somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সালেহ মতীন
ভাঙতে নয়, গড়তে চাই। গড়তে চাই সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের একটি বিশ্ব সৌধ। আগামী প্রজন্মকে হানাহানিমুক্ত একটি শান্তিময় সুন্দর পৃথিবী উপহার দিতে চাই। সুন্দরকে আরো সুন্দর করে সাজানো এবং পরিশীলিত ব্লগিং চর্চার মাধ্যমে পরিশুদ্ধ ও ঐক্যবদ্ধ জাতি গঠনই আমার সাধনা।

শুধুই শূন্যতা

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীর তাবৎ মমতাময়ী মায়ের অনাবিল স্নেহমাখা আঁচলে আমার মুখ লুকাতে ইচ্ছে করে। উষ্ণ সোহাগমিশ্রিত মাতৃস্নেহের ছায়াসমুদ্রে কতদিন অবগাহন করিনা- তা ভাবতেই তৃষ্ণার্ত হৃদয়টা শূন্যতায় ছেয়ে যায়। আমি তখন সীমাহীন বিষণ্ণতায় মুষড়ে পড়ি।
‘মা’ আসলেই এক অনুপম ও অবিশ্বাস্য সত্ত্বা, এক অসীম সাহসের প্রতিকৃতি, এক অনাবিল শান্তি পরশের জান্নাতী ছায়া যা কোনভাবেই তুলনার পাল্লায় মাপা যায় না। সন্তান পিতা/মাতা হয়ে গেছে কিংবা তার চেয়েও বেশি- দাদা/দাদী, নানা/নানী, চুল পেকে গেছে- তাতে কী ? মায়ের কাছে সন্তানের এ বয়স বৃদ্ধি নিতান্তই মূল্যহীন। চোখের আড়ালে থাকলেও যার মননের তারে সযত্নে বেজে উঠে সন্তানের সুখ-দুঃখের সুর। দূরে থাকা এমন সন্তানের কথা ভেবে রাতে ক‘বার মায়ের ঘুম ভাঙে আমরা কেউ কি ভেবে দেখেছি ? চর্মচক্ষু বাহ্যত মুদে আসে কিন্তু মাতৃস্নেহের চোখের সাধ্যি নেই তা কোনকালেই কেউ বন্ধ করতে পারে।
কোন এক কবি তার মায়ের হারিয়ে যাওয়া নোলক খুঁজেছিলেন এখানে সেখানে- আর আমি ‘মা’ নামক অফুরন্ত মমতার এই বিন্যস্ত ভাণ্ডার খুঁজে ফিরি এ মেরু থেকে ও মেরু, আকাশে-বাতাসে, অন্তরীক্ষে অথচ শূন্য হাতে অবশেষে ফিরে আসি অসহায় আপন ঘরের অরণ্য আঙিনায়।
শাড়ির আঁচল দিয়ে মাথার ধুলো মুছে দেয়ার স্নেহময়ী মায়ের সেই অনন্য অভ্যাস আমাকে অনুভবে এখনো স্পর্শ করে। তখন কল্পনায় মাথাটা নুঁয়ে দিয়ে স্নেহের বদলে উদাত্ত কাতরতায় কিছু শূন্যতা বহন করি। জননী হস্তের মায়াবী পরশ তখন মরিচীকার রূপ ধারণ করে আমার অশ্রু ঝরাতে বেপরোয়া হয়ে উঠে। উহ ! পৃথিবী ! আর কিছুই না, তুমি আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। আমার নিমগ্ন চেতনার আহত দেয়ালে শুধুই মায়ের স্নিগ্ধ ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি, প্লিজ আমার মাকে ফিরিয়ে দাও। অনিঃশেষ বেদনার দূর্গ থেকে এ অসহায়ের আর্তনাদ, কিছুই না, আমার মাকে ফিরিয়ে দাও।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই নভেম্বর, ২০১৭ বিকাল ৪:০৩
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

কথার বুলেট ছুড়ি

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



ভাবতে তোমার দোষটা কোথায়?
ভেবে দেখো পাপ করোছো নাকি
সংসারে কেনো জাহান্নামে পুড়ো-
ভাবতে তোমার দোষটা কোথায়?

দোষটা তোমার নিজের ভুলগাড়ি
কেমনে চালাও ব্রেক ফেল হয় আড়ি
অহমিকার ভুলটা তোমার নয় কি
দোষটা তোমার নিজের ভুলগাড়ি।

এক্সিডেন্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরি - ১৯৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১২



আজ সকালে হোটেলে নাস্তা করেছি।
ইচ্ছা ছিলো ঘুম থেকে উঠবো ১২ টায়। কিন্তু এক ছাগলে অকারণে ফোন করে ঘুমটা নষ্ট করে দিয়েছে। রাতে যে মোবাইলের সাউন্ড বন্ধ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×