মৎস ভবনের সামনে দিয়া হেটে জাচ্ছি, খুব গরম পরায় খারাপ লাগছিলো ্ভিতরের রাস্তা দিয়ে কিছুদুর আগালেই শিল্পকলা ,সেখানে ১টা ফাস্ট ফুডের দোকান দেখে ঢুকলাম ঠান্ডা কিছু খাবো, ঢুকেই দেখি অনেক গুলো মেয়ে সেখানে স্কুল ড্রেস পড়া, তারা ও কিছু খাচ্ছে...।।
আমাকেই দেখেই সবার মদ্ধে ১টা আনন্দ বয়ে গেলো, বলা যায় আমাকে দেখে সবাই আনন্দ পেলো , বুজতে পারলাম সবার মদ্ধে ১টা চাপা হাসি দেখে । বলা বাহুল্য যে ২ দিন হল আমি আমার মাথা টা নেরা করেছি, আনন্দ পাওয়ার কারনটা যে সেটা আমার বুজতে বাকি রইলনা...। যাক সেই দিকে খেল না করে ১টা স্প্রাইট কিনে খাচ্ছিলাম, কিচুক্ষন পর সুনতে পেলাম চিকন সুরে কে যেন বলছে এই বেল , বেল, বেল...।। পাত্তা দিলাম না,
এবার দেখি রিতি মতো কবিতা পরতেছে বেল মাথা চাইর আনা, চাবি দিলে ঘুরে না...।। বুজলাম ,,সব গুলাই সয়তানের খালাতো বইন...।। ১টা কিছু করা দরকার , চুপচাপ থাকলাম কিছুক্ষন , তার পরই হটাত করে তাকালাম পেছনের দিকে, সুধু ঘাড় টা ঘুরালাম কাউকে টারগেট না করেই তাকিয়ে রইলাম পুরো গ্রুপটার দিকে প্রায় অনেক্ষন...।। এরপর দিলাম আসল টনিক ডান গালটা বাকা করলাম হাসির মতো করে ,, ভাবলেশ মারকা হাসি এই হাসিতেই মানুষ জন ভোরকে যায় ,
এভাবেই রইলাম বেস কিছুক্ষন ......।।
বাহ টনিকে ভালো কাজ দিলো সব কয়টা ভয়ে চুপসে গেলো...।।
এবার উঠে দারালাম ১পা ১পা করে আগাতে থাকলাম মেয়ে গুলর দিকে,
ভয়ে তো বেচারা গো অবস্থা খারাপ, ১টা তো বলেই ফেলল ভাইয়া আমি কিন্তু কিছুই বলি নাই...। তারপর ও আগাচ্ছি, এবার মেয়ে গুলো কে ক্রস করে পানির ফিল্টার থেকে পানিও খেলাম, এরপর বিল দিয়ে বেরিয়ে চলে আসলাম......।। পেছনে আর ফিরে তাকালাম না...।।
খুব হাসি পাচ্ছিলো বেচারাদের করুন চেহারা মনে করে.........।। উত্তম শিক্ষা দিলাম আর কোন দিন ও কাওকে বেল বেল বলবে না...।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।






