চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আচরণবিধি মানা হচ্ছে কিনা তা তদারকির জন্য একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভিডিও ক্যামেরা রাখার ব্যবস্থা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সমর্থিত এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ও বিরোধী দল বিএনপি-জামায়াত সমর্থিত এম মনজুর আলমের ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
শনিবার থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার মুহাম্মদ ছহুল হোসাইন সাংবাদিকদের বলেন, এর আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় এই দুই প্রার্থীকে সতর্ক করা হয়েছে।
বুধবার নির্বাচন কমিশনের এ সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, "আগামীতে যাতে আর আচরণবিধি ভঙ্গ না হয় সে জন্য এই তদারকির ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।"
ছহুল জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর করতে প্রয়োজনে অন্য প্রার্থীদের সঙ্গেও ম্যাজিস্ট্রেট ও ভিডিও ক্যামেরা দেওয়া হতে পারে।
তিনি বলেন, "এ পর্যন্ত মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা নির্বাচন বিধি অনুসরণ করায় কমিশন সন্তোষ প্রকাশ করেছে। আশা করছি, আগামীতেও এ ধারা অব্যাহত রাখবেন তারা।"
আগামী ১৭ জুন চট্টগ্রাম নগর সংস্থার নির্বাচন হবে।
এবার মেয়র পদে প্রার্থী আটজন। আর ৪১ ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলরসহ মোট কাউন্সিলর প্রার্থী ৩০৮ জন।
নির্বাচন কমিশনার আরো জানান, নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থী ও ভোটারদের আচরণবিধি অনুসরণে বৃহস্পতিবার ২০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত করা হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরো ২১ জন নিয়োজিত করা হবে।
ছহুল জানান, যেখানে নির্বাচনী আচরণ বিধির লঙ্ঘন দেখবেন সেখানেই তাৎক্ষণিক শাস্তির ব্যবস্থা করবেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। তারা দোষীকে ছয় মাস থেকে দুই বছর পর্যন্ত জেল ও অর্থদণ্ড করতে পারবেন।
এছাড়া ভোটের দিন ৪১টি ওয়ার্ডে নির্বাচন পরিস্থিতির নানা চিত্র ধারণ করতে অন্তত এক ডজন ভিডিও ক্যামেরা রাখা হবে বলেও তিনি জানান।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


