somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কামলাচরিত ০২

২৬ শে জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যতই দিন যাইতেছে ততই নিজেরে আখ বইলা মনে হইতেছে। আখ যেমন চিপ্পা রস বাইর করা হয় অফিসও তেমন আমারে চিপ্পা সব তেল বাইর কইরালাইতেছে।

সপ্তাহে মাত্র ২ দিন ছুটি দেয়। এর বাইরে ছুটি চাইতে হইলে নাকি অ্যাপ্লিকেশন করন লাগব। এইটা কেমন কথা, আমরা কি এই স্বাধীনতা চাইছিলাম!!!?? দুপুরে আমার খালি ঘুম আসে অথচ অফিসে কোথাও ঘুমের কোন এন্তেজাম নাই। বইসা একটু ঝিমাইতে নিলেই আৎকা সুপারভাইজার কাম নিয়া হাজির হয়। ঘুম চোখে কামের কথা শুনলেই আমার মেজাজ দ্যুলোক-ভূলোক ভেদ করিয়া আকাশে উইঠা যায়। সুপারভাইজার যেসব কামের কথা বলে তা আমার এক কান দিয়া ঢুইকা আরেক কান দিয়া বাইর হইয়া যায়, মাথা পর্যন্ত যায় না। মাথায় ঘুরতে থাকে টুম্ব রাইডার, অ্যাসাসিনস্ ক্রীড, ফিফা। প্রতিদিনই সকালে ঘুম থেইকা উইঠা অফিসে দৌড়ানো লাগে। কিন্ত মাত্র ২৫-৩০ মিনিট দেরী করলেই উপস্থিতির খাতায় আমার সাইন করার জায়গায় লাল দাগ দিয়া রাখে। উহাদের কাছে আমার দেরী করাটাই বড় হইয়া গেল অথচ আমি যে সকালের মধুর ঘুমের সাথে ব্রেক আপ কইরা অফিস জিয়ারত করলাম সেইটা কিছুই না। উহারা এমন নাস্তিক।

ছুডুবেলায় বাপে কইছিল, “পড়াশুনা ভাল না লাগলে বলিয়া দাও গ্রামে পাঠাইয়া হালচাষের বন্দোবস্ত করিয়া দেই”। পড়াশুনা ভাল না লাগলেও কষ্ট কইরা করছিলাম, ভাবছিলাম কষ্ট করলে কেষ্ট পামু। মাগার কেষ্টর নামে পাইলাম আইক্কাওয়ালা বাঁশ। এখন মনে হয় ঐ সময় বাপের কথামত কাম করা উচিত আছিল। মুরুব্বীদের কথা না মানলে যে খাড়ার উপর লস্ খাওয়া লাগে তা আগে বুঝি নাই।

আখের ছোবড়া হইতে আর কয়দিন বাকি জানি না তবে প্রতিদিন সকালে ঘুম থেইকা উইঠা অফিসে দৌড়ানোর টাইমে নজরুলের ভাষায় সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি, দাও শৌর্য দাও ধৈর্য্য হে উদার নাথ, দাও প্রাণ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:৩২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকের ডায়েরী- ১৯৬

লিখেছেন রাজীব নুর, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:১৪



আমাদের এলাকার এক কসাই একটা উট এনেছে।
উট নিয়ে তার লাফালাফির শেষ নেই। খলিল কসাইয়ের চেয়ে বেশি লাফালাফি করছে ইউটুবাররা। ইউটুবাররা নিজেদের সাংবাদিক ভাবতে শুরু করেছে। প্রচন্ড ছেচড়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে “উপজাতি” নাকি “আদিবাসী”? আন্তর্জাতিক আইন ও ইতিহাসের নির্ভেজাল সত্য!​

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:২৭


সূচনা ও প্রেক্ষাপট:
লেখক পার্বত্য চট্টগ্রামে ২০০১ সালে তিনি যখন সেখানে দায়িত্ব পালন করেন, তখন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীকে 'উপজাতীয়' (Tribal) হিসেবে ডাকা হতো। কিন্তু ২০১৫-১৬ সালের দিকে সেখানে পুনরায় পোস্টিং পাওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

হঠাৎ কেন ঢাকায় র প্রধান?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:২২


দিল্লী দখল ঠেকাতে ঢাকায় চলে এলেন র প্রধান!

হ্যাঁ, ঠিকই শুনলেন। ক'দিন ঐ র‍্যাডিসন ব্লুতে বসে অনেকের হাতে-পায়ে ধরলেন; বললেন, "তোমরা প্লিজ দিল্লী আক্রমণ করো না। আমাদের মিসাইল, অস্ত্র সব... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেবী!

লিখেছেন করুণাধারা, ১১ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৯:৩৩



১)
দেবী খুবই বুদ্ধিমতী এবং সুন্দরী। এক উচ্চাভিলাষী পরিবারে দেবীর জন্ম, এমনই উচ্চাভিলাষী যে তাদের একমাত্র ভাবনা কীভাবে সবাইকে ছাড়িয়ে উপরে ওঠা যায়! দেবীর যখন জন্ম হলো তখন তার ভাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

র-প্রধানের ঢাকা সফর: খবর শুনেই হাসপাতালে ভর্তি পাকিস্তানের হাইকমিশনার !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:১৭


রসিকতা বাদ দিয়ে বলি, দুটি ঘটনাই সত্যি। বাংলাদেশে RAW এর প্রধান পরাগ জৈন এসেছেন এবং পাকিস্তানের হাইকমিশনার এখন হাসপাতালে আছেন। দুটি ঘটনা আসলে পরস্পরবিচ্ছিন্ন, একটার সঙ্গে আরেকটার কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন

×