somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

এপস্টেইনের এলিট: ইসরায়েলের মিডিয়া নিয়ন্ত্রন এবং প্রপাগাণ্ডা

১৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ইতিহাসবিদ ইলান পাপে বলেছেন, "ইসরায়েল অবৈধ বসতি স্থাপনকারী, ঔপনিবেশিক শক্তির একটি প্রজেক্ট। এটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা স্বাভাবিক রাষ্ট্র নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ব্যবস্থা"। এ কারণে শুরু থেকেই এর শক্তিশালী সামরিক ও গোয়েন্দা বাহিনী গড়ে উঠেছে। সামরিক শক্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক জনমত নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের রাষ্ট্রনীতির অংশ। এ প্রসঙ্গে "হাসবারা" ধারণাটি বিবেচ্য। "হাসবারা" শব্দের অর্থ "ব্যাখ্যা করা"। এটি রাষ্ট্র-সমর্থিত প্রপাগাণ্ডা, যার লক্ষ্য বিশ্বজুড়ে তথ্যের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ইসরায়েল সম্পর্কে ধারণাকে প্রভাবিত করা।

গাজায় গণহত্যা সরাসরি সম্প্রচার শুরু হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিশ্বের গণমাধ্যমে যখন ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু হয়, তখন "হাসবারা" নতুন করে সক্রিয় হয়ে ওঠে। পশ্চিমা দেশগুলোতে জনমত দমন ও মিডিয়া নিয়ন্ত্রণের ওপর তাদের মনোযোগ বাড়ে। তখন থেকে ইসরায়েল একটি বিস্তৃত তথ্যসন্ত্রাস ও অপপ্রচার অভিযান শুরু করে।

এই উদ্দেশ্যে, একদিকে যেমন পিআর ফার্ম ও ইনফ্লুয়েন্সারদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হয়; অন্যদিকে, টিকটক বা সিবিএসের মতো গণমাধ্যমে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয়। একদিকে, গণহত্যাবিরোধী আন্দোলন দমাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সরকারি ফান্ডিং বন্ধ করা হয়; অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক পাঠক্রম পরিবর্তনের জন্য হুমকি দেওয়া হয়। একদিকে, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক গবেষণায় প্রভাব ফেলতে থিঙ্ক ট্যাংক ব্যবহার করা হয়; অন্যদিকে, ইসরায়েলপন্থী তাত্ত্বিক কাঠামোকে একাডেমিক পরিসরে প্রচার করা হয়।

তাদের নিয়ন্ত্রণের পরিধি বিস্তৃত ও অক্টোপাসের মতো সব দিকে প্রসারিত। সব রাস্তায় তাদের প্রহরী রয়েছে। ফলে দেখা যায়, গাজার গণহত্যার পরেও পশ্চিমা সমাজে সমালোচিত হওয়ার পরিবর্তে তারা প্রশংসিত হয়। শিশুদের স্কুলে বোমা হামলার মতো ঘটনাও তারা মুসলিমদের প্রতি ঘৃণায় রূপান্তর করতে পারে।

জনমত দমনের কৌশল হিসেবে ইসরায়েল "অ্যান্টিসেমিটিজম" বা "ইহুদি-বিদ্বেষ" বিষয়টিকে একটি রাজনৈতিক অস্ত্রে পরিণত করেছে। জাতিগত নিধন, ঔপনিবেশিকতা ও গণহত্যা নিয়ে যে কোনো সমালোচনাকে "ইহুদি-বিদ্বেষ" হিসেবে প্রচার করা হয়। উদাহরণ হিসেবে, কদিন আগে অ্যান্টি‑ডিফামেশন লিগের প্রধান জনাথান গ্রিনব্লাট বলেছেন, "ইহুদি রাষ্ট্রকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে দায়ী করা ভুল। কাউকে অপরাধী করা ভুল। আপনি ঘৃণা ছড়াচ্ছেন।" তিনি এখানে সকল ইহুদি ধর্মাবলম্বীদের ইসরায়েলের সাথে মিলিয়ে দেখাচ্ছেন। ফলে, ইসরায়েলের প্রতি সমালোচনা মানেই "ইহুদি-বিদ্বেষ"। ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুললে, ইহুদি-বিদ্বেষের ধুয়ো তুলে, প্রশ্নকারীকে রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে নিগৃহীত করা একটি সাধারণ ঘটনা।

