somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অসংজ্ঞায়িত

১৫ ই মার্চ, ২০১৩ রাত ৮:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গভীর রাত,নিঃশব্দ চারপাশ।
প্রচন্ড শব্দে ফুল স্পীডে ফ্যান ঘুরছে।দখিনের জানালা খোলা,হালকা বাতাসে মাঝেমধ্যেই পর্দা কেপে উঠছে।ঘরের এক কোনায় পড়ার টেবিল,এর পাশেই কাপড় রাখার আলমিরা।পড়ার টেবিলের উপর একপাশে ব্যাগ,একটি কাঁচের গ্ল্যাস আর পানিভর্তি জগ। ঘরের অন্য পাশে বুকশেলফ,প্রত্যেকটা স্তরে স্তরে সুনীল,জীবনানন্দ,হুমায়ূন সাজানো। বুকসেলফের ঠিক উপরেই দেয়ালে এক যুবকের হাসিহাসি মুখের ছবি ঝোলানো।নোকাতে বসে থাকা যুবকের এক হাত নদীর পানিতে,মুখে স্বর্গীয় হাসি-দেখে মনে হচ্ছে যেন নদীর পানিতে হাত দিয়ে নৌকায় বসা খুবই আনন্দময় ব্যাপার! ছবির হাস্যজ্জ্বোল ছেলেটিই এখন শুয়ে রয়েছে ফ্যানের সিলিং এর ঠিক নিচেই-খাটের উপর। মাঝারি উচ্চতা,শ্যামলা বর্ণ,গোলগাল চেহারা,ঘনকালো চুল-চেহারার মধ্যে তেমন কোনো বিশেষত্ব নেই তবে চোখ দুটিতে অন্য রকম একটা মাদকতা আছে।সৃষ্টিকর্তা একেক মানুষকে একেকটা বিশেষত্ব দিয়ে পৃথিবীতে পাঠান-এই যুবকের বিশেষত্ব হচ্ছে তার মায়াবী চোখজোড়া। শব্দ করে নাক ডেকে ঘুমুচ্ছে যুবক।মাঝেমধ্যেই ঘড়ঘড় শব্দ করে বধিরের মত অস্ফুটে গোঙ্গিয়ে উঠছে।এখন,প্রচন্ড নাক ডাকার শব্দ হচ্ছে। হঠাৎ ঘুম থেকে উঠে দুহাত দিয়ে মুখ চেপে ধরে ঠায় বিছানায় বসে পরলো। সিলিঙ্গয়ে ঝুলা ফ্যান তখনও ঘুটঘুট শব্দ করে ফুল স্পীডে ঘূরছে।
_____________________________________________ভয়ঙ্কর দুঃস্বপ্ন দেখে ঘুম থেকে উঠলাম। শ্বাস ফেলতেও ভীষন কস্ট হচ্ছে এখন। মাথা প্রচন্ড ব্যাথা,জ্বরও উঠেছে বোধহয়। ফাল্গুনের একেবারে শেষের দিনটাতে বছরের প্রথম বৃষ্টিতে ভেজার আমন্ত্রন রক্ষা করতে গিয়েই এই অবস্থা! আজ বিকেলে হঠাৎ ঝুম ধরে বৃষ্টি নামলো। বাসায় কেউ নেই-বাবা-মা,আপূ সবাই গ্রামের বাড়িতে গিয়েছে,কাল বিকেলে ফিরবে। ওদের অনপস্থিতিতে অনেকদিন পর বৃষ্টিতে ভেজার একটা সুযোগ পাওয়া গেল,এই সুযোগ কি আর হেলায় নস্ট করা যায়?! বাড়ির ছাদের দরজায় সবসময় তালা দেওয়া থাকে,শুধুমাত্র বাড়িওয়ালার কাছেই চাবি।৬তলা বাড়ির ৪তলায় আমরা ভাড়া থাকি,আমাদের ঠিক নিচের তলাতেই পরিবারসহ বাড়িওয়ালা থাকেন।নিচে গিয়ে কলিংবেল টিপতেই বাড়িওয়ালার মেয়ে বের হয়ে আসল।
-ছাদের চাবিটা দেওয়া যাবে একটু?

-ছাদের আবার চাবি হয় নাকি?!! বলুন ছাদের দরজার চাবি। দিচ্ছি,একটু দাঁড়ান...
এই নিন চাবি। আপনি কি বৃষ্টিতে ভিজবেন?

