দেশের হিমাগারে গত বছর মোট উৎপাদনের ৬০% আলু এখনও হিমাগারে রয়ে গেছে। এছাড়াও কৃষকের গোলা ভর্তি আলু বেহিসেবী পরিমান আছে। ৩ মাস পরে আবারও আলু চাষের সময়। কৃষকরা তখন কি করবে? নতুন আলু কোথায় রাখবে?
চালের বাজার মঙ্গা, তাই সেবাদানকারীদের অনুরোধ করছি রহিঙ্গাদের জন্যে খাদ্য তালিকায় ৫০% আলু আর বাকি ৫০ ভাগ অন্যান্য খাদ্যবস্তু সরবরাহ করুন।
৮৪ কেজির ১ বস্তা দেশি লাল আলু ১৫০০ টাকা প্রায়, হল্যান্ড সাদা আলু ৯০০টাকা। আর ৫০ কেজির এক বস্তা মোটা চাল ২৫০০ টাকা।
কেন শুধু শুধু চাল সরবারাহে নজর দিচ্ছেন। আলু খাদ্য মানে চালের চেয়ে কোন অংশে কম নয়। বৃষ্টির পানিতে আলু ভিজলেও নষ্ট হবে না। কিন্তু চাল নষ্ট হবে।
চালের চেয়ে আলু দ্রুত সেদ্ধ হয়। জ্বালানিও ঐ সব ক্যাম্পে এক প্রকার সমস্যা। তাছাড়া দেশের আলু ব্যবহৃত হলে সে টাকা কৃষকরা পাবে। কিন্তু বর্তমানে চাল আমদানি করে সরবরাহ করা হচ্ছে, মানে টাকা দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে। আর লাভবান হচ্ছে ব্যবসায়ীরা।
দয়াকরে আলুর উপর চাপ বাড়ান, কৃষকদের বাঁচান। রহীঙ্গারাও বাঁচুক আমাদের চাষী ভাইয়েরাও বাঁচুক।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৭ রাত ১০:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