গাজা যুদ্ধ শুরু হবার পরে, কানাডায় একটি বড় আকারে মিথ্যা প্রচারণা চালানোর জন্য ইসরায়েল একটি বেসরকারি সংস্থাকে নিয়োগ দিয়েছিল। সংস্থাটির কাজ ছিল জাল ভিডিও তৈরি করে অনলাইনে ছড়িয়ে দেওয়া। এআই দিয়ে বানানো ভিডিওতে দেখা যায় একজন দাড়িওয়ালা, টুপি পরিহিত লোক কানাডায় শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার জন্য ডাক দিচ্ছেন। ভুয়া ভিডিওটি তখন দ্রুত শনাক্ত করা হয় এবং অনলাইন থেকে সরিয়ে ফেলা হয়। কানাডার পররাষ্ট্র দপ্তর ইসরায়েলি দূতাবাসের কাছে সেই অপকর্মের ব্যাখ্যা দাবি করলে, ইসরায়েল এই কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করে।

এই অপপ্রচারটি তারা আবার নতুন করে শুরু করেছে। মুসলিমরা নাকি আমেরিকায় শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এর জন্য ইসরায়েল সরাসরি আমেরিকার জনপ্রতিনিধিদের ব্যবহার করছে। স্পিকার মাইক জনসন মন্তব্য করেছেন, তিনি আমেরিকায় শরিয়া আইন ছড়িয়ে পড়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। সিনেটর র‌্যান্ডি ফাইন বলেছেন, "আমাদের আরও ইসলামবিদ্বেষী হওয়া দরকার এবং ইসলামভীতি যৌক্তিক।" সিনেটর অ্যান্ডি ওগলস বলেছেন, "মুসলিমদের আমেরিকায় থাকা উচিত নয় এবং বহুত্ববাদ একটি মিথ্যা ধারণা।" সিনেটর টমি টাবারভিল যোগাযোগ মাধ্যমে ৯/১১ হামলার ছবির পাশে জোহরান মামদানির ছবি দিয়ে বলেছেন, "ঘরের ভিতরেই শত্রু।"

জায়নবাদী ধনকুবের ল্যারি এলিসন সম্প্রতি বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান সিবিএসের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন। এলিসন প্রথমে যে কাজটা করেছেন তা হলো বারি ওয়েইস নামে একজন ইসরায়েলপন্থীকে প্রধান সম্পাদকদের পদে নিয়োগ দিয়েছেন। ওয়েইস, এলিসনের মতোই জায়নবাদী এজেন্ডার শক্তিশালী মুখপাত্র। তিনি সিবিএস নেটওয়ার্কের কাভারেজ জায়নবাদী এজেন্ডা অনুযায়ী সাজাচ্ছেন। মামদানি ইরানে ইসরায়েল-আমেরিকার হামলাকে ভয়াবহ বলে বর্ণনা করলে সিবিএস তার সাক্ষাৎকার বাতিল করে দেয়। মামদানির বিরুদ্ধে অপপ্রচারের জন্য ওয়েইস মামদানির স্ত্রীর পুরনো ইনস্টাগ্রাম লাইক নিয়ে তার পত্রিকায় কাভারেজ তৈরি করেছে।

গাজার গণহত্যাবিরোধী আন্দোলনে অনেক শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের কী পড়ানো হচ্ছে এটা নিয়েও এপস্টেইনের এলিটেরা প্রশ্ন তোলেন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বলা হয় যে, সরকারি ফান্ডিং পেতে হলে গাজার গণহত্যা নিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না। মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক পাঠ্যক্রমকেও তারা হুমকির মুখে পরিবর্তন করে ফেলেন।

প্রখ্যাত গবেষক ও জাতিসংঘের সাবেক প্রতিনিধি রিচার্ড ফাল্ক ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে একটি সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গত বছর টরন্টোতে এসেছিলেন। বিমানবন্দরে তাকে আটকে রাখা হয়। পাসপোর্ট জব্দ করে কয়েক ঘণ্টা ধরে তাকে বিভিন্ন জবাবদিহিমূলক প্রশ্ন করা হয়। ফাল্কের মতো অধ্যাপককে বিমানবন্দরে হয়রানি করার মধ্য দিয়ে অন্য শিক্ষক, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মীদের কাছে এই বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয় যে, ফিলিস্তিনিদের মানবাধিকার নিয়ে আলোচনা এখানে চলবে না।

গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা যাতে নির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা মেনে কাজ করে, ইসরায়েল সেটা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে। সাংবাদিকদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়, তাদের ভ্রমণের বন্দোবস্ত করা হয় এবং প্রভাবশালী লোকদের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ করে দেওয়া হয়। তবে যারা ইসরায়েলি নীতির সমালোচনা করেন, তাদের পেশাগত জীবন ধ্বংস করা হয়। কানাডার সাংবাদিক ট্রাভিস ধানরাজ ২৫ বছর ধরে সুনামের সঙ্গে কাজ করার পরে, ইসরায়েল নীতির সমালোচনার কারণে সিবিসি থেকে সম্প্রতি বরখাস্ত হয়েছেন।

একাডেমিক গবেষণা ও ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রে ইসরায়েলি ন্যারেটিভ নিয়ন্ত্রণ গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কোন ঘটনাকে কীভাবে ব্যাখ্যা করা হবে, কোন তথ্যসূত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হবে, বা কোন ঐতিহাসিক ঘটনাকে সামনে আনতে হবে - এই বিষয়গুলো জায়নবাদীরা নিয়ন্ত্রণ করে।

ফিলিস্তিনি বংশোদ্ধুত অধ্যাপক রাশিদ খালিদির "দ্য হান্ড্রেড ইয়ারস ওয়ার অন প্যালেস্টাইন" বইটি ফিলিস্তিনের শত বছরের সংগ্রামকে ইসরায়েলের জাতিগত নিধন ও ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ হিসেবে তুলে ধরে। খালিদির প্রপিতামহের সাথে জায়নবাদের প্রতিষ্ঠাতা থিওডর হার্জেলের যে পত্রযোগাযোগ হয়েছিল সেটা খালিদি তথ্য উপাত্তসহ তার বইয়ে উল্লেখ করেছিলেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক "মধ্যপ্রাচ্য প্রতিবেদনের সঠিকতা ও বিশ্লেষণ কমিটি" খালিদির গবেষণাকে ভুল বা পক্ষপাতমূলক বলে আখ্যায়িত করেছে। ফলে ইতিহাসচর্চার ক্ষেত্রেও জায়নবাদীদের শক্তিশালী মতাদর্শিক প্রভাব কাজ করে।

একাডেমিক পরিসরেও মধ্যপ্রাচ্যের সমাজ, সংস্কৃতি ও রাজনীতি ব্যাখ্যায় একটি বিশেষ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করা হয়। যেমন বার্নার্ড লুইস বা স্যামুয়েল হান্টিংটনের লেখাগুলো আমেরিকার রাষ্ট্রনীতিতে দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে। তাদের তত্ত্বে ইসলাম ধর্ম এবং মধ্যপ্রাচ্যকে এমন এক সভ্যতা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যা পশ্চিমা বিশ্ব থেকে ভিন্ন, সংঘাতপ্রবণ ও ঝুঁকিপূর্ণ।

লুইস খ্রিস্টধর্ম ও ইহুদিধর্মকে জিউডো-ক্রিশ্চিয়ান সভ্যতা হিসেবে উপস্থাপন করেন এবং যুক্তি দেন যে, পশ্চিমা বিশ্ব ও ইসলামের মধ্যে সংঘাত ঘনীভূত হচ্ছে। তিনি "ইসলামি মৌলবাদ" ধারণাটি পশ্চিমে পরিচিত করান এবং "সভ্যতার সংঘর্ষ" শব্দগুচ্ছ ব্যবহার করেন, যা পরে পরিমার্জিত হয়ে স্যামুয়েল হান্টিংটনের বিখ্যাত গ্রন্থ "ক্লাস অব সিভিলাইজেশন"-এ স্থান পায় এবং পাশ্চাত্য সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

আমেরিকার ইরাক আক্রমণের পেছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বুদ্ধিজীবি ও প্রভাবকারী হিসেবে লুইসকে বিবেচনা করা হয়। ইরাক যুদ্ধকে উসকে দিয়ে তিনি কয়েকটি প্রবন্ধ লেখেন। যেখানে উল্লেখ করেন, "শাসন পরিবর্তন বিপজ্জনক হতে পারে, তবে কখনও কখনও নীরব থাকার বিপদ তার চেয়ে বড়"।

