
রায় শোনার জন্য প্রায় শ’ খানেক মানুষ ঘন্টার পর ঘন্টা আদালতের বাইরে অপেক্ষা করে। রায় শোনার পরপরই জর্ডান মোনাগহান নামের এক অংশগ্রহণকারী তৎক্ষণাৎ তার মাকে ফোন করে সুখবরটি জানান। মোনাগহান ফোনে তার মাকে বলে, ‘মা! আমি এখন সুপ্রিম কোর্টে। তোমার ছেলে এখন অন্যের বউ হতে পারবে।’
বিচারপতি অ্যান্থনি কেনেডি তার রায়ে জানান, বিবাহ সবার জন্যই একটি সাংবিধানিক অধিকার, তাতে বেশিরভাগ মানুষই একমত হয়েছেন। আদালতের মুক্তমনা আরও চারজন বিচারকের মতের প্রেক্ষিতে তিনি লিখেন, ‘কোনো সম্পর্কই বিবাহ অপেক্ষা গাঢ় নয়।’ যুক্তরাষ্ট্রে এখনও সমকামী (বিশেষত ছেলে-ছেলে) সম্পর্ক নিষিদ্ধ ছিল। বিবিসির সংবাদকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রায় ঘোষণার পরপরই অপেক্ষারত উত্তেজিত জনতা উচ্চ কলরবে মুখর করে তোলে আদালত প্রাঙ্গণ।

রায়ের পরপরই ডেমোক্র্যাট দলের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী হিলারি ক্লিনটন তার টুইটার অ্যাকাউন্টে ‘গর্বিত’ লিখে টুইট করেন। আর হোয়াইট হাউজও তাদের টুইটার পেজে রংধনু সম্বলিত হাউজের ছবি পোস্ট করে। প্রেসিডেন্ট ওবামা এ রায়কে ‘আমেরিকার জন্য বিজয়’ বলে অভিহিত করেছেন। “ সব মার্কিন নাগরিককে সমান দৃষ্টিতে দেখা মানেই আমরা সবাই আরো বেশি স্বাধীন”, বলেন তিনি। এদিকে অনেক খ্রিস্টান রক্ষণশীলই এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করেছেন। রিপাবলিকান দলের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী আরকানসাস প্রদশের সাবেক গভর্নর মাইক হাকাবি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই বিচার বিভাগীয় এই স্বৈরশাসন প্রতিহত ও প্রত্যাখ্যান করা উচিত।’
আমার মতে আমেরিকার মতো উন্নত দেশে; বিচার বিভাগীয় প্রধানদের এই ধরনের বিয়ের জন্য সরকারি বৈধতা প্রদান কখনোই সুস্থ মানসিকতার পরিচায়ক হতে পারেনা, আর এই বিয়ের ভবিষ্যৎই বা কি? সমকামীরাতো এই বিয়ের মাধ্যমে তাদের সন্তানও জন্ম দিতে পারবেনা! এই ধরনের জুটিদের লিভ টুগেদারের বৈধতাই কি যথেষ্ঠ ছিলনা? এই ব্যাপারে আপনাদের সকলের মতামত আশা করছি।
তথ্য সূত্র: দৈনিক আমার দেশ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


