
জন্ম হবার সাথে থাকে, ‘মা’ বলার স্বাধীনতা-
অপার করুণা যাঁহার। বক্ষ বিস্তৃত পিপাসা
সসত্ত্বা নিংড়ানো ফল, মর্মমূলে লাথি মারে
ধরার বুকে যে অবোধ। হৃদয় নিংড়ানো প্রেম
মমতায় মাখানো সুর ঝঙ্কারিয়া তোলে মধুর
পিয়ানো ভালবাসা বাঁশি, সপ্ত সুরাসুর বশে।
যত ব্যাথা-বেদনা সয়ে ধরিত্রীর শোভা বর্ধন
তোলে সমীরণ আঁচলে; বসুধার স্নেহে পালিত।
সদা যত্নে মায়ের কোলে নিত্য আসা যাওয়া করে
ভাগিরথী থেকে গঙ্গায়, চিম্বুক পাহাড়ের ঢালে
ঝর্ণার কলকল ধ্বনি- ‘মা’ ডাক সমুদ্র সৈকতে।
পথ হারাবার পথেই হৃদ-মমতা তিথিডোরে
যে মাতা নিত্য দেয় সঙ্গ। তাঁরে আজ ভুলি কেমনে?
সহাস্য মমতার মুখ, বদনে তাঁর মঙ্গলাকাঙ্খা
সন্তানেরে করে নিশ্চিত। তাঁহারে দিতে চাই অর্ঘ-
‘মা’ বলার স্বাধীনতা যেদিন পেয়েছি অবাধ
সীমাহীন ক্ষমা অহর্নিশ, স্নিগ্ধ হাসি-মমতায়
সবারে দিতে চাই বলি। পুজারী তাঁরি বন্দনায়
আটশত নীলকমল যোগে অসুর বলিদান।
‘মা’ শব্দ মধুরতায়; ক্ষণে জন্মেছি যে দেশে
তাঁরি সেবায় প্রণিপাত। জনম জনম প্রণতি
মহতী দানের অধর, ‘মা’ কে দিলাম অধিকার।
৩০ আগস্ট ২০১৬খ্রীঃ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

