আটটি বর্ষা আগে-
ঘুটঘুটে অন্ধকারে জোনাকির সাথে দেখা।
কখনো এদিক কখনো ওদিক-
দুরন্ত ছোটাছুটি; যেনো শৈশবের কাঁনামাছি খেলছে তারা।
আমিও তাদের সাথে পাল্লা দিয়ে দৌড়াই-
ধরতে চাই; মুঠোবন্দি করবো বলে
আমারও কাঁনামাছি কাঁনামাছি খেলা।
হঠাৎই দুলছুট এক জোনাকি ধরা দেয় হাতে
যেনো খসে পড়া নক্ষত্র –
নাম তার নীহারিকা।
মুঠোয় ভরে আনি তারে; আর-
চোখ বুজে দেই সেই মুঠোতে।
দেখি-
সেকি অপরুপ জ্বলছে; জ্বলছে আর নিভছে।
কৈশরের ঐ কাঁনামাছি খেলা আমায় ফিরিয়ে নেয়
কোনো এক শৈশবে, যেবার দাদি বলেছিলো যাসনে পুকুর পাড়ে।
আমি গিয়েছিলাম, সেদিনও দেখেছি অসংখ্য জোনাকি।
কিন্তু কাঁনামাছি খেলিনি।
এসব ভাবতে ভাবতে সেই বর্ষার রাতে
মুঠবন্দি জোনাকি হুট করে বলে ওঠে-
ছেড়ে দাও, ছেড়ে দাও আমায়
এক উড়ন্ত মুক্ত প্রান জোনাকি আমি-
কেনো ধরে রাখো?
নিভলে তো জ্বলে উঠি-
কিন্তু তুমি?
আচমকা এমন প্রশ্নে হতচকিত আমি
হেরে যাই জোনাকির কাছে।
দলছুট জোনাকি ফিরে যায় দলে,
আর আমি বসে থাকি একা একা...
(০৪ ফেব্রয়ারি ২০১৫, পল্টন)
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




