somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অভিশপ্ত কফিন!!!

২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মেয়েটা আর দশটা
মেয়ের মত নয়, অদ্ভূধ কিছু আলৌকিক
ক্ষমতা ছিল মেয়েটার।
ইংল্যান্ডের
এক রাজ্যের এক ছোট্ট গরীব গ্রামে
বাস করত মেয়েটা। সময়টা তখন সতের
শতকের কোনএক সাল। সেই সময়ে এক
রহস্যগল্পের যাত্রা শুরু হয়েছিল, যা
আজো এক অধরা রহস্য হয়ে রয়েছে
রহস্যপ্রেমীদের মনে। মেয়েটা যে
রাজ্যে বাস করত সেইরাজ্যে শাসন
করত
একঅত্যাচারী রাজা।সেই রাজা
খাজনা আদায় করার জন্য প্রজাদের
উপ র
নানারকম অত্যাচার করত। সেই রাজা
নানা চাপ প্রয়োগ করে সব গ্রাম
থেকে
খাজনা আদায় করলেও মেয়েটা যে
গ্রামে থাকত, সেই গ্রাম থেকে
অত্যাচার করে ইচ্ছেমত খাজনা
আদায়
করতে পারত না।তার কারণ ছিল
মেয়েটার আলৌকিক ক্ষমতা !!
মেয়েটা ভবিষ্যত বলতে পারত
(কিনবা
মেয়েটার অনুমানশক্তি খুব তীব্র
এটাও
বলা যায়)! রাজার সৈনিকরা কখন
আক্রমণ করবে মেয়েটা তার
আলৌকিক
ক্ষমতাবলে আগে থেকে জেনে
যেত,
আর সেটা সে গ্রামবাসীকে বলে
দিত, ফলে গ্রামবাসীপ্রস্তুত থেকে
রাজার সৈনিকদের মোকাবেলা
করতে পারত।যার কারণে ঐ
গ্রামেরাজার সৈনিকদের একের পর
এক
আক্রমণ ব্যর্থ হতে লাগল। ঘটনা
জানতে
পারে রাজা মিটিং এ
বসলেনসবাইকে নিয়ে, সেইখানে
সবাই মত দিল মেয়েটাকে পৃথিবী
থেকে সরিয়ে দেওয়া ছাড়া আর
কোন
উপায় নেই। সিদ্ধান্ত
অনুসারেমেয়েটাকে মেরে
ফেলতে
গুপ্ত ঘাতক পাঠানো হল। মেয়েটা
এটা
বুঝতে পেরে সে তার
প্রতিবেশীদের
বলল তার নিজের উপর বিপদ
আসতেছে।
কিন্তু কেউ তো আর মেয়েটাকে
পাহাড়া দিয়ে রাখে নাই, তাই
ঘাতক
মেয়েটাকে ঠিকই মেরে ফেলল।
মেয়েটার কফিন মাটিচাপা
দেওয়া
হল গ্রামের পাশে এক বনে।
মেয়েটা
মারা গেল, ঘটনা এইখানেই শেষ
হতে
পারত, কিন্তু নাহ ! আসলঘটনা মূলত শুরু
হল !!
কিছুদিন পর দেখা গেল যেখানে
মেয়েটার মাটিচাপা দেওয়া
হয়েছে, তার চারপাশের বিশাল
একটা
জায়গার সব ঘাসপুড়ে গেছে! সবাই
ভয়
পেয়ে গেলেও অবাক
হলনা,কারণসবাই
জানত মেয়েটা সাধারন কেউ না।
তাই
ঐদিকে কেউ আর ভয়ে যেত না। এরপর
বছরের পর বছর চলে গেল। মেয়েটার
কাহিনী সবার মুখে মুখে হয়ে গেল।
একশ বছর পর, আটার শতকের কোন
একসময়ে
লন্ডনের তিন সাংবাদিক বন্ধু,যারা
নাকি মেয়েটার গল্পটা জানে,
তারা সিদ্ধান্ত নিল সেই গ্রামে
গিয়ে মেয়েটার কফিন তুলে আনবে,
মেয়েটার রহস্য ভেদ করবে। তারা
যখন
মাটি খুড়েমেয়েটার কফিনটা তুলল,
দেখল কফিনের গায়ে হিব্রু বাসায়
লেখা আছে, ‘স্পর্শ কর না’। তারা
কফিনটাকে শহরে নিয়ে আসল,
তিনজনের মধ্যে একজন কফিনটা
নিজের
কাছে রাখল। এক সপ্তাহ পর দেখা
গেল
সে মারা গেল (যার বাসায় কফিন
ছিল)। মানুষের মৃত্যু হতেই পারে,
তাই
ঘটনাটাকে সবাই সাভাবিকভাবে
নিল। তার মৃত্যুর পর কফিনটা আর এক
সাংবাদিক তার বাসায় রাখল,
কিছুদিনপর সেও মারা গেল,
একইভাবে
তৃতীয় সাংবাদিকও মারা গেল!
তিনজনই যখন মারা গেল, এরপর
শোরগোল
পড়ে গেল, ডাক্তাররা অবাক হয়ে
দেখল যার বাসায়কফিন গেছে সেই
মারাগেছে এক অজ্ঞাত রোগে !!
এরপর
কেউ আর কফিনটা ভয়ে নিতে চায়
না,
তাই স্থানীয় প্রশাসন সেটা
একযাদুঘরে রাখল.. কিছুদিন পর হঠাৎ
করে অজ্ঞাত কারণে আগুন ধরে সম্পূর্ণ
যাদুঘরটাই পুড়ে গেল, শুধু কফিনটা
অক্ষত
রইল !! এরপর প্রশাসন অভিশপ্ত কফিনটা
আর
নড়াচরা না করে ঐ অবস্থায় রেখে
দিয়ে যাদুঘরসহ জায়গাটাকে
পরিত্যাক্ত ঘোষণা করে যাদুঘরটা
সিলগালা করে দিল। এরপর আরো
অনেকগুলো বছর চলে গেল……প্রায়
একশত
বছর গেল। উনিশ শতকের শুরু হল,
প্রযুক্তির
উৎকর্ষতার এই সময়ে বিজ্ঞান সব
আলৌকিক ঘটনাকে challange
জানাচ্ছে।আমেরিকা সেই
আলৌকিক
কফিন নিয়ে গবেষণার আগ্রহ
দেখিয়ে
ব্রিটিশ সরকারের কাছে কফিনটা
চাইল।ব্রিটিশ সরকার কফিনটা
দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নিল। ইংল্যান্ডের
রাজকীয়
কমান্ডার এডওয়ার্ড জন স্মিথের
নেতৃত্বে টাইটানিক নামের এক
বিশাল জাহাজ ১৯১২ সালের ১০
এপ্রিল ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটন
থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশ্যে
যাত্রা
শুরু করে। সেই জাহাজে করে সেই
অভিশপ্ত কফিনটা পাঠানো হয়।
তারপরের ইতিহাস সবার জানা।
যাত্রার মাত্র কয়টা দিন পরই
বিশালএই
জাহাজ এক বরফখন্ডের সাথে
ধাক্কা
খেয়ে ডুবে যায়,মারা যায় ১৫১৭ জন
যাত্রী !! রহস্যবাদীদের দাবি,
টাইটানিক ডুবে যাওয়ার অন্যতম
একটা
কারণ ঐঅভিশপ্ত কফিন,সেই
মেয়েটা
,,collected
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে ডিসেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৯
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জনগণের দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণের পরিকল্পনাটা কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১০