-হুম

এই মেয়ের নাম শ্রাবন্তী,আমাদের ভার্সিটিতেই পরে অন্য ডিপার্টমেন্ট। আমার সঙ্গে সবসময়ই কেমন যেন রুক্ষভাবে কথা বলে! যেন আমি তার বাড়া ভাতে ছাই দিয়েছে! এই রহস্যের কূলকিনারা আজ পর্যন্ত বের করতে পারিনি।

ছাদে যাওয়ার কিছুক্ষন পর দেখি বাড়িওয়ালার দজ্জাল মেয়েও উপস্থিত! এই ঝুম বৃষ্টিতে এই মেয়ে কেন এখানে আসছে?!! কে জানে এখন আবার আমাকে কি অপমান করে...আমার দিকেই তো আসছে মনে হয়! Oh God!

-আপনি!

-কেন,আমার বৃষ্টিতে ভিজতে মানা আছে নাকি?! এমন অবাক চোখে তাকাচ্ছেন যে?!!

-নাহ,তা হবে কেন? এমনিতেই বললাম।আসলে আমি ভেবেছিলাম...

-কি ভেবেছিলেন?

-নাহ থাক...

তারপর কিছুক্ষন নিঃস্তব্ধতা...হঠাৎ শ্রাবন্তী বলে উঠলো,

-আপনি আর সিগারেট খাবেন না!

(আররে এই মেয়ে বলে কি!! আমি সিগারেট খাব না গু খাব এটা আমার ব্যাপার এই মেয়ে বলার কে!!! আর কি চোখরে বাবা,টঙ্গের এক চিপায় সিগারেট খেয়েছি আজ, এটাও এই মেয়ের চোখ এড়ায় নি!)

এসব কিছুই বলতে পারেনি। শ্রাবন্তীর বলার মধ্যে অন্য এমন এক সুর ছিলো যার জবাবে নিজের অজান্তেই মুখ ফুটে বেরিয়ে আসলো,

-আচ্ছা,ঠিক আছে...

-আচ্ছা আমি যাই। অনেকক্ষন ভিজেছেন, এখন বাসায় চলে যান নয়তো ঠান্ডা লেগে যাবে।
_____________________________________________

কি সব আবল তাবল ভাবছি! জ্বরের ঘোরে মাথাটা পুরোপুরি নস্ট হয়ে গেছে মনে হয়! শ্বাসকষ্টটাও যোগ হয়েছে এর সাথে।এই শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি আমার জন্য নতুন কিছু না,ছোটবেলা থেকেই এই রোগটার সঙ্গে আমার পরিচয়।তবে,গত ২-৩বছরে এটা আর তেমন যন্ত্রণা দেয়নি।এই রোগটা জঘন্য,নাক দিয়ে শ্বাস ফেলা যাবেনা,বুক ভারী হয়ে যাবে-ধীরে ধীরে দম বন্ধ আসবে। তখন হা করে মুখ দিয়ে শ্বাস ফেলতে হয়,একটা সময় পর দেখা যাবে মুখ দিয়েও শ্বাস নেয়া যাচ্ছেনা! একেবারে যাচ্ছেতাই অবস্থা যাকে বলে! এর অবশ্য তাৎক্ষনিক চিকিৎসা আছে-ইনহেলার।এই ইনহেলারের ২-৩ ডোজ বায়বীয় তরল মুখ দিয়ে নিলে আস্তে আস্তে সব কিছু স্বাভাবিক হয়ে আসে।এই যা,একেবারে শ্বাসই তো নিতে পারছিনা!যাই,দেখি ইনহেলারটা ঔষুধের ডিবিটায় পাওয়া যায় কিনা।ডিবিতে এমন কোনো ঔষুধ নেই যা পাওয়া যাবে না! একেবারে যেন একটা ফার্মেসি!
_____________________________________________
বৃষ্টিতে ভিজে জ্বর বাধানো এই যুবকের একটা নাম দেয়া দরকার গল্পের প্রয়োজনে।গল্প এগুচ্ছে কিন্তু পাঠক গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম এখনো জানতে পারছেনা-ব্যাপারটা অদ্ভুত! বড় বড় লেখকরা হয়তো গল্পের ছলেই নাম বলে দিত কিন্তু আপনাদের দূর্ভাগ্য আপনারা খুবই নবিশ একজন শৌখিন গল্পকারের লেখা পড়ছেন। যাই হোক,এই যুবকের নাম হচ্ছে "মেঘ"।

