একটি অতি-জটিল প্রকৃতির লিখা। যাদের মন “কচি-পাতা,ভালবাসা” অবস্থা তাদের দূরে থাকাই সমীচীন।
লিখাটি শুরু করার পূর্বে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখা অতীব জরুরী। বলা যায় এই দুইটি বিষয় মূল লিখার শানে-নযুল।
বিষয় ১ঃ
প্রথমটি হল একটি ইতিহাস বিখ্যাত “হেঁয়ালি” বা “প্যারাডক্স” (আপনি সব বিষয় সম্পর্কে জানবেন না এটাই স্বাভাবিক। “প্যারাডক্স” বলতে কি বোঝায় জানতে গুগল করতে পারেন।)১৯৫০ সালের দিকে নোবেলজয়ী ইতালীয় পদার্থবিদ এনরিকো ফার্মি একবার কথায় কথায় মন্তব্য করেন, “মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সিতে প্রাণ যদি এতই সহজলভ্য হবে, তবে কেন এখনো কোন গ্রহান্তরের মহাকাশযান অথবা স্পেসপ্রোব দেখা যায় নি। মহাবিশ্বের বয়স এবং এতে অবস্থিত বিপুল পরিমাণ তারকারাজির সংখ্যা নির্দেশ করে যে, পৃথিবীর মতো গ্রহ যদি সাধারণ হয়, তবে বহির্বিশ্বিক প্রাণও তেমনই স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। যদি ভ্রমণ অপেক্ষাকৃত কঠিন হয়ও, কিন্তু প্রাণ তো আছে, তবে কেন আমরা কখনোই পৃথিবীর বাইরে বুদ্ধিমান প্রাণীদের কোন রেডিও ট্রান্সমিশন ধরতে পারিনি? ”সহজ কথায়, প্রবাবিলিটি অনেক কিন্তু রিয়ালিটি শূন্য এটাকেই ফার্মির প্যারাডক্স বলে।
বিষয় ২ঃ
দ্বিতীয় বিষয়টি হল “মাত্রা” বা “ডিমেনশন”। আমার আগের লিখা যারা কম বেশি পড়েছেন তাদের এই মাত্রা বা ডিমেনশন সম্পর্কে কম বেশি ধারনা থাকার কথা। যাহোক, আমরা বাস করি ত্রি-মাত্রিক পৃথিবীতে। বিজ্ঞানী আইন্সটাইন তার থিওরি অফ রিলেটিভিটিতে আরেকটি মাত্রার ধারনা দিয়েছেন। ৪র্থ মাত্রা টিকে তিনি বলেছেন “স্পেস-টাইম” বা “সময়”। ঐ প্রসঙ্গে আর না যাই, ৪র্থ মাত্রা সম্পর্কে কারো জানার আগ্রহ থাকলে গুগল করুন।
দ্বি-মাত্রিক জগত নিয়ে কথা বলা যাক। প্রথমেই বোঝার সুবিধার্থে দ্বি-মাত্রিক জগতের একটি নাম দেয়া যাক। ত্রি-মাত্রিক জগতের নাম যেহেতু “পৃথিবী”, দ্বি-মাত্রিক জগতের নাম দেয়া যাক “থিবী”। দুইটি মাত্রার একটি দৈর্ঘ্য ও একটি প্রস্থ। “থিবী” তে যারা বসবাস করে তাদের কাছে “উচ্চতা” বলে কিছু নেই। সব চিড়ে-চ্যাপ্টা টাইপ। থিবী’র বাসিন্দাদের কাছে এটাই স্বাভাবিক। তারা মাঝে মধ্যে ভিন্ন জগতের বাসিন্দাদের নিয়ে চিন্তা করে কিন্তু কোন ভাবেই তা ত্রি-মাত্রিক ছাঁচে পরে না। কারণ থিবীর বাসিন্দারা থিবীর বাসিন্দাদের মতই ভিন-জগতের বাসিন্দাদের চিন্তা করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