ডা. জাহেদ উর রহমান। জুলাই আন্দোলনে শেখ হাসিনা বিরোধী ছিলেন এবং তাঁকে চেনেন না, এমন মানুষের সংখ্যা খুবই কম। মানুষটি অ্যাক্টিভিজম ছেড়ে নতুন সরকারের মুখপাত্র হয়েছেন। এতে আমার মতো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:২৫

[মানুষ এতো দুষ্ট কেন? পুরনো কথা ভিডিও সহ ফেসবুকে এভাবে না ছাড়লে হয় না। ]

“আপনাদের আমরা পরিষ্কার করে বলি, ভয় ভেঙে রাজপথে নেমে আসুন"

২৫ হাজার টাকার মজুরি আন্দোলন আর... ...বাকিটুকু পড়ুন

পিনাকী ভট্টাচার্য কেন দেশে আসে না, জানেন?

লিখেছেন ...নিপুণ কথন..., ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:২৯


Pinaki Bhattacharya - পিনাকী ভট্টাচার্য তিনিঞ্চি কেন দেশে আসে না জানেন? তার পাসপোর্টই তাকে সে অনুমতি দেয় না। Meghna Alam থেকে প্রাপ্ত এই ছবিতে দেখা যাচ্ছে তার পাসপোর্টে স্পষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের সেই এন্টিনিয়ার।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৮

কিছু স্বপ্ন, কিছু স্মৃতি এবং নানীর বাড়ি



আমি বেশ কিছুদিন ধরে একটি বিশেষ ধরনের স্বপ্ন দেখছি। স্বপ্নের কথায় যাওয়ার আগে কিছু পেছনের গল্প বলা প্রয়োজন।

ক্লাস নাইনে পড়ার সময় থেকে অনার্স... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে- ভাল্লাগে!

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৫ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৭


আমাদের ঝাল খাওয়ার ইতিহাস হাজার বছরের নয়, তবুও কেন আমরা ঝাল পাগল জাতি হলাম এইটা নিঃসন্দেহে গবেষনার বিষয়। পর্তুগীজেরা না আসলে আমরা হয়তো কাঁচা লঙ্কা বা শুকনো লঙ্কা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×