আমার অসমাপ্ত গল্প গুলোকে কেউ সমাপ্ত করবে তা ভাবতেই আমি যত না অবাক হই তার থেকে বেশি বোকা হয়ে যাই। গল্প লিখার শুরু টা হয়েছিল কোন শ্রাবণের দিনে ঝিরঝির বৃষ্টির মাঝে মন খারাপের পাহাড়ে মেঘের মতো শেষ সময়ে সজীব পাতাকে ছুঁয়ে মিশ্র অনুভূতিতে! বৃষ্টির পর যখন রংধনুর দেখা পাই তখন মুগ্ধ বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকি তবে তার চেয়ে বেশি বিস্ময় হয়ে ভাবি আমার অসমাপ্ত গল্প গুলো কে! কোন একদিন সাদা-নীল-হলদে কাগজের নৌকো বানিয়ে পানিতে ছেড়ে হাত দিয়ে জলকে নেড়ে স্রোত করেছিলাম। রোদ্দুর বৃষ্টিতে শিয়াল মামার বিয়ের দিন বলে ঘোষণা করেছিলাম। কোন সময়ে লাল খামের চিঠি গুলো উড়িয়ে দিয়েছিলাম সন্ধ্যা তারার কাছে। যে রাতে খারাপ স্বপ্ন গুলো উঁকি দিতো ভয়ে দম বন্ধ হয়ে যেত। সুখ স্বপ্ন গুলো সব বেলাতে রঙ্গিন হয়ে আরো লতাপাতা ছড়াত। ছুটে ছুটে ঘুরে ছিলাম এই প্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত...... রাতের অন্ধকারে ইচ্ছে করে বসে রইতাম প্রিয় জানালার কাছে যাতে জোনাক পোকারা ঘরে এসে মিটমিট করে জ্বলে। অপেক্ষায় ভোরের সুখ তারার ফের উওরের! দেখতে দেখতে এভাবে এক সময় ক্লান্ত হয়ে চুপটি করে ঘুমিয়ে। পেয়েছিলাম একদিন দেখা ভোরের সুখ তারার, পেয়েছিলাম একদিন তবে!
চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত । ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না। যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও... ...বাকিটুকু পড়ুন