঃ-

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:০৩

আমার জীবনে দেখা শ্রেষ্ঠ তিনটি পলায়ন দৃশ্যঃ-



(১) ৫ আগস্ট ২০২৪, সেনা তত্বাবধানে শেখ হাসিনার চপ্পল পড়ে দৌড়ে হেলিকপ্টার যোগে পলায়ন দৃশ্য
"১২০৪ সালে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীর ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ০৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫৭


আজ দেশজুড়ে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালিত হচ্ছে। ২৪ -এর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের বিভ্ন্নি সময়ে বহু নিরীহ প্রাণ অকালে ঝরেছে। আবু সাঈদ, মুগ্ধ ছাড়াও নাম জানা-অজানা হাজারো ব্যাক্তি তাদের প্রাণ হারিয়েছেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

তেহরানের ছায়া কি এখন ঢাকা সেনানিবাসে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৩:০১


সোমবার সকালে জলসিঁড়িতে একটা অনুষ্ঠান হলো। ফিতা কাটা, ফুলের তোড়া, বক্তৃতা, ক্যামেরার ফ্ল্যাশ, স্বাভাবিক একটা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা যা থাকে সবই ছিল। সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান নিজে হাজির, পাশে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×