জীবনের চারপাশ জুড়ে শুধু নিঃসঙ্গতা।
গিটারের ছয় তার যেনো এক একটি নিঃসঙ্গতার সুর;
তিন রাস্তার মোড়ে নিঃশ্চুপ বটবৃক্ষটি আজ নিঃসঙ্গতার প্রতীক।
চাঁদ আর সূর্য মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ হলেও, তারা প্রত্যেকেই নিঃসঙ্গ।
আর রাতের তারা গুলো?
ঘুটঘুটে আঁধারে মিথ্যে আলোর বিচ্ছুরণ ঘটালেও
তারা একে অন্যের থেকে ভিষণ নিঃসঙ্গ।
বিলাসী বিপনী বিতানে দাঁত কেলিয়ে চেয়ে থাকা
কেএফসির যে বৃড়ো ভামটি আমার মগজ
প্রতিনিয়ত গিলে খাচ্ছে, সেতো শুরু থেকেই নিঃসঙ্গ।
মাথার উপর আকাশ ঢেকে রাখা যে বিলবোর্ড
আমাকে প্রত্যেকদিন সকালে বলছে,
‘কাছে থাকুন’; সে বিলবোর্ডগুলোও নিঃসঙ্গ।
এই বিশ্বভ্রম্মান্ডের প্রানহীন সকল কিছুই নিঃসঙ্গ।
দুটি প্রানীর সবচেয়ে পবিত্রতম মিলনেই যেনো
এই নিঃসঙ্গতার মৃত্যু ঘটে।
কারণ আমি জানি, কেবল তাদেরই আছে প্রান।
আমি চাই এই নিঃসঙ্গতার মৃত্যু ঘটুক।
আমি চাই, হলুদ রঙ্গের কাফনের কাপড়ে হোক,
নিঃসঙ্গতার শেষ যাত্রা।
(২২ মার্চ ২০১৪, নবীনগর, ব্রাক্ষণবাড়িয়া)
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ৮:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