ঔষুধের ডিবিসহ সারাঘর তন্নতন্ন করে করে খোঁজ়েও মেঘ তার ইনহেলার পেল না। আসলে পেয়েছে একটা, তবে সেটা শেষ! ক্রমেই তার শ্বাসকষ্ট বাড়ছে,বুক ভারী হয়ে আসছে। বিছানায় ফিরে আসলো,আগের চেয়ে গোঙ্গানিটা বেড়েছে। বাসার ল্যান্ডফোন অনেকদিন ধরেই নষ্ট। আর,একমাত্র মোবাইল ফোনের ২টা সিমেই মেসেজ পাঠানোর মতও টাকা নেই। তার বাসায় হয়তোবা আরেকটা ইনহেলার আছে,আবার নাও থাকতে পারে কারন এখন তো আর ইনহেলার ব্যাবহারের প্রয়োজন হয় না তার। তারপরেও বাবাকে জিজ্ঞাসা করে হয়তো নিশ্চিত হওয়া যেত,কিন্তু এত গভীর রাতে পাশের বাসার মানুষকে ডেকে তোলার তো কোনো মানে হয় না। এরচেয়ে বরং চুপচাপ কিছুক্ষন বসে থাকলে হয়তো এমনিতেই শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হয়ে আসবে। ইনহেলার না পাওয়াটা মেঘের জন্য নতুন কিছু না।একবার হলো কি,ঠান্ডা লেগে ওর জ্বর উঠলো কিন্তু ওইদিন আবার স্কুলে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,কোনোভাবেই ওর বাবা-মা ওকে বাসায় রাখতে পারলো না! স্কুলে গিয়েই দূর থেকে এক ছেলেকে দিল ঢিল,বাচ্চা বয়সে যা হয় আর কি! ওই ছেলে দিলো দৌড়ানি, দৌড়াতে দৌড়াতে ওর উঠে গেলো শ্বাসকস্ট! ভাগ্যিস,স্কুলের দারোয়ান পাশেই ছিল। ওকে বাসায় পৌছে দিয়ে গেল তাড়াতাড়ি। এরপর থেকে ওর বাবা সবসময় স্কুল ব্যাগের সাইড পকেটে ইনহেলার দিয়ে দিত,স্কুলে যাবার সময়ও বারবার পরীক্ষা করে দিত ইনহেলার নিয়েছে কিনা!
_____________________________________________ক্রমেই শ্বাস-প্রশ্বাস একেবারেই বন্ধ হয়ে আসছে। মনে হয় মারাই যাচ্ছি! ছোটবেলায় অনেকবারই ঠিক এরকম অভিজ্ঞতা হয়েছিল,একেবারে মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে এসেছিলাম। অনেকে বলে যে মৃত্যুর কাছ থেকে ফিরে আসাদের নাকি মৃত্যুভয় কম থাকে।কথাটা সম্পুর্ণ বানোয়াট মনে হচ্ছে আমার কাছে। মৃত্যুভয়ে কাতর বলতে যা বুঝায়-আমি ঠিক সেই অবস্থাতেই আছি এখন। এডগান এলান পোর একটা কবিতা আমার খুব পছন্দের-
From childhood's hour I have not been
As others were; I have not seen
As others saw; I could not bring
My passions from a common spring.
From the same source I have not taken
My sorrow; I could not awaken
My heart to joy at the same tone;
And all I loved, I loved alone......

বিধাতা বোধহয় আমার পছন্দের গুরুত্ব দিয়েছেন নয়তো আমার মরণটাও এমন একাকী নিঃস্বঙ্গতায় হবে কেন?

দুরুদ শরীফ পাঠ করা শুরু করলাম,মরতে যখন হবেই তখন আল্লাহ-রাসুল(সাঃ) এর নাম স্মরণ করেই মরি! কিন্তু বারবার তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে,শেষের আয়াত আগে এসে যাচ্ছে আগেরটা শেষে! মাথায় অক্সিজেন কমে যাচ্ছে বিধায় মনে হয় হেলুসিনেশনও হচ্ছে! ক্লান্তিতে চোখ বন্ধ হয়ে আসছে,পুরনো দিনের স্মৃতি রমন্থন করে মরে যাওয়াটা খুব বেশি খারাপ হবেনা। চোখের সামনেই নিজের শৈশব-কৈশরের সব স্মৃতি ভেসে উঠছে-আব্বুর হাত ধরে স্কুলে যাওয়া,আপুর সঙ্গে রাগ করে বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার পর আপুর ফুঁপিয়ে কান্না করা,আম্মুর হাতে ভাত খাওয়া নিয়ে ২জনের ঝগড়া,ক্রিকেট খেলতে গিয়ে পা কেঁটে ফেলা, আহসানের দৌড়ানি খেয়ে শ্বাসকষ্ট উঠে যাওয়া-এরপর প্রত্যেকদিন আব্বুর আমার স্কুলব্যাগে ইনহেলার আছে কিনা চেক করা,ক্ল্যাশ নাইনে পড়ার সময় বৃষ্টিকে প্রেমপত্র দিয়ে ধরা খেয়ে হেডস্যারের ধমক খাওয়া-কোনোকিছুই তো বাদ যাচ্ছেনা!

