somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সাহাদাত উদরাজী
সাহাদাত উদরাজী'র আমন্ত্রণ! নানান বিষয়ে লিখি, নানান ব্লগে! নিজকে একজন প্রকৃত ব্লগার মনে করি! তবে রান্না ভালবাসি এবং প্রবাসে থাকার কারনে জীবনের অনেক বেশী অভিজ্ঞতা হয়েছে, যা প্রকাশ করেই ফেলি - 'গল্প ও রান্না' সাইটে! https://udrajirannaghor.wordpress.com/

ফ্যামিলি কার্ডঃ ভাল চিন্তা ও ছোট সুরক্ষা, অভিনন্দন।

১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(মাসে ২৫০০টাকা নেহাত কম কিছু না, ১০কেজি চাল, ৫কেজি আটা, তেল, পেয়াজ, আলু, লবন, চিনি সহ অনেক কিছু কেনা যায়, বিশেষ করে হিসাব করে কিনলে এই টাকার গ্রোসারী দিয়ে একজন অসহায় মানুষ বা ছোট পরিবার কিছু খাদ্যে নিরাপত্তা পেতেই পারে। আমি অভিনন্দন জানাই, তবে এদের আবার কিছু হাতের কাজ শেখানোও দরকার, যাতে নিজেরাও স্বাভালম্বি হয়ে যায়। দক্ষভাবে দেখাও উচিত, যেন এই কার্ডের মিস ইউজ না হয়, একদম অসহায়েরাই কিছুটা আনন্দ পাক। কার্ড নিয়ে কিছু পড়ে দেখলাম। এআই দিয়ে সামারী করে দিলাম। পড়ে দেখতে পারেন। আর যিনি এই কার্ডের টাকা পেয়েই জয় বাংলা স্লোগান দিয়েছেন, উনাকেও অভিনন্দন, হয়ত পরে নিজের ভুল বুঝতে পেরেছেন। আমরা সরকারের চেষ্টা দেখতে চাই, সফলতার গল্প পরে হবে) ধন্যবাদ মি তারেক রহমান, আপনি চেষ্টা করুন, আমরা ভাল কাজের প্রশংসা করবো।

ফ্যামিলি কার্ড হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি ডিজিটাল সামাজিক নিরাপত্তা উদ্যোগ, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিবারগুলোকে নিয়মিত নগদ আর্থিক সহায়তা এবং প্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী প্রদান করা হয়। ২০২৬ সালের ১০ মার্চ থেকে এই কার্যক্রমটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে এবং আগামী ৫ বছরের মধ্যে দেশের ৪ কোটি পরিবারের কাছে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

* কাদের দেওয়া হচ্ছে?
ফ্যামিলি কার্ড মূলত সমাজের পিছিয়ে পড়া ও নিম্ন আয়ের পরিবারগুলোকে টার্গেট করে তৈরি করা হয়েছে। যারা এই কার্ড পাবেন:
১) পরিবারের নারী প্রধান: নারী ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে পরিবারের মা বা নারী সদস্যের নামে এই কার্ড ইস্যু করা হয়। কার্ডধারীকে অবশ্যই কমপক্ষে ১৮ বছর বয়সী হতে হবে।
২) হতদরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবার: যারা চরম দারিদ্রসীমার নিচে বসবাস করছেন বা স্বল্প আয়ের কারণে দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন।
৩) বিশেষ অগ্রাধিকার প্রাপ্ত গোষ্ঠী:
ভূমিহীন বা গৃহহীন পরিবার।
পরিবারে প্রতিবন্ধী সদস্য থাকলে।
বিধবা বা স্বামী পরিত্যক্তা নারী।
অনগ্রসর ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠী (যেমন: হিজড়া, বেদে ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী)।

* প্রধান সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য
১) নগদ ভাতা: পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত পরিবারগুলো মাসিক ২,৫০০ টাকা করে ভাতা পাচ্ছে।
২) পণ্য সহায়তা: নগদ টাকার পাশাপাশি ভর্তুকি মূল্যে বা বিনামূল্যে চাল, ডাল, তেলসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় টিসিবি (TCB) পণ্য এই কার্ডের মাধ্যমে সংগ্রহ করা যেতে পারে।
৩) ডিজিটাল ডাটাবেজ: এটি একটি স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতির মাধ্যমে পরিচালিত হয় যাতে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রকৃত দুস্থ পরিবারগুলো সহায়তা পায়। ২০৩০ সালের মধ্যে একে 'ইউনিভার্সাল সোশ্যাল আইডি কার্ড' হিসেবে রূপান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমানে এটি একটি পাইলট বা পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় (যেমন: বগুড়া সদর, ঠাকুরগাঁও, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, এবং ঢাকার মিরপুর ও বনানীর কিছু এলাকা) শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিস্তার লাভ করবে।

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:৫৫
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবির বিরুদ্ধে কবি

লিখেছেন অতন্দ্র সাখাওয়াত, ২৮ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১০:১০

হে মৃত্যুহীন কবি,
কোন এক কোমল রাতে
তোমার সাথে পায়ে পায়ে
চলতে চাই হাজার বছর।
তারপর তুমি
মিলিয়ে যাবে তারার মাঝে —
তখন আমি লিখবো
তোমার না-লেখা পঙ্ক্তিমালা
কোন এক পূর্ণিমাতে।

হয়তো প্রথম পঙ্ক্তি হবে —
"সে তোমাকে ভালোবাসতো।"
তারপর সমুদ্রের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিক্ষকের মর্যাদা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:২৩


কবিতাটার কথা কি মনে আছে? বাদশাহ আলমগীর একদা প্রভাতে গিয়ে দেখলেন, শাহজাদা এক পাত্র হাতে নিয়ে শিক্ষকের চরণে পানি ঢালছে, আর শিক্ষক নিজ হাতে নিজের পায়ের ধূলি মুছে সাফ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ইলিশ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:২৬


ইলিশ!ইলিশ!! রূপালী ইলিশ, কোথায় তোমার দেশ? 
ভোজন রসিকের রসনায় তুমি তৃপ্তি অনিঃশেষ। 

সরষে- ইলিশ, ইলিশ-বেগুন আরও নানান পদ
যেমন তেমন রান্না তবুও খেতে দারুণ সোয়াদ

রূপে তুমি অনন্য ঝলমলে ও চকচকে।
যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×