যখন প্রাইভেট ভার্সিটির আন্দোলন হলো তখন এই সেক্টরের বাহিরের অধিকাংশ মানুষ এই দাবীকে সমর্থন করতে পারেনি। যুক্তিতে তারা দেখানোর চেষ্টা করেছে এতো টাকা পড়াশুনায় খরচ করতে পারলে ভ্যাট দিতে অসুবিধা কোথায় ?
তবে বেশির ভাগ শিক্ষার্থীর মৌন সমর্থন ছিল। খাদ্য বস্ত্র বাসস্হান চিকিত্সা শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। আর মৌলিক অধিকার ভ্যাট বসানো যুক্তি যুক্ত না। এইসব মানুষ গুলোর যুক্তি খন্ডনে অনেকে বলার চেষ্টা করেছে বড় বড় ডিপার্টমেন্টাল স্টোর থেকে খাদ্য ক্রয় শপিং মল থেকে পোশাক কেনায় এবং বাসস্হানের জন্য দামী কাঁচামাল আনায়নে যদি ভ্যাট দিতে পারে তবে কেন উচ্চ শিক্ষা গ্রহনে ভ্যাট দিতে অস্বীকৃতি। প্রত্যেক আন্দোলনেই পক্ষে বিপক্ষে অনেক সমর্থন পাওয়া যাবে। তবে সর্বোপরি কথা হলো প্রাইভেট ভার্সিটির শিক্ষার্থীরা তাদের আন্দোলনের মাধ্যমে দাবী আদায়ে সাফল্য অর্জন করতে পেরেছে।
.
এবার মেডিকেলে ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা তাদের দাবী আদায়ে ঐক্য বদ্ধ। যদিও তারা সকল জানে চান্স হয়ত সবাই পাবে না। তারপরও অন্যায় মেনে নিবেনা বলেই আন্দোলন। বিভিন্ন সময় সরকারের সেচ্ছাচারী সিদ্ধান্তে অনেকেই আন্দোলন করছে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে ভাগ হয়ে। ভ্যাট প্রশ্নফাঁস বেতন বৈষ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। কিন্তু এই দল গুলো যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল অন্যায়ের বিরূদ্ধে দাঁড়াতে পারতো তবে দেশটা অনেক সুন্দর হতো। নিজ স্বার্থে আঘাত আসলেই সবাই আন্দোলন করে তার আগে নয়। যেমন আমি আজ বসে আছি। হয়ত আমার স্বার্থে আঘাত আসলে কাল আমিও আন্দোলন করবো। আমার মত অনেকেই আছে। তার আগে কি আমরা জাতীয় স্বার্থে সকল দুঃশাসন এর বিরূদ্ধে এক হতে পারিনা ?
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



