ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটার জন্য হলুদ গোলাপের তোড়া আনে হয়ত লাল গোলাপ দেওয়ার সাহস পায় না।
ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটাকে আড়চোখে দেখে হয়ত সরাসরি তাকানোর সাহস হয়না।
ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটার গমন পথের দিকে তাকিয়ে থাকে হয়ত পিছন থেকে ডাকার সাহস পায় না।
ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটার একটা ম্যাসেজের আশায় বসে থাকে হয়ত নিজ থেকে মেয়েটিকে ম্যাসেজ দেওয়ার সাহস হয় না।
ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটাকে নিয়ে ভাবে হয়ত মেয়েটিকে তা বলতে সাহস পায়না।
ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটিকে নিয়ে হাজারো দুঃস্বপ্ন দেখে হয়ত সাবধানে যেও এই কথাটা বলার সাহস হয়না।
ছেলেটা প্রতিদিন বদ্ধ ঘরের মধ্যে মেয়েটিকে না পাওয়ার কষ্টে ভুগতে থাকে হয়ত এই কষ্টটা মেয়েটিকে দেখাতে সাহস পায়না।
ছেলেটা প্রতিদিন মেয়েটিকে একটু একটু করে অনেক ভালোবাসতে থাকে হয়ত মেয়েটিকে ভালোবাসতে বলার সাহস যুগে না।
কিন্তু ছেলেটা একদিন হঠাৎ সাহসী হয়ে ওঠে।খুব সাহসী।এইবার সে মেয়েটিকে সব বলতে চায়।বলতেও যায় এবং সব বলেও দেয় তবে মেয়েটিকে নয় তার লাশকে।হ্যা মেয়েটি তখন না ফেরার দেশে।নীল আকাশের কোণে মিটমিটে জ্বলা শুক তারা রূপে।
(সন্ধ্যার নীলারোণ্য)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ৮:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



