শিশু, শৈশব, কৈশর, যৌবন ও বৃদ্ধ- জীবনের চরম সত্যময় সাইক্লেলিং । জীবনের ভিত্তি স্থাপিত হয় কৈশর ও যৌবনে। কর্মজীবনে কে কি হবে তা নির্ধারিত হয় প্রত্যেকের ছাত্র জীবনে। কর্মজীবনে যে যা হতে পারতো বাস্তবে তা হতে পারেনি সঠিক পথ নির্দেশনার কারনে এমন নজির বহু দেখা যায় আমাদের কর্মময় জীবনে। তেমনি পথনির্দেশানার শীকারে আজ আমি পুলিশ। হয়তো প্রশ্নআসে তাহলে আমি কি হতে চেয়েছিলাম বা কি হতে পারতাম। হ্যাঁ আমি হতে চেয়েছিলাম সাধারণ একজন মানুষ যাকে সবাই মানুষ বলে চিনবে জানবে। কিন্ত আজ আমি হয়েছি পুলিশ যেন পৃথিবীর কোন আজব চিড়িয়াখানার অদ্ভুদ চিড়িয়া। তবে আজ আমার অবস্থান থেকে আমার কোন আক্ষেপ নেই। আমার যা যোগ্যতা তাতে এরকম একটা পদ পাওয়া যেন মঙ্গল গ্রহের কোন আশ্চর্য বন্তু। বর্তমানে এই পদ আমার সোনার বাংলায় সোনা দিয়েও পাওয়া যায় না। আমার তখন খুব খারাপ লাগে যখন আমার কোন জাতিভাইয়ের কলঙ্কের বোঝাটা আমার ও বইতে হয়। সভাবতঃ আমরা ব্যাক্তিকে ব্যাক্তি দিয়ে বিচার করিনা বিচার করি গোষ্ঠি দিয়ে। এক মায়ের দশ সন্তান হলে দশজনই যে ভাল হবে সেটা ভাবা যায়না। এর মধ্যে কেউ কেউ লোভী দুঃশ্চরিত্র হতে পারে। কিন্তু আমরা পুরো পরিবারটিকে বিচার করি দুই একজন খারাপ সদস্যকে দিয়ে। আবার কেউ মনে করিয়েন না যে আমি নিজেকে/ নিজেদেরকে সাধু হিসাবে জাহির করার মন্ত্র নিয়ে আপনাদের খোলা জানালায় উকি মারছি। দেশের একশটি কণ্ঠ যদি আমাকে খারাপ বলে সেখানে আমি যদি পলটনে মহাসমাবেশ ডেকে বলি আমি/ আমরা ভাল সেটা কি নাটকের মঞ্চায়ন নয়?
চলবে----
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


