somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কৃষ্ণপক্ষের বোষ্টমী
এক বোষ্টমী যে কৃষ্ণপক্ষের আধাঁরেই সুর বাধেঁ। তার ইচ্ছা কোন এক শুক্লাদ্বাদশীর দিন চাদেঁর আলোয় সে সুর বাধঁবে... সেই সুরের মূর্ছনায় কারো চোখ ভিজে আসবে...। তবে বোষ্টমীর সেই ইচ্ছা অপূর্ণই থেকে যায়.... কারণ শুক্লপক্ষে যে কৃষ্ণপক্ষের বোষ্টমীর সুর বাধাঁ বারণ।

তবে কেন এ নিত্য জোয়ারভাটা?

৩১ শে মে, ২০২২ রাত ১০:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি সমুদ্রসম, বক্ষে আমি অজস্র জলরাশি ধারণ করি। ভালোবাসা আমার সমুদ্রতটে তেজ কটালের বিশাল ঢেউ এর মতোন আছঁড়ে পড়ে। আমি প্লাবিত হই বারংবার।

আমার মধ্যে ভালোবাসার সুনামী হয়, ঘুর্ণিঝড় হয়, জলোচ্ছ্বাস হয়, আমাকে ভেঙেচুরে দেয়, আমার সমুদ্রতটে গভীরভাবে আচঁড় কাটে। ভালোবাসায় আমি ভেঙেচুরে যাই, সমুদ্রতটের সেই আচঁড়গুলো পরম মমতায় আগলে আগলে রাখি।

তবুও একদিন হঠাৎ করেই সবকিছুর শেষ হয়। সুনামী, ঘুর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসও একসময় শেষ হয়ে যায়। উত্তাল, দুর্বিনীত, উদ্দাম ঢেউ হঠাৎ করেই থেমে যায়। একদম শান্ত, স্থির। যেন কেউ এ পথ কোনদিন মাড়ায়নি, যেন এ সমুদ্রতটে কেউ কখনও ঢেউ তোলেনি, যেন কেউ এ সমুদ্রতট ছুঁয়ে দেখেনি।।

প্রত্যেকবার জোয়ারের পর ভাটা আসে, একদম নিয়ম করেই আসে। এ পর্যন্ত কোন অনিয়ম হয়নি। সত্যি বলছি, আমি কড়িতে গুণে হিসেব রাখি। তেজ কটালের সময় যেই তীব্রতা নিয়ে ভালোবাসার ঢেউ আমার উপর আছঁড়ে পড়েছিল, ঠিক সমপরিমাণ তীব্রতা নিয়েই সেই সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ এর মতোন ছারখার করে দেয়া ভালোবাসায় তীব্র ভাটা পড়ে। ঠিক তেজ কটালের বিপরীতের ভাটা, যেমন তীব্রভাবে ভালোবাসার ঢেউ আমায় ক্ষতবিক্ষত করেছিল, তেমন তীব্রভাবেই ভালোবাসায় ভাটা পড়ে। ভালোবাসা দূরে চলে যায় প্রচন্ডবেগে, যেমনভাবে এসেছিল। কোন ঢেউ আর আছঁড়ে পড়ে না তটে, যেন কোথাও কেউ ছিলনা কোনদিন। আমি সমুদ্রতট থেকে নিজেকে মরুভূমি হিসেবে পাই, যেথায় বিশাল জলরাশি উধাও হয়ে যায় নিমিষেই। আমি পুরনো স্মৃতি হাতড়ে বেড়াই, পুরনো দাগগুলোর উপর যত্নে হাত বুলাই, সেই ঢেউগুলোর বিশালতা মাপার চেষ্টা করি। আমি নিজে নিজেই আওড়াই, " আমি পাইনা ছুঁতে তোমায়, আমার একলা লাগে ভারী"।

আমি তো সমুদ্র হতে চাইনি। আমি চাইনি ভালোবাসা আমার উপর আছঁড়ে পড়ুক, আমি চাইনি আমার সমুদ্রে সুনামী হোক, আমি চাইনি ঘুর্ণিঝড় আমাকে উল্টেপাল্টে দিক, আমি চাইনি আমার সমুদ্রতটে নিত্য জোয়ারভাটা হোক। আমি চাইনি, সত্যিই চাইনি। তবে কেন আমার সমুদ্রতটে এ নিত্য জোয়ারভাটা??




ছবি:গুগল
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মে, ২০২২ রাত ১০:৩৭
৫টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভার্টিগো আর এ যুগের জেন্টস কাদম্বিনী

লিখেছেন জুন, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৯:১৩



গুরুত্বপুর্ন একটি নথিতে আমাদের দুজনারই নাম ধাম সব ভুল। তাদের কাছে আমাদের জাতীয় পরিচয় পত্র ,পাসপোর্ট এর ফটোকপি, দলিল দস্তাবেজ থাকার পরও এই মারাত্মক ভুল কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিমনি মা হয়েছে

লিখেছেন শাহ আজিজ, ১০ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১০:২৩



আজ পরিমনি একটা ফুটফুটে পুত্র সন্তান জন্ম দিয়েছে । বি ডি ২৪ এই খবর ছাপিয়েছে ।
করোনার সময়ে একটি ক্লাবে পরিমনি বনাম ক্লাব মেম্বারদের ঝগড়া ঝাটির সময়ে আমি পরিমনিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কৈফিয়ত

লিখেছেন জটিল ভাই, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:০০


(ছবি নেট হতে)

আউযুবিল্লাহিমিনাশশাইত্বোয়ানিররাজিম।
বিসমিল্লাহিররাহমানিররাহিম।
আসসালামুআলাইকুম।

উপরের মত করে সূচনা যাদের নিকটে বিরক্তিকর মনে হয়, তাদের নিকট ক্ষমা প্রার্থণা করে বলছি,

এভাবে শুরু করার ফলে আমার বিভিন্ন সুবিধা হয়ে থাকে। যেমন ঐ অংশটা লিখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাপিত জীবনঃ কি যাতনা বিষে বুঝিবে সে কিসে কভু আশীবিষে দংশেনি যারে।

লিখেছেন জাদিদ, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ১:১৪

১।
মেয়েকে রুমে একা রেখে বাথরুমে গিয়েছিলাম। দুই মিনিট পরে বের হতে গিয়ে দেখি দরজা বাইরে থেকে লক। পিলে চমকে উঠে খেয়াল করলাম পকেটে তো মোবাইলও নাই। আমি গেট নক... ...বাকিটুকু পড়ুন

কোটিপতি এবং বাংলাদেশীদের সুইস ব্যাংকের হিসাব।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১১ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৩:১৮



স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারী ছিল ৫ জন। ১৯৭৫ সালে তা ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে কোটিপতি হিসাবধারীর সংখ্যা ছিল ৯৮টি। এরপর ১৯৯০ সালে ৯৪৩টি, ১৯৯৬... ...বাকিটুকু পড়ুন

×