দশটি বছর পর যখন তাকে দেখলাম জাতীয় দৈনিকের সংকীর্ণ খুপরীর ভেতর
তাঁর কাধের ঝুলে থাকা লিকলিকে চামড়ায় বহু ইতিহাসের মানচিত্র __
থোড়া লাগা চুল, হলদু দাঁত, হাতের মুষ্ঠি ঘিরে রোগা আঙ্গুলের মন্থরগতি __
তাঁকে দেখে আমার কেমন যেন ভয় লাগলো __এই দশটি বছরে কোথায় ছিলেন
এই তুখোর কবি __ তার কবিতার শব্দে ছিলো ভরা বর্ষার উচ্ছলতা, পরিপুষ্ট
শব্দের বিনুনি। আজ কবি কেমন মুটিয়ে গেছেন, এত অল্প সময়ের ব্যবধানে কে
তাঁকে এমন বিবর্ণ ঝরাপাতাদের মতোন দীর্ঘশ্বাসের কাব্য করে দিয়ে গেলো?
তাকে সালাম ঢুকলাম__তিনি আমাকে চিনতে পারলেন না। বিরুপ ভাবনায়
মনে করলেন : হয়তো দস্যু ঢুকেছে তার কামরায়__কী চাই? কারে চাই ? বলে
আরো কত কিছু বললেন। অধীর দৃষ্টিতে শুধু তাকিয়ে থাকলাম __এই চেনা মানুটির
দিকে যে আমাকে কত আশ্বাস দিয়েছিলো __কবি হবার সূত্রাবলি শিখাতে চেয়েছিলো
সেই কবির কামরা থেকে যখন প্রস্থান করছি__কবি হয়তো চিনলেন, ততক্ষণে তাঁর
সংকীর্ণ কামরার করিডোর পার হয়ে নেমে গেছি আর কে মিশন রোড,.....
১৮.০৩.২০১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





