
বঙ্গবন্ধৃ শেখ মজিবুর রহমানকে জাতির পিতা মানে বাংলাদেশী নাগরিকগণের একাংশ। ১৯৭১ সালের পূর্বে বাংলাদেশী নামে কোন জাতি ছিল না। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের নাগরিকগণের একাংশ পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধ করে পূর্ব পাকিস্তানের নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র গঠন করে। তার আগে এ অঞ্চল পূর্ব বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল। তারো আগে এটি বঙ্গ ছিল। বঙ্গ ভঙ্গ হয়ে পূর্ব বঙ্গ হয়। ভঙ্গ বঙ্গের সাথে বিভিন্ন অঞ্চলের অংশ যোগে পূর্ব পাকিস্তান হয়। সেই পূর্ব পাকিস্তান পরে বাংলাদেশ হয়।এদেশে পূর্ব বঙ্গের বিরোধী ছিল। পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধী ছিল। বাংলাদেশের বিরোধী ছিল। ভারত অখন্ড ভারত গঠনে এ অঞ্চলকে ভারতের সাথে যুক্ত করতে চায়।এদেশের একাংশ সেই পক্ষেও আছে। তবে এখন তারা নিরব। এদেশে ভারত প্রীতি, পাকিস্তান প্রীতি ও বাংলাদেশ প্রীতি আছে। এদেশের একাংশ বঙ্গবন্ধৃ শেখ মজিবুর রহমানকে জাতির পিতা মানে এবং একাংশ জিয়াউর রহমানকে জাতির পিতা মানে। একাংশ আবার মাওলানা ভাষানীকে জাতির পিতা মানে। একাংশ আবার মোহাম্মদ আলী জিন্নাকে জাতির পিতা মানে।বিবিধ পক্ষের বক্তব্য শ্রবণের পর আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান।কারণ তিনি ৭ই মার্চ একটা ভাষণ দিয়েছেন যাতে এ অঞ্চলের স্বাধীনতার কথা আছে। তারপরে যুদ্ধ হয়। যুদ্ধের পরে বাংলাদেশ হয়। যুদ্ধ মেলা মানুষে করেছে। তাদের প্রতিজনকে তো জাতির জনক বলা যায় না। যদিও তিনি যুদ্ধ করেননি তথাপি যুদ্ধের প্রতি পক্ষ তাঁকেই তাদের শত্রু হিসাবে ধরে নিয়ে যায়।তাহলে প্রতিপক্ষের সাথে যুদ্ধ করা পক্ষের নেতা কে? সেই জন্য আমি বলি তিনি বাংলাদেশী জাতির জনক। আজ তাঁর জন্ম দিন। তাঁকে জানাই জন্মদিনের অকৃত্রিম শুভেচ্ছা। কারণ বাংলাদেশ নামক জাতি গঠনে তাঁর অবদান অস্বীকার করা যায় না।
বাংলাদেশ বিরোধীরা বাংলাদেশের ক্ষমতার ভাগ পেতে বাংলাদেশ মেনে নিয়েছে। তাদের নেতা গোলাম আজমকে জাতির পিতা বললে তাদের কেউ কেউ হয়ত মনে মনে আমাকে দোয়া করতেন। তবে জাতির পিতা বিষয়ক ইস্যু নিজেদের পক্ষে রাখতে তারা মহাগ্রন্থ আল কোরআন অনুযায়ী জাতির পিতা ইব্রাহীম (আ.)বলে থাকে। কিন্তু মহাগ্রন্থ আল কোরআনে তাঁকে মুসলিম জাতির পিতা বলা হয়েছে। সেজন্য বাংলাদেশী জাতির একাংশ তাঁকে বাংলাদেশী জাতির পিতা মানলেও অন্য অংশ সেটা মানে না। একাংশের বিবেচনায় তিনি আবার তাদের কেউ না। বিবিধ বক্তব্যে ত্যাক্ত-বিরক্ত এক পক্ষ বলছে পিতার ঠিক নাই বিধায় বাংলাদেশীদের জাতির পিতার দরকার নাই। কিন্তু পিতার ঠিক না থাকলে আবার হারামজাদা আখ্যা পাওয়া যায়। সুতরাং সব দিক বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানকে জাতির পিতা মানা আমি পছন্দ করি।তবে তাঁর কন্যা জাতির আপার কারণে এখন অনেকে তাঁর তীব্র বিরোধী। নির্বাচনের কারণে আমি তাঁর দোষ দিতাম। কিন্তু এবার যারা নির্বাচন পরিচালনা করেছে তাদের একজন বলছেন তাঁরা নির্বাচন একুরেট করেননি। আপার তবে কি দোষ? অবশ্য নির্বাচন একুরেট না হলেও এবার অধিকাংশ ভোটার ভোট দিয়েছেন। সেজন্য এবারের জাতীয় সংসদের অধিবেসনে আমার আগ্রহ আছে।এরশাদের সাবেক প্রিয়জন এখন জাতীয় সংসদের স্পিকার।সে যাই হোক এ সংসদে কিছু সংখ্যক লোক তো আছেই জনগণ নির্বাচিত। যেমন রুমিন ফারহানা।এরকম আরো যারা আছে তারা জাতীয় সংসদে কি বলে না হয় তা’ শুনলাম! নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো। এ সংসদে চাঁদগাজী থাকলে তিনি হতেন জাতীয় সংসদের একমাত্র যোগ্য লোক। তবে কোন দিন তাঁকে জাতীয় সংসদে দেখব বলে মনে হয় না। সব আশা তো আর পূরণ হয় না, এটাও না হয় অপূরণের মধ্যে থেকে যাক।
# শিরনাম দিয়ে চার্চ দেওয়ায় গুগুল প্রথমে তাঁর ছবি সো করেছে। ধন্যবাদ গুগুল আমার সাথে ঐক্যমত পোষণ করার জন্য। অবশ্য গুগুল নাহিদ ইসলামের ছবিও সো করেছে। চব্বিশের স্বাধীনতার নায়ক হিসাবে হয়ত গুগুল এমন করেছে। কিন্তু স্বাধীনতার পর তিনি ক্ষমতার মোয়া হাতে পাননি।বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান সেটা পেয়েছেন। সুতরাং কথা এটাই ঠিক যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। এক্ষেত্রে গুগুল চাঁদগাজীর ছবি সো করেনি। যদিও তাঁর মতে এজাতির তিনি সর্বসেরা বান্ধব। রানু হয়ত এ কথার সমর্থক।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