খুব বেশি বাঁচতে ইচ্ছে করছে এখন।এখনো তো শ্রাবন্তীকে লাল গোলাপ দেয়ার বাকি,আপুর সঙ্গে অনেক খুনসুটি করার বাকি,বাকি আছে বন্ধুদের সঙ্গে অনেক আড্ডা। কিন্তু আমাকে নিয়ে সৃষ্টিকর্তার কিসের এত তাড়া??
_____________________________________________
দরজা ধাক্কাচ্ছে কে যেন। এত গভীর রাতে তো দরজা ধাক্কা দেয়ার কথা না কারো!! দুহাতের উপর প্রচন্ড চাপ দিয়ে বহু কস্টে বিছানা থেকে নামলো মেঘ। পাশের ডাইনিং স্পেসের মধ্য দিয়ে সদর দরজার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শরীরের উপর নিয়ন্ত্রন নেই,বেশকয়েকবার মেঝেতে পরে যাবার উপক্রম হয়েছে। কোনোরকমে দরজাটা খোললো সে। ক্লান্ত চোখে দেখলো শ্রাবন্তী দাঁড়িয়ে!!! এও কি সম্ভব!!

-এত রাতে তুমি?!!

-আপনি এমন গোঙ্গাচ্ছেন কেন?!! চোখ এত লাল কেন আপনার!!

শ্রাবন্তী কিছু বুঝে উঠার আগেই মাথা ঘুরিয়ে মেঝেতে পরে গেল মেঘ। কপালে হাত দিয়ে শ্রাবন্তী বললো,

-আপনার গা তো জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে!!

অস্ফুটে গোঙ্গিয়ে উঠে মেঘ শুধু বললো,

-ইনহেলার হবে!!

-আমি তো ইনহেলারের কথা বলতেই এসেছিলাম!!

অস্পস্ট চোখে মেঘ শ্রাবন্তীকে দৌড়ে তার পড়ার টেবিল থেকে ইনহেলারটা আনতে দেখলো...সে মুখ হা করে একের পর এক ডোজ নিতে থাকলো,শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক হতে থাকলো...কিছু সময় পর শ্রাবন্তীর উদিগ্ন মুখখানি দেখতে দেখতেই গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল মেঘ...
_____________________________________________পরদিন,মধ্যদুপুর
জানালার পর্দাভেদ করে দুপুরের কড়া রৌদ্র একেবারে মেঘের চোখে-মুখে এসে লাগছে। অত্যন্ত স্বাভাবিক ভঙ্গীতে ঘুম থেকে উঠলো সে,যেন তার কিছুই হয়নি। গতকাল রাতের কোনো স্মৃতিই তার মস্তিস্কে সংরক্ষিত নেই,শুধু একটি দৃশ্য ছাড়া-শ্রাবন্তী উদিগ্ন মুখে তার হাতে ইনহেলার তুলে দিচ্ছে।
____________________________________________
মুখ না ধুয়েই নিচে শ্রাবন্তীদের বাসায় গিয়ে কলিংবেল টিপলো সে। ওদের বুয়া দরজা খুললো,

-ছাদের চাবি লাগবো,ভাইজান? খাড়ান,আমি আইনা দিতেসি

-না না্‌।তুমি শ্রাবন্তীকে আসতে বল একটু

-ঠিকাসে,আফনে ভিতরে আইসা বহেন

কি হয়েছে? ডাকলেন কেন হঠাৎ?

-কাল রাতে তুমি আমার জন্য যা করেছো এই ঋণ আমি কোনোদিন শোধ করতে পারবোনা।কাল তুমি না থাকলে কি যে হত!!

-মানে কি!! কি বলতেছেন এসব!! আমি আপনার বাসায় রাতে যাবো কেন!!! ও বুঝেছি! কাল তো সিগারেট খেতে দেখেছি আজ মনে হচ্ছে গাঁজা খেয়েছেন!!

-তার মানে তুমি কাল রাতে আমার বাসায় যাওনি!! সিরিয়াসলি বলো প্লিজ,এটা দুষ্টামি করার সময় না

-নাহ যাই নি!

মেঘের মাথা চিন্তাশূণ্য হয়ে গেলো!! এও কিভাবে সম্ভব!! বিড়বিড় করতে করতে করতে শ্রাবন্তীর বাসা থেকে বের হয়ে আসলো সে...দরজা থেকে শ্রাবন্তী অনুসন্ধানী দৃষ্টিতে অবাক হয়ে মেঘকে দেখতে লাগলো...
জগত বড়ই রহস্যময়!!
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১৩ সকাল ১১:০৪
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×