এপস্টেইন ফাইলের কথা মনে করিয়ে দিলেই, হিলারি ক্লিনটন ইসরায়েলী এজেন্ডার পক্ষে ও ফিলিস্তিনিদের অমানবিক করে দেখানোর প্রচারণা চালান। ইরান যুদ্ধ সমর্থন করে ট্রাম্পের প্রসংশা করে তিনি বলেছেন, ট্রাম্প ও তার আশেপাশের মানুষদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়ছে এবং তাদের মধ্যে একটা "কমন গ্রাউন্ড" তৈরি হচ্ছে।

ট্রাম্প ও হিলারির মধ্যে যে "কমন গ্রাউন্ড" তৈরি হয়েছে, তা ক্ষমতা ও সাম্রাজ্যবাদী স্বার্থের প্রশ্নে। গাজার গণহত্যা সমর্থন করা, ইরান যুদ্ধ উসকে দেওয়া, ভেনেজুয়েলা থেকে মাদুরো দম্পতির অপহরণকে বৈধতা দেওয়া এবং কিউবার ওপর আমেরিকার অর্থনৈতিক অবরোধ বজায় রাখা - এই নীতিগুলোর মধ্যে তাদের স্বার্থ এক হয়ে যায়।

এদের সাথে মিলিতভাবে ইসরায়েলপন্থী শক্তি, অতি ধনী কর্পোরেট গোষ্ঠী, শ্বেতাঙ্গ আধিপত্যবাদী, উগ্র বর্ণবাদী, নিজেদেরকে ঈশ্বরের বিশেষ পছন্দের লোক মনে করা জায়নবাদী ও বাদামী সুবিধাবাদীদের "কমন গ্রাউন্ড" হলো গণহত্যা, জাতিগত নিধন ও যুদ্ধের মাধ্যমে সাম্রাজ্যবাদের শক্তিকে টিকিয়ে রাখা।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২১
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বপ্ন যখন মাঝপথে থেমে যায়: ঢাকার জলপথ ও এক থমকে যাওয়া সম্ভাবনার গল্প

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৫

ঢাকার যানজট নিয়ে আমরা অভিযোগ করি না এমন দিন বোধহয় ক্যালেন্ডারে খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ এই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি আমাদের হাতের নাগালেই ছিল—আমাদের নদীগুলো। সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ ঘোষণা করেছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-২

লিখেছেন অর্ক, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৪



ইরান বিশ্বসভ্যতার জন্য এক অভিশাপ; এক কলঙ্ক। কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেলে একটি রাষ্ট্রের যে কি পরিণতি হয়, তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ ইরান। সম্পূর্ণরূপে অসভ্য বর্বর অসুস্থ রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে সেখানে। যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাগাভাগি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

ভাগাভাগি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এলাকায় এক ইফতার মাহফিল-এ
দাওয়াত পাই আর যথাসময় চলে যাই।
অনেক মানুষ পড়ছে দোয়া দুরুদ
ঘনিয়ে আসছে রোজা ভাঙার সময়।

তখন সবার সামনে বিলিয়ে দিচ্ছে বিরিয়ানি
আমার ভাবনা- হয়ত কেউ ভাবছে
যদি একসাথে খাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৩ এ ওয়াকআউট করেছিলেন, ২০২৬ এ তিনিই ঢাবির ভিসি ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২


২০২৩ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা চলছে। একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে বললেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কথাটা শেষ হতে না হতেই তৎকালীন ভিসি জবাব দিলেন, "গেস্টরুম কালচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

এপস্টেইনের এলিট: ইসরায়েলের মিডিয়া নিয়ন্ত্রন এবং প্রপাগাণ্ডা

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১৭ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩৮


ইতিহাসবিদ ইলান পাপে বলেছেন, "ইসরায়েল অবৈধ বসতি স্থাপনকারী, ঔপনিবেশিক শক্তির একটি প্রজেক্ট। এটি ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ায় গড়ে ওঠা স্বাভাবিক রাষ্ট্র নয়, বরং রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি ব্যবস্থা"। এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×