মনের ঝংকার ঝড় তুলেছে। ভালোবাসার ঝংকারে পায়েলের শব্দ শুনা যাচ্ছে। মনটাকে ঝড়ো ঝড়ো হাওয়ায় বৃষ্টি ভেজা স্নিগ্ধতায় ভেজাতে ইচ্ছে হচ্ছে......
সমুদ্রের ডাক শুনা যায়, কেমন জানি বাতাসের সাথে ভেসে আসছে অনেক আত্মার ধ্বনি। সেই আত্মার ধ্বনি শুনার জন্য কান পেতে থাকে হাজারো জুটি। উফফ! কী লিখছি জানিনা!শুধুই লেখার জন্য মন ছুটছে। যা ইচ্ছে তাই,ওখানে শুনতে পাচ্ছি দুটি হৃদয়ের কথা। ভেসে ভেসে আসছে আবার চলে যাচ্ছে! কী ছিল তাদের সেই কথা?? ওদের চাওয়া পাওয়া গুলো ঢেউয়ের মত তরঙ্গ সৃষ্টি করে মিলিয়ে গিয়েছিল?? মনে হয় তাই?? কেউ একজনের আত্মার ধনিতে ছিল হাহাকার!তার সেই বেদনাগুলো বাতাসের সাথে উড়ে উড়ে যাচ্ছে।হে শওকত তুমি কেনো এভাবে সমস্ত অনুভূতিগুলোকে টুকরো টুকরো করে ঐ দূর পাড়ে চলে গিয়েছিলে?? কেনো আমার সমস্ত ভালোবাসার কথাগুলি বলতে গিয়ে ফিরে এসেছিলাম ??কেন, কেন ?? আজ আমার ফিরে পেতে মন চায় তোমার ঐ সত্যিকারের ভালোবাসা?? কেন বাসোনি তুমি?? বলো,আমি তো তোমার শরীরকে ভালোবাসিনি। আমি তো তোমার সেই নিলীমা যে অন্ধকারের মধ্যেও তোমাকে নিয়ে ডুবে গিয়েছিলাম ।আলোর সন্ধানে সে তোমার কাছে যায়নি।সে শুধু অন্ধকারকেই ভালোবাসেনি।সে তোমার আলো অন্ধকারের দিনগুলিকে একসাথে বরণ করেছিল।
মনে কী পড়ে না তোমার সেই নিলীমার কথা?? পড়ে না মনে??কত নিলীমা আসবে তোমার জীবনে,এই নিলীমাকে কী পাবে?
শওকত তুমি পারলে?? প্রশ্নবানে জর্জরিত হয়ে হাহাকার আর আর্তনাদে আমার কাছে ফিরে আসে আমার সমস্ত বেদনা। সমস্ত বেদনা আমাকে বিদ্ধ করে বলে কী করে পারলে তুমি শওকত??
আচ্ছা,শওকত তুমি কী কখনো ঐ হাহাকারের মধ্যে দিয়ে যাবে না?? শুনবে না সেই বোবা কান্না?? শুনতে পাবে না?? তোমার বুক ফেটে যাবে না?? কান্না করতে না পারার কষ্ট তোমাকে কষ্ট দেবে না?? দেবে কী?? আমি বলি সেই কান্না ফিরে ফিরে আসুক,তোমায় বিদ্ধ করুক। তোমাকে সেই যাতনা দিক যে যাতনা তুমি নিলীমাকে দিয়েছিলে।
সমুদ্রের বাতাস ভারী হয়ে যাবে আর সেই বাতাসে কান পেতে শুনতে পাবে শওকতের আর্তনাদ।আর ভালোবাসার জুটিগুলি ভাবতে থাকবে কী করেছিল শওকত?? কেন তার কান্না বাতাসের সাথে শূন্যে মিলিয়ে যায় না?? কেন সে নিলীমার কাছে ক্ষমা চাইতে পারেনা?? হাজারো প্রশ্নবানে বিদ্ধ হবে।বিদ্ধ হবে শওকত ,যতদিন শওকত নামটি বেঁচে থাকবে ততদিন হাজার হাজার প্রশ্নও বেঁচে থাকবে!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৫ রাত ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




