
জামেয়া কাসেমিয়া মাদ্রাসা, তাদের ওয়েব হোম পেইজে লিখা আছে, "চারিত্রিক ও নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের যুগে দ্বীনি ও আধুনিক শিক্ষার সমন্বয় সাধন করে নির্ভেজাল তাওহীদ, তাকওয়া ও যোগ্যতার সংমিশ্রণে জাতিকে সঠিক দিক-নির্দেশনা দানকারী একদল সৎ, আল্লাহভীরু আলেম তৈরির মহান ব্রত নিয়ে ১৯৭৬ সালে জামেয়া কাসেমিয়ার শুভ সূচনা। মুহ্তারাম অধ্যক্ষ সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরীর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে একদল দেশবরেণ্য আলেমে দ্বীনের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় হাঁটি হাঁটি পা পা করে লক্ষ্যপানে সুদৃঢ় পদক্ষেপ ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে চলছে দেশের অন্যতম এ শ্রেষ্ঠ দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জামেয়া কাসেমিয়া।"
লজ্জা, ছিঃ! কি লজ্জা। এমন একটি সুনামধারী প্রতিষ্ঠান যাদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করছে তারা তো আল্লাহভীরু নয় বরং তাদের কর্মকান্ড দেখে মনে হচ্ছে তারা ভন্ড, পয়সা এবং পসার ছাড়া আর কিছু চাওয়ার নেই। তানাহলে মসজিদে কেমন করে সুন্নত বেশ ধারী টিভি হুজুরেরা মানুষের ছবি টানিয়ে শোর করে ?
আমার ব্যাক্তিগত ধর্মীয় জ্ঞান খুব সামান্য, তবে হালাল-হারাম সম্পর্কিত সামান্য জ্ঞান আছে । কেউ নামাজ রত অবস্থায় উচ্চস্বরে পবিত্র কোরানপাঠ করা অনুচিত যখন পাসে কেউ নামাজ আদায় করছে । একদা মহানবী (সাঃ) দেখলেন, লোকেরা নামাযে জোরে-শোরে কুরআন পাঠ করছে। তিনি বললেন, “মুসল্লী (নামাযী) তো আল্লাহর সাথে চুপিসারে কথা বলে। সুতরাং কি নিয়ে তাঁর সাথে কথা বলছে তা লক্ষ্য করা দরকার। আর তোমরা এমন উচ্চস্বরে কুরআন পড়ো না, যাতে অপরের নামাযে ব্যাঘাত ঘটে।” (আহমাদ, মুসনাদ, মিশকাত ৮৫৬নং)।
এতটাই সাবধানে পবিত্রতা রক্ষা করতে হয় মসজিদের ।

আর আজ আমদের কাঠমোল্লা গন, সার্টিফিকেটধারী মোল্লাগন মসজিদের মিম্বরে ছবি টানিয়ে , মানুষের ছবি টানিয়ে শোক প্রকাশ করছে ।
তাহলে তাদের থেকে নেয়া অতীত শিক্ষা গুলো কী যাচাই করে নেয়া উচিত নয় ? তারা কি শত্রু নয় পবিত্র সত্য ধর্মের ?
নিজে সরাসরি পবিত্র কোরান এবং হাদিস পাঠ ছাড়া এসকল মুরতাদ হয়ত মুনাফিকের কাছে যাওয়া কতটা শ্রেয় হবে সেই প্রশ্নাটা থেকে গেলো । মহান আল্লাহ আমাদের হেফাজত করুন ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।
