[বি:দ্র: দেশে ইমারজেন্সি আইন আছে বলে আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে এই লেখাটি বর্তমান সরকারের বিপক্ষে, আসলে আমার উদ্ধেশ্য তা না। তার পরেও যদি কর্তৃপক্ষের কাছে লেখাটি ইমারজেন্সি আইন ভঙ্গ হয়েছে বলে মনে হয়,তাহলে পোষ্টটি মুছে দিতে পারেন। এতে আমার কোন আপত্বি থাকবে না।]
শুরুটা ভালই মনে হচ্ছিল এই সরকারের। সবাই এই সরকারের কার্যক্রমকে বাহ বাহ দিচ্ছিল। কিন্তু সরকারের বর্তমান কিছু কার্যকলাপের কারণে মানুষ এখন আর বাহ বা তেয় না বলে সরকারেআমার মনে হচ্ছে। দূর্নীতি আমাদের দেশে একটি মারাত্বক সমস্যা। এটা সমাধানের উদ্ধোগকে সাগত অবশ্যই জানাতে হবে। হ্যা মানুষ সরকারের এই শুদ্ধি অভিযানকে স্বাগত ও জানিয়েছিল।
সরকারের সাম্প্রতিক কিছু কার্যকলাপ কে আমার কাছে অদূর দর্শি বলে মনে হচ্ছে। সরকার চাইছে দেশ থেকে একেবারে দূর্নীতি নির্মূল করতে। যা এত সহজেই সম্ভব নয়। একজন মদ্যপায়ী কে যদি মদের সাথে সাথে সিগারেটও খেতে না দেয়া হয় তাহলে হীতে বিপরীত হতে পারে।
দেশ থেকে হঠাত্ত করে দূর্নীতি উঠিয়ে দেয়াটার পদক্ষেপটা আমার কাছে অমূলক মনে হচ্ছে। ভাল ভাল মানুষ বা সন্দেহ জনক কাউকে জেলে বন্দি করে তত্ব নেওয়া , জেরা করা। এসব করে যদিও দূর্নীতি নির্মূল করা যায়, তবুও এই নির্মুল কোন দীর্ঘ মেয়াদি ফল বয়ে আনবে না বলে আমার মনে হচ্ছে।
জলিল আংকেলকে আটক করা হয়েছে, আমি নিশ্চিত্ত মান্নান আংকেলকেও আটক করা হবে আজ না হয় কাল।
সন্দেহ হচ্ছে হয়তো কোন একদিন শুনবো হাসিনা বা খালেদাকে আটক করা হয়েছে।
মইনুল ইসলাম নিজেও বলেছেন, যাদেরকে আটক করা হয়েছে তাদের সবাইকে দূর্নীতির অভিযোগে আটক করা হয় নাই। কাউকে তত্ব নেওয়ার জন্যও আটক করা হয়েছে।
রাজনীতি থেকে পরিবার তন্ত্র দূর করার জন্য উপদেষ্টার পরামর্শ তো দেশের বড় দুইটি দলই উড়িয়ে দিয়েছে। হয়তো সে লক্ষ বাস্তবায়নের উদ্ধেশ্যে এই সরকার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।
আরো কিছু নেতাদের আটক করার পরেই ঘরোয়া রাজনীতি উঠানো হবে। এত সব সংঘটনের আহবান আর নির্বাচন কমিশনারের আহবান করতে করতে বিরক্তিতা এই সরকারের কানে যাচ্ছে না আর যাবেও না।
আরেকটা সংকট দেশের জন্য অপেক্ষা করছে। অবস্থার প্রেক্ষিতে তাই মনে হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







