(মাসে ২৫০০টাকা নেহাত কম কিছু না, ১০কেজি চাল, ৫কেজি আটা, তেল, পেয়াজ, আলু, লবন, চিনি সহ অনেক কিছু কেনা যায়, বিশেষ করে হিসাব করে কিনলে এই টাকার গ্রোসারী দিয়ে একজন অসহায় মানুষ বা ছোট পরিবার কিছু খাদ্যে নিরাপত্তা পেতেই পারে। আমি অভিনন্দন জানাই, তবে এদের আবার কিছু হাতের কাজ শেখানোও দরকার, যাতে নিজেরাও স্বাভালম্বি হয়ে যায়। দক্ষভাবে দেখাও উচিত, যেন এই কার্ডের মিস ইউজ না হয়, একদম অসহায়েরাই কিছুটা আনন্দ পাক। কার্ড নিয়ে কিছু পড়ে দেখলাম। এআই দিয়ে সামারী করে দিলাম। পড়ে দেখতে পারেন। আর যিনি এই কার্ডের টাকা পেয়েই জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছেন, উনাকেও অভিনন্দন, হয়ত পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। আমরা সরকারের চেষ্টা দেখতে চাই, সফলতার গল্প পরে হবে) ধন্যবাদ মি তারেক রহমান, আপনি চেষ্টা করুন, আমরা ভাল কাজের প্রশংসা করবো।
ফ্যামিলি কার্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ডিজিটাল সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ আর্থিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। ২০২৬ সালের ১০ মার্চ থেকে এই কার্যক্রমটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
* কাদের দেওয়া হচ্ছে?
ফ্যামিলি কার্ড মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছে। যারা এই কার্ড পাবেন:
১) পরিবারের নারী প্রধান: নারী ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে পরিবারের মা বা নারী সদস্যের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয়। কার্ডধারীকে অবশ্যই কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে।
২) হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার: যারা চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছেন বা স্বল্প আয়ের কারণে দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
৩) বিশেষ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত গোষ্ঠী:
ভূমিহীন বা গৃহহীন পরিবার।
পরিবারে প্রতিবন্ধী সদস্য থাকলে।
বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা নারী।
অনগ্রসর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী (যেমন: হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী)।
* প্রধান সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য
১) নগদ ভাতা: পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসিক ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছে।
২) পণ্য সহায়তা: নগদ টাকার পাশাপাশি ভর্তুকি মূল্যে বা বিনামূল্যে চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় টিসিবি (TCB) পণ্য এই কার্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যেতে পারে।
৩) ডিজিটাল ডাটাবেজ: এটি একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হয় যাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রকৃত দুস্থ পরিবারগুলো সহায়তা পায়। ২০৩০ সালের মধ্যে একে 'ইউনিভার্সাল সোশ্যাল আইডি কার্ড' হিসেবে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
বর্তমানে এটি একটি পাইলট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় (যেমন: বগুড়া সদর, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এবং ঢাকার মিরপুর ও বনানীর কিছু এলাকা) শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিস্তার লাভ করবে।


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

