
বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রে (বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড বিআইএফপিসিএল) শনিবার সকালে খাবারের টেবিলে ৯ কর্মকর্তাদের না পেয়ে কর্তৃপক্ষ খোঁজখবর নিতে শুরু করে। একপর্যায়ে জানা যায়, তারা কাউকে না জানিয়েই প্ল্যান্ট এরিয়া ছেড়েছেন। কিন্তু কখন এভাবে পালিয়ে গেছেন কেউ জানে না। একইদিন দুপুরের দিকে ভোমরা স্থলবন্দর দিয়ে তাদের ভারতে প্রবেশ করার কথা জানা যায়।
দেশ ছাড়া ৯ কর্মকর্তা হলেন- ন্যাশনাল থারর্মার পাওয়ার কোম্পানির (এনটিপিসি) ভারত থেকে পেশনে পাওয়ার প্লান্ট মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্লান্টে কর্মরত জি এম সিউজ প্রতিম ভর্মন, জি এম বিশ্বজিৎ মন্ডল, জিএম এন-সুরায়া প্রকসা রায়, এজিএম কেসাবা পলাকী, ডিজিএম সুরেয়া কান্ত মন্দেকার, ডিজি এম সুরেন্দ্র লম্বা, এজিএম পাপ্পু লাল মিনা, ডিজিএম অর্নিবান সাহা সিএফ ও ইমানুয়েল পনরাজ দেবরাজ।
এর আগে সিলেট সওজের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত ছিলেন ভারতের তুষার কান্তি সাহা । ২০১৮-২০১৯ সালের দিকে তাঁর ভারতীয় পাসপোর্ট নিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে চাকরী করেছেন। এরপর ধরা পরলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পালিয়েছেন।
এখন দরকার গ্রামীন ফোন থেকে প্রায় ৭০০ ভারতীয় কর্মকর্তা বিতারন, গার্মেন্টস থেকে প্রায় ৩০ হাজার ভারতীয় বিতারন, সবশেষে সশস্ত্রবাহিনী থেকে ভারতীয়দের নির্মূল।
তারপর ঘরের খবর আর অন্যে জানবে না। দেশ তখন বাংলদেশ রেলগাড়ির মত হেলেদুলে ঝুকঝুক করে চলবে।
সুসংবাদ হল, গেল সপ্তাহে ভারতীয় পররাষ্ট্র কর্মকর্তাদের বাংলাদেশ ছাড়ার অনুরোধ করেছিল ভারত সরকার। তারও আগে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৫ এ কিছু কিছূ ভারতীয় ভিসা কেন্দ্র তাদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষনা দিয়েছিল। বাস্তবে সব ইন্ডিয়ান ভিসা কেন্দ্রের সার্ভিস বন্ধ ছিল।

সত্য কথা হল, জোঁক পেট ফুলে রক্ত খেতে খেতে, একসময় নিজ থেকেই খসে পরে।
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৯ ভারতীয় কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়াই দেশত্যাগ
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



